আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

মেয়েদের সাথে কথা বলতে ইচ্ছুক:

"ব্লগকে সিরিয়াসলি নেবার কিছু নেই"...গরীব স্ক্রীপ্ট রাইটার

মেয়েদের সাথে কথা বলতে ইচ্ছুক: শাহরিয়ার মাসুদ (বান্টি) ফোন: ............. ঠিকানা: ............... এই বিজ্ঞাপনটি ছিল রহস্য পত্রিকায়। প্রায়ই থাকতো। আমরা তখন ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়তাম। আমি আর পিটু (বান্ধবী) দেখতে দেখতে খুব কৌতুহলি হয়ে উঠেছিলাম। কে এই বান্টি? তার জন্য কি আমরা কিছু করতে পারি না? সে কি এভাবে এ্যাড দিয়ে দিয়েই নিজেকে শেষ করে দিবে?... না আমরা বেচে থাকতে এ হতে দিতে পারি না।

তাই দিয়ে দিলাম একটি চিঠি। বান্টিকে চিঠি লিখবো যেভাবে সেভাবে তো লেখা যায় না, তাই কিনে ফেললাম একগাদা বিভিন্ন ধরনের পেন। লিখলাম-- প্রিয় বান্টি, কেমন আছিস? কিরে আজকাল পত্রিকা খুললেই তোর কাকুতি মিনতি দেখি তাই ভাবলাম তোকে একটা চিঠি দিই। তা এখন বল তোর এই বান্টি নামটা নিয়ে তোর লজ্জা হয় না?! এমন নিলর্জ্জের মত পত্রিকায় দিস। জানিস বান্টি আমার কুকুরের নাম।

আচ্ছা তোর আচরণ কি কুকুরের মত নাকি তোর পূর্বপুরুষ কুকুর ছিল। আমাকে দ্যাখ, আমার নাম তন্বী। আমি দেখতে যেমন সুন্দরী, ছাত্রীও তেমন ভাল। এই পড়ার পর যদি তোর লজ্জা না থাকে আমাকে ফোন করিস। আমার ফোন নং:..........।

বি.দ্র.: এটা কয়েকবছর আগের চিঠি তাই হুবুহু মনে নেই। আর তন্বী আমাদের সাথে ব্যাচে পড়তো একটা চরম ফাজিল মেয়ে। চিঠির ডিজাইন: পৃষ্ঠার মাঝখানে একটা কুকুরের ছবি আবছা করে প্রিন্ট করে আমার অতি সৌন্দর্যমন্ডিত হাতের লেখা আর চিঠির পেছনে পিটুর হাতের আকা রংবেরঙের কিছু জুতার ছবি। এরপর বান্টি চিঠি পেয়ে তন্বীকে ফোন করে বিশাল ঝাড়ি দিল। তন্বী আমাদের কাছে তার খুবসুরতী দেখে কত মানুষ মুগ্ধ হয় এ নিয়ে লেকচার দেয়ার সময় বলল, কোনখানকার হাবাজাবা বান্টি আমাকে ফোন করে কথা শোনায়! মনে হয় আমার কাছে পাত্তা পায় নি তাই এধরনের হ্যাংলামি করছিল।

আমরা বললাম, আমাদেরও তাই মনে হয়। বলে কেটে পড়লাম কারণ আমাদের হাসি থামানো মুশকিল হয়ে পড়েছিল।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।