কাঙাল জানিয়া বাবা দিও দরিশন, অধম জানিয়া বাবা দিও দরিশন.....
শুধু একটি আওয়াজ। তা কি কোন দৈব আওয়াজ বুঝতে পারছিলাম না। কানের কাছে এসে অনেক অনেক দিন পর তার আওয়াজ শুনতে পেয়েছিলাম। তারপর কি জানি হয়ে গেল। ঘটে গেল অপ্রত্যাশিত অনেক কিছু বিশ্বাস হতে মন চায় না।
আমি এত নির্লজ্জ হতে পারবো। একটা মানূষের ঘৃণিত পাত্রে পরিণত হতে পারবো। তার ঘৃণার সব দায়ভার আমি মাথা পেতে নিব বা নিতে হবে, লজ্জায় মুখ লাল হয়ে যায় । মাথা উপড়ের দিকে তাকাতে পারিনা লজ্জা পাই।
কিন্তু একটুও ক্লান্তি আসেনি।
প্রকৃত প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম। দিবারাত্র চলছিল আমার নেটিং, চেটিং, প্রিভিউ এবং প্রকাশ। ভেবে পাই না এত শক্তি কোথাথেকে এলো,কিন্তু যার জন্যে এত কষ্ট তাকে খোঁজে পেয়ে নুতন করে প্রেম নিবেদন করে পড়তে হলো আরেক মহা ঝামেলায়, যাকে বলে ইমেজ মারাত্বক হুমকির সম্মুখিন হলো সবকিছু অপরাধ স্বিকার করার পরও প্রিয় মুখখানিকে আর জয় করা সম্ভব হলো না, নারী প্রকৃতই বড় কঠিন আবার কখনো খুবই নরম, আমার বাঁধ ভাঙ্গা প্রেম নিবেদন , যে এত কঠিন ঘৃণায় রুপান্তর হবে ভাবতে পারি নি।
এখন কেউ যদি আমাকে প্রশ্ন করে আপনি কেমন আছেন? উত্তরে আমি বলি একজনের ঘৃণা নিয়ে কোনভাবে বেঁচে আছি। আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।