অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা
তরমুজ আন খামু - দু'বলার চরে দুপুর বেলা
আমরা নদীর মধ্যে নৌকা ভাসাইলাম ছইয়ে ছাইয়ের গাদা
আমাদের ভেতরে মেঘ উড়িতেছিলো কিঞ্চিৎ কালো কিঞ্চিৎ সাদা
হঠাৎ মাম ুজি বলল চলেন মাল খাই
সবারই তিয়াস লাগছে আমি বললাম তরমুজ চাই
বাইরে বাতাস বয় উড়ে যায় ছাই
আউলা বাউলা ছন্দে কবিতা লিখে যাই
মামুজি চালাক মানুষ হাতে ঘটি নিয়ে
তড়িঘড়ি ঝোপের আড়ালে করে দিলেন ইয়ে
ঘটি ফাইট্যা ঘটনা দিগবিদিকে রটে
মামুর ব্যাটা হারান মাঝি রসিক মানুষ ব'টে
ফিকফিকিয় হাসে ছেলে ফোকলা দাঁতের বুড়ো
মামুর ইয়ে ইয়ে নয়তো শোল মাছের মুড়ো
আমরা সবাই ছাই মেখে মাছ ধরি যেনো ফসকে না যায়
লটপটিয়ে উঠলো পুটি মাছ আর দুবলার চরে
দুপুর বেলা তক্ষকে মারে ঢেলা,
মামুর বিটা বলল পিছন ফিরে দেখবি নাকো জলদি পা চালা।
ওয়েলকাম কিন্তু বুঝলাম না রিকশা আসতে চললে কি লাভ হইতো, সেই ছাই ফেলতে ভাঙাকুলোই সম্বল যখন তখন বামুনের চাঁদছোঁয়ার আকাংক্ষার বাড়াভাতে ছাই।
--------------------------------------
শো মিট -মাংশাসি দিনের গল্প
খাসি বলতে চারপেয়ে যে আকৃতি আমাদের দৃষ্টিসীমায় চলে আসে,তেমন দৃশ্য দেখেছিলাম কূচবিহারে যেনো অপূর্ব কূচ যুগল খুলে দেবি স্লানার্থে নেবেছেন কাবেরি নদীতে ছলচ্ছল জল, তাতে ছায়া ভাঙে,বিমূর্ততায় কখনও দুটো হাত ভেঙে চুড়ে পায়ের আকৃতি পায় তাই বলে দেবি চতুষ্পদিধারনাটার জন্ম হয় মনে, কিন্তু সত্যনির্নয়ে অক্ষম আমরা আপাত রহস্যময় জীবনের ফাঁকেফোঁকড়ে অনিবার্য সূর্যোদয় এবং ততধিককাল গ্রহনের পর সুস্বাদু কাবাব হয়ে আবার খাসিটাই সামনে চলে আসে, আসলে খাসি বলতে যেই দৃশ্যটা সামনে আসে কাবাবের সাথে তার কোনো সাযুজ্য নেই, অথচ দুজনেই পৃথিবীর জলহাওয়ার মৌতাতে আমাদের ঘ্রানেন্দ্রিয়কে ক্ষনিক বিভ্রমে রাখে, সত্য জানা হয় না আমাদের
একগ্লাস বীয়ারে সাথে কাবাবের মৌতাতে কেটে যায় আমাদের মাংশাসি দিন গুলো।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।