বাংলা আমার দেশ পবিত্র রমজান মাস এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায়। চলতি বছরও এরই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। সরকারের নিষ্ফল চেষ্টায় বাজারে আগুন ঠিকই লেগেছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বাণিজ্যমন্ত্রীর ঢাকঢোলের আওয়াজ শোনা ছাড়া ধার কোন উপকার হয়নি সাধারণ মানুষের। প্রথম রমজানের তুলনায় দু’একটি পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও অধিকাংশ পণ্যের দাম বেড়েছে, যা অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি।
শুক্রবার দেখা গেছে, প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। ধনেপাতা বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজিতে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়। এছাড়া আলোচিত চিনি আবারও বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে।
২০ রমজান না যেতেই এ নিয়ে তিনবার উধাও হল এ পণ্যটি। ক্রেতাদের অভিযোগ, সরকারের দুর্বল তদারকির সুযোগে চিনির দাম আরও বাড়াতে ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে। চিনির খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডিলারদের কাছে চিনি পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও খুচরা বিক্রেতাদের এমন অভিযোগ মানতে রাজি নন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। চিনি নিয়ে ব্যবসায়ীদের এমন ছিনিমিনি খেলায় এ পণ্যটি অনেকটা তেতো হয়ে উঠেছে।
প্রথম রমজান ও গত তিন বছরের বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখা গেছেÑ চাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, ডাল, মুড়ি ও মাছ-মাংসসহ বেশিরভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ২০০৯ সাল থেকে ’১১ সাল পর্যন্ত তিন বছরের রমজান মাসের প্রথম দিন থেকে ১৮তম দিন পর্যন্ত জিনিসপত্রের দামের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অধিকাংশ পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। একইভাবে খুচরা ও পাইকারি বাজারের মধ্যে বিশাল একটি ফারাক সৃষ্টি হয়েছে।
কাঁচামরিচের ঝাল চরমে : রমজানে বেগুনের মতো কাঁচামরিচেরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ কারণে বেগুনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কাঁচামরিচের দামও।
শুক্রবার প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে বাজার ভেদে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। রাজধানীর ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার ও কাঁঠালবাগান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব বাজারেই বেগুনের দাম চড়া। রমজানের শুরুতে যে বেগুন ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল, শুক্রবার সেই বেগুনই বিক্রি হয়েছে বাজার ভেদে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। বিক্রেতারা জানান, বেগুনের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে।
পেঁয়াজের দাম বাড়ছেই : শুক্রবার পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়।
এর মধ্যে দেশী পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ৪২ টাকা আর ভারতের পেঁয়াজ ৩৪ টাকা। শ্যামবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত কয়েকদিনে পাইকারি বাজারেই পেঁয়াজের দাম বেড়েছে তিন থেকে চার টাকা। যদিও পাইকারি বাজারে বর্তমানে পেঁয়াজের দাম ৩২ থেকে ৩৪ টাকার বেশি নয়।
আবারও তেতো হচ্ছে চিনি : এবারের রমজানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত পণ্য ছিল চিনি। এ কয়েক দিনেই বাজার থেকে কয়েক দফা উধাও হয়ে যায় এ পণ্যটি।
বেশি দামেও পাওয়া যাচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার থেকে আবার এ পণ্যটি উধাও হয়ে গেছে। ২০ জুলাই সরকার চিনির কেজি ৬৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয়ার পর থেকেই আরও বেশি অস্থির হয়ে ওঠে চিনির বাজার। এক লাফে চিনির দাম উঠে যায় ৮০ টাকার ঘরে। পরের দু’দিন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপে চিনির বাজার স্বাভাবিক হয়।
কিন্তু দাম বাড়তে বাড়তে আবারও সেই চিনি তেতো হয়ে গেছে। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের হস্তক্ষেপে বাজারে চিনি পাওয়া গেলেও দাম এখনও ৭২ থেকে ৭৫ টাকার মধ্যে। তবে কোথাও কোথাও ৬৫ টাকা দরেও বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, সরকারের দুর্বল তদারকির সুযোগে চিনির দাম আরও বাড়াতে ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে। চিনির খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডিলারদের কাছে চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।
