আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

র্হাটের সমস্যার সমাধান নিয়ে কিছু কথা।

র্হাটের সমস্যার সমাধান নিয়ে যে নিয়মের কথাটা আমি বলব এই নিয়মে আমার বাবা অনেক উপকার পেয়েছেন। তাই সবার মাঝে শেয়ার করছি যেন আপনার মাধ্যমে আপনার পিতা-মাতা (যদি উনারা রোগী হয়ে থাকেন) অথবা যারা র্হাটের রোগী তাদের উপকার করতে পারেন। । নিয়মটি বলার আগে এর উৎস সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজন বোধ করছি। আমার বাবা র্হাটের রোগী এবং উনার র্হাটে ২টা মেডিকেডেট রিং বসানো আছে।

আমার এক মামা আছে যিনি কিনা আমার আব্বুকে খুব ভালবাসেন এবং উনি সিঙ্গাপুর থাকেন। উনি সিঙ্গাপুরে যে বাসায় থাকেন সেই বাসায় উনার সাথে ২ জন ভারতীয় ছেলে থাকে। ওরা সিঙ্গাপুরে মেডিকেলে পড়াশুনা করে। ওদের কাছ থেকেই এই ফর্মূলাটা পেয়েছে। ওরা নাকি এই ব্যাপারে গবেষণা করে বেশ পজেটিভ ফলাফল পেয়েছে।

। তবে এটা সত্যি খুবই কাজের। আমার বাবা আগের থেকে এখন অনেক অয়য়য়নেক ভালো ফীল করেন। আমার এক চাচা আছেন উনার র্হাটে ৩টা ব্লক আছে, উনি এই ফর্মূলাটা ব্যবহার করে বেশ ভালো ফলাফল পেয়েছেন। আমার বড় ভাই এর শশুর আব্বা উনার ২বার র্হাট এটাক হইছে এবং উনার র্হাটে ৫টা ব্লক আছে, উনিও নাকি ফর্মূলাটা ব্যবহার করে বেশ বেশ ভালো আছেন এখন।

উনাদের ৩ জনের মিলিত মতামতে আমাদের পরিবারের ও তাদের পরিবারের সবাই একমত যে এই ফর্মূলাটা খুবই উপকারী র্হাটে রোগীদের জন্য। নিচে ফর্মূলাটা দেয়া হল। . লেবুর জুস (রস) -------------------- ১ কাপ আদার জুস (রস) -------------------- ১ কাপ রসুনের জুস (রস) ------------------- ১ কাপ আপেলের ভিনেগার ------------------- ১ কাপ এরপর এই চার কাপ রস হালকা আঁচে আধা ঘণ্টা জাল দেন যতক্ষণ না এই চার কাপ রস তিন কাপে পরিণত হয়। এরপর এটাকে ঠাণ্ডা হতে দিন। যখন একদম ঠাণ্ডা হয়ে যাবে তখন এতে ৩ কাপ প্রাকৃতিক মধু দিন এবং সংরক্ষণ করুণ।

এরপর প্রতিদিন সকালে নাস্তা খাবার আগে ১ টেবিল চামচ করে খেতে দিবেন। এভাবে ৩ মাস চলবে। ইনশাল্লাহ, যিনি ব্যাবহার করবেন উনি আল্লাহর রহমতে ভালো হয়ে যাবেন। । এখানে আমি একটা কথা উল্লেখ করিনি সেটা হল, সেই ভারতীয় ২ ছাত্র তারা জোরালো ভাবে দাবি করে বলেছে যে নিয়মিত ব্যাবহারে এতে নাকী র্হাটের ব্লক পর্যন্ত দূর হয়ে যাবে।

যেহেতু আমার আব্বু আরেকটা এনজিওগ্রাম করাতে রাজি হয়নি তাই সঠিক ভাবে বলতে পারছিনা উনার র্হাটের বর্তমান কন্ডিশন কী। আমি আব্বুর কাছে জানতে চেয়েছিলাম যে “আব্বু, আপনি যে আগের থেকে ভালো ফীল করতেছেন সেটা কী রকম ভালো?” উনি উত্তর দিলেন “আগে আমি সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গেলে বা নামাজ পড়তে গেলে বুকের মধ্যে খুবই চাপ অনুভব করতাম, এখন একদমই করিনা”। । একটি অনুরোধ, দয়া করে ফর্মূলাটা সবার মধ্য শেয়ার করুণ। এই লেখাটি কপিরাইট যোগ্য।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.