পদ্মা সেতু প্রকল্পের কর্মকর্তাদের বদলির বিষয়ে সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, ‘সব কর্মকর্তাই স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। পদায়ন, বদলি কিংবা অব্যাহতি স্বাভাবিক নিয়মে হয়েছে, দুর্নীতির কারণে হয়নি।’ বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির কথা বলার পর কেন দুজন কর্মকর্তাকে অবসারণ করা হলো, আগে-পরে নয় কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা সরকারের বিষয়। যারা এটা করেছে, তারা নিশ্চয়ই নানা দিক বিবেচনা করে করেছে।’ কোনো অনিয়মে জড়িত না থাকলে বিশ্বব্যাংক কেন আপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক আমাকে নয়, টার্গেট করেছে সরকারকে। সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, যারা পদ্মা সেতু চায় না কিংবা দেরি হোক তা চায়, তারাই ষড়যন্ত্রে নেমেছে। কারা এই ষড়যন্ত্র করছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটা এখন সবাই জেনে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার ওপর যাতে চাপ না পড়ে, সে জন্যই সরকার উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে সেতু করতে চেয়েছে। এ অবস্থায় কীভাবে দেশীয় অর্থায়নে সম্ভব জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘বৈদেশিক মুদ্রার যে রিজার্ভ আছে, তাতে কোনো সমস্যা হবে না।’
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।