বেশ কিছুদিন ধরেই ফর্মহীনতায় ভুগছেন ওয়েইন রুনি। তার পরও এই ইংলিশ স্ট্রাইকারকে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন হোসে মরিনহো। রুনিকে চেলসিতে আনার জন্য একের পর এক কৌশলও খাটিয়ে যাচ্ছেন এই পর্তুগিজ কোচ। অনেকেই মনে করছেন এটা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচ ডেভিড ময়েসকে চাপে ফেলারই একটা কৌশল মাত্র। ময়েসও পাল্টা উত্তরে জানিয়েছিলেন, এই মনস্তাত্ত্বিক খেলা তিনি খুব একটা পাত্তা দিচ্ছেন না।
ময়েসের এই কথারও উত্তর এসেছে মরিনহোর কাছ থেকে। তবে অনেকটা অপ্রত্যাশিত উত্তর। নতুন করে কোনো খোঁচা না দিয়ে যেন অভিমানী হয়ে উঠেছেন স্পেশাল ওয়ান। আর কোনো কথা না বলাই এখন শ্রেয় মনে হচ্ছে তাঁর কাছে।
রুনিকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড শিবিরে।
আগামী মৌসুমে মূল একাদশে সুযোগ পাবেন কি না, তা নিয়ে এখনো সংশয় আছে। এভাবে চলতে থাকলে যে রুনির বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেওয়া কঠিন হয়ে যাবে, সেটাই মনে করিয়ে দিয়েছিলেন মরিনহো। ইঙ্গিতটা বেশ স্পষ্টই ছিল যে রুনির ম্যানইউ ছেড়ে চেলসিতে চলে আসা উচিত। তবে এটাকে কোনোভাবেই একটা মনস্তাত্ত্বিক খেলা বলতে রাজি নন মরিনহো। তাঁর দাবি, ময়েসকে নিয়ে কোনো সমালোচনামূলক কথা তিনি কখনোই বলেননি।
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মরিনহো বলেছেন, ‘আমি ময়েসকে খুবই ভালো কোচ বলেছিলাম। তিনি সাফল্যের দাবিদার। এভারটনে তিনি কোনো সাফল্য পাননি। কারণ সেখানে শিরোপা জেতা খুবই কঠিন। এরকম ভালো কিছু বলাটা যদি মনস্তাত্ত্বিক খেলা হয়, তাহলে খারাপ কিছু বললে সেটাকে কী বলবেন? কাজেই সবচেয়ে ভালো হচ্ছে কোনোকিছুই না বলা।
যদি আমি চুপই হয়ে যাই, তাহলে তো কেউই কোনোকিছু বলবে না। ’
দেখা যাক মরিনহো কত দিন চুপ হয়ে থাকতে পারেন। — টাইমস অব ইন্ডিয়া।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।