I am what I am and that's how I would be. No I am not stubborn. I just want to be myself.
চিটাগাং এ তুংফং নামে এক চাইনীজ রেস্টোরান্ট ছিল। আমার স্মৃতিতে যতটুকু মনে পড়ে, মোটামুটি প্রতিমাসেই একবার করে আমরা সেখানে চাইনীজ খেতে যেতাম। সাজুগুজু করে, তিন-চারটা রিকশায় চড়ে, বর্ধিত পরিবার সহ রীতিমত এলাহী ব্যাপার-সেপার হয়ে যেত।
আমি তখন অনেক ছোট,খালাত ভাইরা মাথায় করে রাখতো আমাকে, রিকশায় যেতে যেতে তারা আমাকে কোনও একটা প্রচলিত গান ধরিয়ে দিলেই হলো, আমি সারাটা রাস্তা চিৎকার গাইতে গাইতে যেতাম। অনেক মধুর সেই স্মৃতি।
আজকে সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ মেয়েকে বললাম "চলো, ঘুরে আসি। " মেয়ে তো আহ্লাদে আটখানা। "কিন্তু আম্মু গাড়ী তো নাই!" ড্রাইভার না থাকায় বহুদিন যাবৎ আমরা গাড়ী-সেবা থেকে বঞ্চিত। "তাতে কী, রিকশায় যাবো!" খুশীতে মেয়ের মুখ ঝলমল করে উঠলো। রিকশায় ঘুরা তার খুবইপছন্দ।
"চলো আম্মু কেএফসি তে যাই, প্লীজ!!" ভাবলাম, যাঈ, ছোটমেয়ে খাওয়া নিয়ে বিশেষ যন্ত্রণা দিচ্ছে অসুখে পড়ার পর থেকেই। কেএফসি-র খাওয়ায় যদি তার রুচি ফেরে, মন্দ কী!
বেরিয়ে পড়লাম। তখন অফিস ছুটির যানজট। বেশ সময় লাগলো যেতে। ফেরার পথে রাস্তা একেবারেই খালি।
বড়মেয়ে কে বললাম "চলো মা গান গাই"। দ্বিতীয়বার কি আর সাধা লাগে? তার স্টকে যত গান আছে, একের পর এক সে গেয়েই যাচ্ছে, আর আমার চোখে ভেসে উঠছে সেই ছেলেবেলার স্মৃতি, ওর মত বয়সে আমি রিকশায় বসে চিৎকার করে গান গাইছি...
আচ্ছা, মা-কি মেয়ের মাঝে পুনর্জন্ম পায়?
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।