যদিও খুচরা বিক্রেতাদের এমন অভিযোগ মানতে রাজি নন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। চিনি নিয়ে ব্যবসায়ীদের এমন ছিনিমিনি খেলায় এ পণ্যটি অনেকটা তেতো হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি হাজী আবুল হাসেম যুগান্তরকে বলেন, চিনির সরবরাহ কম থাকায় অনেক খুচরা বিক্রেতা চিনি রাখতে পারছেন না। যতটুকু চিনি দরকার ততটুকু সরবরাহ করা হচ্ছে না। তবে যাদের কাছে চিনি রয়েছে তারা সরকার নির্ধারিত দামেই বিক্রি করছেন।
দেশবন্ধু সুগার মিলের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা যুগান্তরকে জানান, দেশে চিনি সরবরাহে কোন ঘাটতি নেই। তিনি উল্লেখ করেন, চাহিদার চেয়ে বেশি চিনি সরবরাহ করা হচ্ছে। রাজধানীতে দৈনিক চাহিদা ৪০০ টন হলেও সুগার মিলস অ্যাসোসিয়েশন থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০০০ টন চিনি সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে রাজধানীতে চিনি বিক্রি করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, প্রতিদিনই চিনি ফেরত আসছে।
ছোলা : ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ ছোলা।
রমজান শুরুর আগে ভালো মানের ছোলার খুচরা দাম ছিল ৮০ থেকে ৮৫ টাকা। কিন্তু বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে বাজারভেদে ১০০ টাকা পর্যন্ত। অথচ গত বছর ছোলা বিক্রি হয়েছে ৫৫-৬০ টাকায় এবং ২০০৯ সালে তা ৪২-৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। ছোলা বাজার থেকে উধাও না হলেও এ পণ্যটির দাম বেড়েছে কয়েক দফা। এক বছরের ব্যবধানে এ পণ্যটির দাম বেড়েছে ৭৬ শতাংশ।
বর্তমানে ৮৫ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে ছোলা বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতারা অস্ট্রেলিয়ার ছোলা ৭০ থেকে ৭৫, মিয়ানমারের ছোলা ৯০ থেকে ৯৫, ইথিওপিয়ার ছোলা ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি করছেন।
চালের বাজার : চলতি রমজান মাসে মোটা চালের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও বৃষ্টির কারণে চালের দাম সামান্য বৃদ্ধি পায়। তবুও গত এক বছরের তুলনায় শুধু মোটা চালের দাম বেড়েছে প্রায় ৭ শতাংশ। আর চিকন চালের বেড়েছে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত।
ভোজ্যতেল : শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও হাতিরপুল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ দোকানে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করছেন না ব্যবসায়ীরা। তারা ক্রেতাদের বোতলজাত তেল কিনতে পরামর্শ দিচ্ছেন। তারপরও যেসব দোকানে খোলা সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে তা প্রতি লিটার ১১০-১২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে পাঁচ লিটার বোতলজাত তীর সয়াবিন ৫৯৫, রূপচাঁদা ৬০৫, ফ্রেশ ৫৮৬, দুই লিটারের বোতলজাত তেল ২৪০ ও এক লিটারের বোতল ব্র্যান্ডভেদে ১২৪ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হয়। সম্প্রতি সরকার ১০৯ টাকা লিটার সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করার পর ১২৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।
সরকারের প্রতিষ্ঠান টিসিবির মতেই গত এক বছরে ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে খোলা সয়াবিনের দাম। আর পাম অয়েলের দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত। বর্তমানেও প্রতি ৫ লিটার রূপচাঁদা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৫৮৫ থেকে ৬০০ টাকায়। এছাড়া বিভিন্ন ব্রান্ডের প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১২৪-১২৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত রমজানে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছিল প্রতি লিটার ৮০-৮২ টাকা ও বোতলজাত সয়াবিন ৮৫-৮৭ টাকা এবং ২০০৯ সালের রমজানে খোলা সয়াবিন ছিল ৭৮-৮০ টাকা ও বোতলজাত ৭৬-৭৭ টাকা।
চলতি রমজানে পাম তেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ১০৪ টাকা ও সুপার পাম তেল ১০৫ টাকা। ২০১০ সালে পাম তেল ৭৫-৭৬ টাকা ও ২০০৯ সালে ৬৬-৬৮ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।
