[অন্যর দোষ না খুঁজে আগে যদি সবাই নজের দোষটা খুঁজত তাহলে বোধহয় সব সমস্যার সমাধান হয়ে যেত]............... [পথের শেষ নেই, আমার শেষ আছে, তাইত দ্বন্দ্ব] http://mamunma.blogspot.com/
গরমের ডিজিটাল কাহিনী পুরোনো হয়ে যাচ্ছে, পাইলট পর্যায় থেকে রিয়েলিস্টিক ইতিহাসে প্রবেশ করার মতো পর্যাপ্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা দ্বারা বিদ্যুৎ এর থাকা ( মানে ১) আর না থাকা ( মানে ০) কে বাইনারী ডিজিট ( ডিজাটালের মূল মন্ত্র এই অন অফ বা ১ আর ০) এর মাধ্যমে প্রকাশ যে সম্ভব তা এখন কেবল মাত্র ম্যাথামেটিক্যাল কোন জার্নালেই প্রকাশের অপেক্ষায় আছে। তবে জার্নাল লাগেনা এই বঙ্গদেশে সবসময়, এ দেশে নিজেই এক বৃহৎ জার্নাল , মাঝে মাঝে মনে হয় এখানে শক্তির অবিনাশীতা ও মুখ থুবড়ে পড়ে যায়।
এই রাত চারটেয় মশার অবিচ্ছিন্ন আর নিরলস চুমু খেতে খেতে গায়ের ডিজিটাল উত্তাপ যখন রক্ত হয়ে মশক উদর হয়ে ভূলুণ্ঠিত হবার যোগার তখন হঠাৎ ঘুম দেবের মায়া হয়, আর জাগিয়ে দেয়-খেয়াল হয় মশারি টানানোর ডিজিটাল রুলস এর প্রতি। এতক্ষণ বেঘোরে ঘুমাচ্ছিলাম মশারির স্টেট ছিল ০ মানে টানানো হয় নি এখন টানিয়েছি মানে স্টেট ১।
তাইলে ১ টা হতে ৪ টা মানে তিন ঘন্টা ০ হলে ০০০ আর এখন ৪ টা হতে সকাল ৭টা পর্যন্ত আবার তিন ঘন্টা ১ মানে ১১১।
তাইলে আজকে আমার মশারির ডিজিটাল স্টেট হবে সম্ভবত ০০০১১১। অথবা আরেকটু বেড়ে ০০০১১১১ বড়জোড়।
বিদ্যুত ইঞ্জিনিয়ার ( যদিও দূরবর্তী আলাপ সালাপের ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্ম করায় বিদ্যুৎজনিত অনেক কিছুই মাথা হতে উধাও আজ) হিসেবে বুঝি মশারির মত বিদ্যুৎ যাওয়া আসা অত সহজে ডিজিটাইজড কা যাবে না। কখনও ০০০১১০০১০০১০১০১... এমন অব¯তাও তো হচ্ছে। তবে নিখুত হিসাবের জন্য কোয়ান্টাইচড , কমপেন্ডিং, পিাসিএম এসব থিউরী প্রয়োগে আরও সাবলিল সম্ভব।
তবে দরকার নেই ...কারন তাতে আক্রোশ কমবে না কারও বরং বারবেই , বারবেই বা না কেনো একাকী বিছানায় ঘুমাই তাও দরজা জানালা সব আজকাল প্রায় খুলেই কিন্তু বিদ্যুৎ ০ স্টেটে রাতে বারংবারই যখন যেতে থাকে গায়ের ঘাম গুলো শরীর জুড়ে জোয়ার ভাটা বইয়ে দেয় আর ভাবি বিবাহিত নরনারী গুলোর না জানি কি ত্রাহী অবস্থা মনের এবং আক্রোশের।
সেই আক্রোশকে আমরা খুব নিচে নামিয়ে আজ এই সভ্য দ্বাবিংশ যুগে সভ্যতার জয়গাণ গাইছি কারন বাঘ Íা আক্রোশ দুইই নজর আড়াল বা খাঁচায় বন্দী রাখা ভালো যেমন ঐ কৌতূকটির মত..
একলোক রাস্তা দিয়ে হাঁটছে ( ফুটপাতের ধারে) হঠাৎ তার কানে এলো, “এই বাঘের খাঁচা কুড়ি টাকা , বাঘের খাঁচা কুড়ি টাকা,...” লোকটা অবাক- বাঘের খাঁচা মাত্র কুড়ি টাকা! দৌড়ে গেলো শব্দের উতসের দিকে। গিয়ে দেখে আন্ডার প্যান্ট বিক্রি হচ্ছে কুড়ি টাকায়।
আন্ডার প্যান্ট দিয়ে সেই বাঘ মানে !!!!!! ঢেকে রাখতে টাকা লাগলেও সহ্য নামক খাঁচার জন্য টাকা লাগে না, আর তাই আক্রোশ আর ক্রোধ লুকিয়ে রাখতে পারি আমরা সাধারণ মানুষ চিরকাল। আমাদের সহ্যসীমার ডিজিটাল রূপ সম্ভবত ১১১১১১১১১১১১১১১১১১১১১১১১১১০১১০১০০০১১১১১১১১০১১১১০০১১১১১...[ ১ মানে সহ্য করে নিচ্ছি, ০ মানে প্রতিবাদী হয়ে উঠছি]
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।