সেই প্রথম থেকেই নানা ভাবে, নানা ঢংযে, নানা কারনে এবং অকারনেও একই কথা শুনছি- দেখছি ও পড়ছি, টেলিভিশনে ও খবরের কাগজে, অন লাইন- অফ লাইনে- বাঁশের কেল্লা থেকে শুরু করে নানা রকম প্রযূক্তিগত চিল্লাচিল্লিতে- এবার যূক্ত হয়েছে চট্টগ্রামের স্ব-ঘোষিত ইসলামের হেফাজতকারীরা- সাথে সাথে আমার অন্তরাত্মা চিৎকার করে ওঠে তীব্র আক্রোশে- আমি কি মুসলিম নই? হিন্দু নই? নই খ্রীস্টান, বৌদ্ধ বা আর কোন বাংলাদেশী? তবে আমাকে ধর্মের নামে চোখ রাঙ্গায় কার সাহসে আর ইঙ্গিতে? সরকারী তরফে তাদের সমীহ দেখে- সরকারী মহল কর্তৃক তাদের আসলের তূলনার অস্বাভাবিক গুরুত্ব দিতে দেখে- আমি লজ্বায় চিৎকার করে বলি, বাপ্পাদিত্য ফিরে এসো! ফিরে এসো লাকি আখতার, চলে এসো বর্ষা- বাড়ী ফিরে যাও ইমরান, নাজমুল সবাই! বীর প্রসবা চট্টলাই এদের সফল ভাবে রুখবেই! অদৃশ্য ইঙ্গিতে এখন গুরুত্ববহ করে তোলা হচ্ছে মিডিয়াতে হেফাজতে ইসলামী নামের একটি সঙ্গঠনকে যার নাম কোন দিন আমি শুনি নি! যে উদ্দেশ্য প্রনোদিত গুরুত্বে এমন কি গনজাগরন মঞ্চও পিছু হটে আসে! আর আমরা মরে যাই অক্ষম লজ্বায়! ফেনী থেকে অদৃশ্য মহলের ক্রীড়নকের মতো আবার ঢাকায় ফিরে আসে ইমরান সরকার! হিংস্র শ্বাপদদের সাথে আলোচনা করতে মরিয়া হয়ে ওঠে আরেক শাহবাগ! এ শাহবাগ কে তো আমরা চিনিনি, দেখিনি, বুঝিনি! আমাদের বুকের ভেতরকার শাহবাগ রক্ত দিতে প্রস্তুত হয়ে বসে কাল গোনে পরিবর্তনের লড়াইয়ের, শ্বাস ফেলে প্রত্যাশায় ক্লান্ত হয়ে! নর্দমার দিগন্ত থেকে আদিগন্ত পাপে, ভিনদেশ থেকে বিশ্বাস হন্তার দেশে- ক্লক ওয়াইজ ব্লগ থেকে- আর রেল, গাড়ী, বাড়ী, ইত্যাদি চুর্ণ বিচুর্ণ ভাঙ্গনের শব্দ শুনি প্রত্যহই- মানুষ পোড়া লেলিহান আগুনে, নানা রকমের ভ্রূ ভঙ্গীতে- আর হরেক রকম মুখ ব্যাদানেঃ "ওহে শাহবাগ একটি ভ্রান্তি, চরিত্রহীনদের যুবক-যবতীর সঙ্গম মেলা! ওখানে ছেলেমেয়ারা সব বেলেল্লাপনা করে- ওহে ওখানে যেওনা হে! যেওনা হে! যেওনা হে! দিনে বক্তৃতা আর রাতে নেতাদের বাড়িতে গিয়ে টাকা নিয়ে আসে! ওখানে সুলভে ইয়াবা ও হিরোইন বিক্রী হয়- ওটা এখন টাকার বিনিময়ে নব্য দেহ পসারিনীদের উতসব! সাবধান,ওখানে যেওনা, তোমাদের পূত পবিত্র দেহ ও মন কলুষিত হবে!- ওটা প্রজন্ম নয়, প্রজনন চত্বর!" আমরা ধিক্কার দিই আর উন্মত্ত ক্রোধে নিস্ফল হাত কামড়াই- আহারে, কি আমাদের সাধের গণতন্ত্র আর মূক্ত সংবাদ মাধ্যম! মনে হয় এই সর্বৈব মিথ্যা অপ প্রচারকারী মিডিয়া গুলোকে- আমাদের সদাশয় সরকার যখন সাদা চামড়াদের কাছে কায়ক্লেশে- "মুক্ত মিডিয়া" ভাব মূর্তি ধরে রাখবার জন্যে কিছু বলছে না- না করছে এদের ব্যান্ড, না দিচ্ছে কোন শাস্তি- তখন আইন নিজেদের হাতে তুলে নি অসীম বিশ্বাস- আর অভ্রভেদী সাহস বুকে নিয়ে- সব কয়টা হারামীকে জ্যান্ত কবর দিই! সব কয়টা হায়েনাকে রক্তাভ তাঁতাল দিয়ে ঝালাই করি! সব কয়টা শয়তান কে চিরজীবনের জন্যে অভিশাপ দিই- তারা ধংস হোক, সমুলে বিনাশ বাংলার মানচিত্র থেকে! বৃহত্তর জনগোষ্ঠির স্তরে স্তরে গড়ে উঠুক মূক্তি মোর্চা- নিরন্তর সংগ্রামের জন্যে প্রস্তুত হতে থাকি আমি ও আমার সন্তান! আর সাথে চিনে রাখি তাদের- যারা এখনও ওদের জোগায় বিজ্ঞাপন অর্থ- ওদের সাহায্য করে- ক্ষমা নেই ক্ষমা নেই, ক্ষমা নেই্ এই সহযোগীদেরও!
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।