যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবী করছি
বাংলাদেশে নির্বাচন আসছে। নির্বাচন মানেই একটা বিরাট উৎসব। উৎসবে গ্রামের একজন সাধারন মানুষের প্রায় একমাস চা খাওয়া থেকে শহরের গন্যিমান্যি ব্যক্তিদের টু পাইসের বিষয়টা জড়িত।
দেখলাম দু্ই দলই তাদের মনোনয়ন প্রায় শেষ করে এনেছে। মনোনয়োনের প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতে আরপিওতে একটা ধারা যুক্ত হয়েছে।
আওয়ামীলীগ সেই ধারাকে কিছুটা অনুসরন করার চেষ্টা করলেও মাহমুদুর রহমান মান্না, আখতারুজ্জামান আর সুলতান মুনসুরের মতো রাজনীতিবিদদের না সুযোগ দিয়ে দলীয় প্রধানের স্বৈরতান্ত্রিক প্রভাব বজায় রেখেছে তবে আওয়ামীলীগ জয়নাল হাজারী, মুন্সীগঞ্জের মহিউদ্দিন, ওবায়েদুল কাদের, শামীম ওসমান বা মোহাম্মদ নাসিমকে মনোনয়ন না দিয়ে একটা ভাল উদাহরন সৃস্টি করছে। আর বিএনপি ধারাকে কোন আমলে না নিয়ে কেন্দ্রীয় নিয়ণ্ত্রনেই নমিনেশন দিয়েছে। যার অর্থ হলো - একটা ভাল উদ্যেগের প্রতি চরম অনীহার প্রকাশ।
আর তালিকা দেখে বেশ মজা লাগলো। সব জোটেই সমানভাবে ৯০ এর পতিত লোকগুলোকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।
একদিকে আওয়ামীলীগের এরশাদের সাথে জোট করা আর অন্যদিকে বিএনপিতে শাহ মোয়াজ্জম হোসেন, আবুল হাসনাত, মওদুদ আহমেদ আর তাজুল ইসলাম চৌধুরীকে নিজেদের করেই পূর্নবাসিত করলো।
যাই হোক - জনগনের উপর আস্থা রেখে মনোনয়ন নিয়ে বেশী কথা না বলাই ভাল মনে করছি। জনগনই নির্ধারন করবে আসলে কে যোগ্য আর কেই বা অযোগ্য।
কিন্তু যে কথাটা না বললেই নয়। নির্বাচন আসলেই দেখা যায় একদল শীতের পাখীর মতো পর্যবেক্ষক চলে আসে।
এরা করার? বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে এদের এতো মাথা ব্যথা কেন? পৃথিবীর অনেক দেশ আছে যেখানে কখনও নির্বাচন হয় না বা জনগন ভোটের সুযোগ পায় না - সেখানে এরা যায় না কেন?
কারন এই টাউটের দল সব সময় ঘাপটি মেরে বসে থাকে তৃতীয় বিশ্বে কোথায় কি হয় আর তাদের দেশের সরকারের কাছ থেকে একটা বড় অংকের অর্থ নিয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষেন যায়। এদের কাজকর্ম অধিকাংশ সময় বাংলাদেশের আইন কানুনের বাইরে চলে যায়। তারপরও সাদা বলে কথা - সবাই চুপ মেরে বসে থাকে। আমাদের নেত্রীদের দেখি সেঁজেগুজে ওদের সাথে হাস্যমুখে আলোচনা করে।
এরা মুলত তাদের দেশের ক্ষমতাশীন রাজনৈতিক দলের সমর্থক।
দলীয় সমর্থকদের জন্যে এরা সব সময়ই রাষ্ট্রের অর্থ দিয়ে কিছু কর্মসংস্থান করে থাকে। সেই সুবাদে এরা জ্ঞানী লোক হয়ে বাংলাদেশ বা কঙ্গোর মতো দেশে গিয়ে বিলাসী হোটেলে রাত উপভোগ করে আর নির্বোধ টিভি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেয়।
তাদের কোন অধিকারই নেই বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয় - যেমন নির্বাচন নিয়ে কথা বলার বা পরামর্শ দেওয়ার। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নীতিহীন আদর্শহীন রাজনীতির কারনে শর্টকার্টে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্যে যে জোটবদ্ধ হয়ে অংক কষার প্রক্রিয়া চলছে - তাতে তাদের মুরত জনগনকে ইতিবাচক কোন বিকল্প দিতে ব্যর্থ। তাই চলছে নেতীবাচক রাজনীতির খেলা।
৭১ আর ৯০ এর আবর্জনাও এখন উচ্চমূল্য বিক্রি হয় এই দেউলিয়া রাজনীতির বাজারে।
অন্যদিকে ৮০ টা সাদা গাধা চড়ে বেড়ায় দেশময় - উচ্চস্বরে চেঁচায় আর আমরা ভাবি কি দারুন কথাই না বললো বোধ হয়!
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।