মাছ ও মাংস : রাজধানীর বড় বাজারগুলোতে মাছের পরিমাণ কিছুটা কম থাকায় বিক্রেতারা দামও নিয়েছেন অনেক বেশি। বিভিন্ন বাজারে রুই ২৫০ টাকা কেজি, মাঝারি আকারের জোড়া ইলিশ ১২০০ থেকে ১৪০০, সরপুঁটি ১৮০ থেকে ২২০, মাগুর ৫৫০ থেকে ৬০০, কই ২৫০ থেকে ৩০০, শিং ৬০০ থেকে ৬৫০, আইড় ৫০০, ছোট চিংড়ি ৩৫০, কাঁচকি ৩০০ ও টাকি ১৫০ থেকে ১৮০, পাঙ্গাশ ১০০ থেকে ১২০, তেলাপিয়া ১০০ থেকে ১৩০, নলা ১৫০ থেকে ১৭০, ছোট পুঁটি ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। একইভাবে গরুর মাংস নির্ধারণ করা দামের চেয়ে ১০ টাকা বেশিতে ২৮০ এবং খাসির মাংস ৪৪০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে দেখা গেছে।
ব্রয়লার মুরগি শুক্রবার বিক্রি হয়েছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। আর ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের দেশী মুরগি বিক্রি হয় ২৫০ থেকে ২৮০ টাকায়। একমাত্র দাম কমেছে ডিমের। ক্রেতারা প্রতি হালি ডিম কিনেছেন ২৪ থেকে ২৬ টাকায়।
খেজুর ও মুড়ি : বিক্রেতারা মুড়ির দামও বাড়িয়ে দিয়েছেন।
মেশিনে বানানো মুড়ি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, আর হাতে ভাজা প্যাকেট মুড়ির দাম ৯০ থেকে ১০০ টাকা। বাজারে গত ১০ দিনে মুড়ির দাম বেড়েছে কেজিতে অন্তত ১০ টাকা। একইভাবে খুচরা দোকানে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে খেজুর। ৭০ টাকা পর্যন্ত খেজুর বিক্রি হচ্ছে। বাংলা খেজুর ৭০, মরিচা ও নাগা ১২০, বড়ই ১৮০ থেকে ২০০ ও মরিয়ম ২২০ থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া ৩২০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেটজাত খেজুর। প্রতি কেজি গুড় বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। বেসন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত।
বেড়েছে লেবুর দাম : ইফতারে শরবত অপরিহার্য, তাই বেড়েছে লেবুর কদর। এ কারণে দামও বেড়েছে একই হারে।
গন্ধ লেবু (এলাচি) ২০ ও ছোট কাগজিলেবু ১৫ টাকা হালি বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।
এদিকে টানা বৃষ্টির অজুহাতে নিত্যপণ্যের বাজার আবার অস্থির হয়ে উঠেছে। বেড়ে গেছে সব ধরনের পণ্যের দাম। ক্রেতা-বিক্রেতারা বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ছেন। সরবরাহ কম কিন্তু চাহিদা বেশি থাকায় অধিকাংশ পণ্যের দাম বাড়ছে বলে জানান খুচরা বিক্রেতারা।
আর সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, অযৌক্তিকভাবে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ত্যাগের মাসে অতিরিক্ত মুনাফার লোভে প্রায় সব ধরনের পণ্যের দামই বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ্বাস বেড়ে গেছে। এছাড়া অধিকাংশ পণ্যের দাম চড়া থাকায় কোন রোজাদারই স্বস্তিতে নেই।
শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের পণ্যের দাম ২ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
টানা বর্ষণের অজুহাতে শাকসবজি ও চালের দাম বেড়েছে। মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। টানা বৃষ্টির কারণে শাকসবজির উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহনেও সমস্যা হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে ধান শুকাতে না পারায় চালের উৎপাদনও কমে গেছে। এ কারণে বেড়ে গেছে চালের দাম।
কারওয়ান বাজার, শাহজাহানপুর, মালিবাগ, যাত্রাবাড়ী, শান্তিনগর, মানিকনগর বাজার, নিউমার্কেট বাজার, মগবাজার ও মিরপুর ১১ নম্বরের কাঁচাবাজারে দেখা গেছে অধিকাংশ শাকসবজির দাম ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। প্রতি কেজি শসা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পটোল ৩৫ থেকে ৪০, বেগুন মানভেদে ৬৫ থেকে ৭০, করল্লা ৪০ থেকে ৫০, কাঁকরোল ৩৫, পেঁপে ১৫ থেকে ২০, মিষ্টিকুমড়া ৩০, লাউ ২৫, আলু ১৮ থেকে ১৯, বরবটি ৬০, কচুর মুখী ৩০ ও ঢেঁড়শ প্রতি কেজি ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস প্রতি কেজি ২৭০ থেকে ২৮০ ও খাসি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোলার দাম আরও বেড়েছে।
ভালো মানের ছোলা ৯০ টাকা, আর সাধারণ মানের ৭০ টাকা।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকার আরও আন্তরিক হলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ক্রেতাদের অভিযোগ, সরকারের দুর্বল তদারকির কারণে ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করায় বিভিন্ন পণ্যের দাম অগ্নিমূল্য হয়ে রয়েছে। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।