mojnu@ymail.com
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ এবং ফেনীর সোনাগাজীর বর্ডারের চরইঞ্জিমান এলাকার ছোট ফেনী নদীতে ২০০১ সালের চাঞ্চল্যকর গণহত্যার ঘটনায় চারটি মামলার মধ্যে বিএনপি কর্মী নবী উল্যাহ হত্যা মামলায় ৫৪ আসামির সবাইকে মঙ্গলবার বেকসুর খালাস দিয়েছে চট্টগ্রামের দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক শফিকুল করিম। এরমধ্যে হাজারীর ষ্টিয়ারিং কমিটির সদস্য হিসাবে পরিচিত সরকারি মুজিব কলেজের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোমিন উল্যাহ চৌধুরী ও পলান উদ্দিন নাড়ুও রয়েছে।
জানাগেছে, ২০০১ সালের ১২ আগষ্ট কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটের বেগম খালেদা জিয়ার জনসভা থেকে ফেরার পথে চরইঞ্জিমান গ্রামে হাজারী বাহিনীর ক্যাডারদের ব্রাশ ফায়ারে ৮জন বিএনপি নেতাকর্মী খুন হয়। এরাহচ্ছে, নবী উল্যাহ (৪৫), শাহ আলম (২৪), ফারুক (৩০), ভুলুমিয়া (৩৫), নুরনবী (৩৮), তোতা মিয়া (২৫), নুরুল আলম (৩২) ও বামনীর আলমগীর (৪০)। এ ঘটনায় তখন মোট চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি কর্মী নবী উল্যাহ হত্যা মামলায় ওবায়দুল হক বাদি হয়ে ১১৬ জনের বিরুদ্ধে সোনাগাজী থানায় মামলা দায়ের করেন (জিআর-১০৮/০১)। মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই জাহাঙ্গীর আলম ৫৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। পরে ২০০৫ সালের ৩০ জুলাই এ মামলাটিসহ (নং-১৮/০৫) চারটি মামলাই চাঞ্চল্যকর হিসাবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরীত হয়।
মামলায় দীর্ঘ শুনানী শেষে মঙ্গলবার বিচারক শফিকুল করিম ৫৪জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেন। মামলা অপর দুই আসামি ওবায়দুলহক মেম্বার ও আবদুল মালেক মাঝি মামলা চলাকালীন সময়ে মারা গেছে।
আসামি পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন, এ্যাডভোকেট মশিউর রহমান ভুইয়া ও বাবু ভোলন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি ছিলেন পিপি এ্যাডভোকেট মোঃ আইয়ুব খান।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।