সাব্বির ভাইয়ের জন্য আরো দশ লাখ টাকা দরকার। মানবতার দিকে তাকিয়ে আছি।
আমাদের চার বোনের ছোটবেলা বড়বেলার ইতং বিতং খেলা
১। এইটা একটু অ্যাডাল্ট । বিয়ে বিয়ে খেলা।
বিয়ের অনুষ্ঠানের পুরা রেসিপি প্রথম থেকে ফলো করা। একজন ঘটক মেয়ে দেখতে আসবে, মেয়ে পছন্দ হলে বিয়ে হবে, কনে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার সময় মাকে ধরে অট্টকান্না কাঁদবে, বাবা মাকে হুপুস করে সালাম করবে, এই পুরা মেথডলজি ফলো করে মেয়েকে গাড়িতে তুলে দিয়ে শেষ হত। বলা বাহুল্য, আপা থাকত মেয়ের মার ভূমিকায়, আমি বর, ছোটবোন কনে আর একেবারে ছোটটা কনের সখি বা ছোটবোন। ঘটক হওয়ার জন্য আমি বা জুলি মানে একেবারে পিচ্চিটা প্রক্সি দিতাম। ফিরিজ টেলিভিশন নিয়া কনের মায়ের সাথে মুলামুলি করতে কি যে বালা লাগত ।
কনে বিদায়ের সময় মা মেয়ের কান্না আকাশ বাতাস ভারি করে না তোলা পর্যন্ত শট ওকে হতোনা
২। এইটা ঠিক খেলা না, বান্দ্রামি। হাকুইল্লা মানে বিনা দাওয়াতে বিয়া খাইতে যাওয়া । বোনরা মিলে সেজেগুজে অপরিচিত যে কারো বিয়েতে যাইতাম স্রেফ বান্দরামির জন্য। রোজ শুক্রবার সিলেটের সব কম্যুনিটি সেন্টার সরগরম থাকে।
যেকোন একটাতে ঢুইকা গেলেই হইলো। একবার ধরা খাইছিলাম । সে এক লম্বা ইতিহাস। পরে কমুনে।
৩।
এইটার নাম চিকামারা খেলা । বোনদের মধ্যে মতবিরোধ হইলে অন্য সবডি মিল্লা পোস্টার লিখতাম যে দলচ্যুত হইছে তার বিরুদ্ধে। সাদা কাগজে দুনিয়ার উদ্ভট ছবি, কোবতে আর কার্টুন আঁইকা একেবারে দফারফা। কয়েক কপি বানানো হইত, এরপর বাসার বিভিন্ন জায়গায় লটকাইয়া রাখা হইত যতক্ষণ না বেচারির প্রেস্টিজের ফালুদা হইতেছে।
আর মনে হইতেছেনা ।
মনে পড়লে আপডেট দিমু।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।