আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সংষ্কারবাদীরা এতদিনে কোথায় ছিলেন?

নিজেকে নিয়ে কিছু একটা লেখার চেষ্টা, এখোনো করে যাচ্ছি . . .

সবাই একমত হবেন যে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গণে বেশ কয়েকদিন যাবৎ সর্বাধিক আলোচিত যে শব্দটি উচ্চারিত হচ্ছে তা হল “সংষ্কার”। বর্তমানে “সংষ্কার” শব্দটি উচ্চারণ করতে করতে আমাদের অবশিষ্ট বিশিষ্ট নেতারা মুখে ফেনা তুলছেন আবার সেই ফেনা মুখে না রেখতে পেরে থুথুও ফেলছেন। দফ-রফা করবার জন্য প্রস্তাব-খসড়া প্রকাশ করছেন। যা করছেন তা কি সবই নিজ দলের জন্যই কিংবা দল থেকেই করছেন ? না অন্য কোন চাপ আছে, যে চাপ সহ্য করতে না পরে কোমরে গামছা বেধে মাঠে নেমে পড়েছেন। চাপ থাকুক আর নাই থাকুক যে সংষ্কার কাজটি করছেন তা যদি লোক দেখান বাদ দিয়ে বাকী যে কোন মহৎ উদ্দেশ্যকে সাধুবাদ জানাই।

“কিন্তু” শব্দটি এখানে ব্যবহার করতামনা, কিন্তু করছি,কারণ “কিন্তু” শব্দটি ব্যবহার করার সুযোগ বর্তমান সংষ্কারপন্থিরাই করে দিয়েছেন, আজ যারা সংষ্কারের প্রশ্ন তুলে তাদের কেন্দ্রিয় নেতৃত্ব থেকে নেতৃত্বের অধিকার কিংবা ক্ষমতা খর্ব করার পক্ষে রায় দিচ্ছেন, খুব বেশী দিন তো নয়, তারাই তো তার নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন করার ধাপে একধাপ এগিয়েই ছিলেন। দেশকে গোল্লায় ঠেলে দিয়ে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করার লক্ষ্যে সবকিছুকে মাথা পেতে নিয়ে হাতে হাত মিলিয়েছিলেন, একই সুরে সুর তুলেছিলেন। আবার ঠিকই তার উল্টো সুরে “সংষ্কার” প্রস্তাব তুলছেন, এ সুর যে বড় বেসুরা মনে হয়। হয়ত পরিস্থিতি আজ এ অবস্থানে নিয়ে এসেছে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোকে, নয়তবা ঠিক আগেরই মত সব ভন্ডামীগুলো থেকেই যেত। একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে আমি বর্তমান পরিস্থিতি, বর্তমান সময়কে সাধুবাদ জানাই, কারণ একটাই, তা হল আমাদেরকে খুব পরিচিত মানুষগুলির আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রকৃত মুখগুলি সময় আমাদেরকে চিনিয়ে দিয়েছে।

এদেরকে না চিনে থাকলে চিনে নিন, সময়টা বোধ হয় অনুকূলেই।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।