প্রশ্ন করেই যাব অবিরত
মুক্ত-মনার ব্লগার আবুল কাশেম সম্পর্কে রায়হানের চরম মিথ্যাচার দেখে আর থাকতে পারলাম না [এটাও দেখুন] ।
আপনারা সবাই আসেন এবং আবুল কাশেমের লেখাগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়েন ও নিজের মতামত জানান। মুক্ত-মনায় আবুল কাশেমের ব্লগ-
এখানে ।
তাঁর বেশ কিছু গবেষণাগ্রন্থ রয়েছে। আপনারা ফ্রি পড়তে পারেন।
সবগুলো বই পাবেন এখানে ।
কিছু বই পড়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ-
A Complete Guide to Allah
Who Authored the Quran?
তাঁর লেখাগুলো সম্পর্কে কোনো মন্তব্য, অভিমত থাকলে তাকে জানাতে পারেন। প্রয়োজনে আমাকে জানাতে পারেন, আমি তাঁর গোচরে আনার চেষ্টা করব।
রায়হানের একটি লেখার জবাব আমি দিয়েছিলাম অথচ সে এর কোনো জবাব দেওয়ার সাহস করে নি। লেখাটি পড়ে দেখতে পারেন-
সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব ও রায়হানের তিন যুক্তি
রায়হানের কাজই হল কুৎসা রটনা।
এছাড়া তার আর কোনো কাজই আছে বলে মনে হয় না। তার সাম্প্রতিক কিছু লেখা পড়লেই বুঝবেন। এক লেখা বারবার লিংক দিয়ে এড. দিচ্ছে, সবাই যে হাসছে তার কোনো খেয়াল নেই। একজন কোনো কিছু লেখলে উচিত হলো তার লেখার জবাব দেয়া। তা না করে তিনি এটাই সন্ধান করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন কে কোন নিক থেকে লেখল।
একেই বলে বিনোদন।
পৃথিবীর অনেক বড় বড় লেখক ছদ্মনামে লেখেছেন। অনেক বিখ্যাত লেখকের আসল নামটা পর্যন্ত আমরা অনেকেই জানি না। কেউ যদি ছদ্মনামে লেখে তবে তার এই ছদ্মনামটাও তার কাছে প্রিয় হয়ে পড়ে কারণ এটা তার পরিচয় বহন করে। মানুষের ইচ্ছেমত নাম পরিবর্তন করার অধিকার আছে।
আমি এক সময় খুব বিশ্বাসী মুসলমান ছিলাম, তাই কার লেখার দ্বারা ইসলামের কতটুকু ক্ষতি হচ্ছে তা বুঝি। আমি নিশ্চিত ইসলাম ধর্মের চরম ক্ষতি করেছে রায়হান তার কুযুক্তি সম্বলিত লেখাগুলো দিয়ে। আমি কিছু ধর্মবিশ্বাসীকে দেখেছি রায়হানের লেখা না পড়ার জন্য অনুরোধ করতে কারণ নাস্তিকদের লেখা পড়ে নয় বরং রায়হানের লেখা পড়েই ইমান হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। আমার মাঝে মাঝে সন্দেহ হয় রায়হান হয়ত কোনো চরম ইসলাম বিরোধির রিভার্স নিক।
তিনি তার লেখায় বলেছেন ‘আবুল কাশেম’ নাকি কারো আসল নাম হতে পারে না এটা ছদ্মনাম।
তিনি কি আবুল কাশেম ফজলুল হক নামক কারো নাম শুনেছেন? রায়হানের আসল নাম যে রায়হান তা আমরা কিভাবে নিশ্চিত হব বলুন? সে কি তার সার্টিফিকেট ব্লগে দিয়েছে? আবুল কাশেমের নাম বিকৃতির ঘটনাও দেখবেন সে ঘটিয়েছে। এরকম ইতরামি না করলেও সে পারত। অথচ তাকে বিকৃত নামে কেউ ডাকলেই যেভাবে চেইত্যা উঠে তাতে হাসি চেপে রাখা দায় হয়ে পড়ে। একজন কি লেখেছে সেটাই মুখ্য বিষয়। আমরা কখনো কে কোন নিকে লেখল তা নিয়ে মাথা ঘামাই না, এটা নিয়ে সেই মাথা ঘামাবে যার আর বলার কিছুই নেই অর্থাৎ পরাজিত হয়েছে।
পরিশেষে
মুক্তমনার ই-বইগুলো পড়ার অনুরোধ। আসিফ মহিউদ্দিন মুক্তচিন্তা সম্পর্কিত লেখাগুলোর একটি তালিকা করেছেন। দেখতে পারেন-
রসদঃ মুক্তচিন্তা, অবিশ্বাস, সন্দেহবাদীতা, যুক্তিবাদীতা এবং বিজ্ঞানবিষয়ক পোস্ট সংকলন।
সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।