সামুদ্রিক বিভ্রম
তোমাকে ডাকিনি তো এই আলোঅন্ধকারি নগরের আবিল জলসায়; কেন এলে তবে? কেন এলে নৈঋত হওয়ায়? এখানে রবি বাবু চর্চিত হন না। নাই বোদলেয়ারের মেঘরাশি, কুয়াশায় হিম হয়ে আসা কবিতার পংক্তিমালা কিম্বা প্রেমিকের উদ্যত ঠোঁটের ফনা। কেন এই যুথরাত্রির কোলে পদ্ম হয়ে ফুটে উঠলে... আলঙ্করিক।
আমাকে এবার ঘুমুতে দাও। শৈশব থেকে মৃত্যু অবধি বেঁচেইতো ছিলাম এ পাড়া ও পাড়া, হেঁটে হেঁটে, পায়ে হেঁটে; তোমাদের আঙিনা থেকে তাঁদের উঠোনে শুকানো মরিচের লাল আগুনে বেঁচে ছিলাম... এত বছর। এবার ঘুমাই শশ্মাণে হাঁড়ে করোটিতে দীঘল অমাবশ্যায়; হিম হয়ে আসো- অভাবের মতো সত্য হয়ে তুমিও চেতনার শুভ্রতা ঝেড়ে, এখানে, এই নাগরিক অভিমানে।
কে দিবে এবেলা চোলাই মদের সুঘ্রাণ? কত রাত ধরে তৃষ্ণার্ত ঠোঁট তাক করে আছি...। হে অধিকৃতা, চুম্বন নয়, ওষ্ঠ জুড়ে ঢেলে দাও ভাতের কঙ্কাল ... রসরাজি, মেঘদল পৃথিবীর শরীর উপচানো রোদে
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।