আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

২৫৮৭ মিনিট আর ২৫৮৮ মিনিটের মাঝখানেই adi , arabianhorse আর Macbook Pro 13 এর রহস্য : সালাহউদ্দিন কাদেরের ফাঁস হওয়া রায় প্রসঙ্গ

একটা গাড়ী খুজছি , ব্যাক টু দ্য ফিউচারে যাওয়ার গাড়ীটা খুজছি / তথ্যের অংক , যুক্তির জ্যামিতি
যেই যুক্তিটা দেখানো হইসে সেটা খুব একটা শক্ত কোন যুক্তি না। কারন ফাইলটা আমিও ডাউনলোড করসি। তো প্রপার্টিস যেভাবে চেক করবেন - ফাইলটা ওপেন করুন। হোমের পাশে মাইক্রোসফট অফিসের যে গোল বাটন দেখেন সেখানে কার্সর নিন কিংবা লেফট ক্লিক করুন। মেন্যু উইন্ডো ড্রপ ডাউন হবে।

এরপর 'Prepare' অপশনে ক্লিক করুন। ফাইল টেক্সট উইন্ডোর উপরে আর টুলসবারের নীচে যেই কাচা হ্লদেটে মার্জিনটা দেখছেন , সেখানে একেবারে বামে 'Document Property' দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন। Advanced Properties ড্রপ ডাউন হবে। সেখানে ক্লিক করুন।

প্রপার্টিজ উইন্ডো পপ আপ হবে। সামারি আর স্ট্যাটিস্টিক্স এই দুটোই মেইন সেকশন। এবার আসুন আসল কথায়। [১] ডাউন লোড করে সেটার প্রপার্টিস এ যায়া সামারী সেকশনে অথোর আর কোম্পানি ব্ল্যাংকে আমার নিজের মত দাসত্ব আর সামহোয়ারইন লিখে সেভ করসি। এটা কোন ব্যাপার না।

যারা জাস্টিস কন্সার্নে কিংবা ট্রাইব্যুনাল লীক্সে এটা আপলোড করসে , তারা আপলোড করার আগে প্রপারটিস এ যায়া adi , এইসব নাম অথোর আর কোম্পানি ব্ল্যাংকে সেভ করসে। ব্যাপারটা এতটুকুই। আমি যেটা সেইভ করসি সেটা যদি আমি কোথাও আপলোড করি , তারপর কেউ সেখান থেকে কেউ ডাউনলোড করে নেয় , সেই ডাউনলোডার ব্যক্তি সেই ফাইলটার প্রপার্টিস এ যায়া অথোর আর কোম্পানি ব্ল্যাংকে বাই টার্ন দাসত্ব আর সামহয়্যারইন দেখতে পাবে। এটা কোন বিষয়ই না যেটা নিয়ে 'ইউরেকা' চেচানো যেতে পারে। [২] স্ক্রিনশটে দেখলাম এডিটিং টাইম ২৫৮৮ মিনিট।

বিডিটুডে থেকে যেই ব্লগটা শেয়ার করা হইসিলো , মুলত এটাই প্রাইম সোর্স ফেসবুকে রায় ফাঁস হওয়ার , সেটা আমি সেইভ করে রাখসিলাম। সেখানে দেখলাম বলা আছে এডিটিং টাইম ২৫৮৭ মিনিট। লাস্ট সেভড বাই হিসাবে 'ম্যাক বুক প্রো' হিসাবে যেটা পাওয়া যায় তার সাথে এই অতিরিক্ত ১ মিনিট এডিট হওয়ার যোগাযোগ পাওয়া যায়। অরিজিনালি যখন লিক হইসে তখন এডিট হইসে ২৫৮৭ মিনিট। এরপর বেলজিয়াম ওয়ালা কিংবা জাস্টিস কনসার্নওয়ালারা যখন আপলোড করসে আরো ১ মিনিট তারা এডিট করসে।

সে সময় তারা যে ল্যাপটপটা ব্যাবহার করসে সেটার অ্যাডমিন নেম ছিলো 'macbook pro-13' এবং সামারি সেকশনে তারা অথোর এবং কোম্পানি হিসাবে adi এবং এডিট করসে। যদি বিশ্বাস না হয় তো - আপনি মেইন ফাইলটার শেষে 'The End' লিখুন কিংবা অন্যকিছু এডিট করুন , কন্ট্রোল এস চাপুন। তারপর প্রপার্টিজ এ গিয়ে স্ট্যাটিস্টিক্স চেক করুন। লাস্ট সেভড বাই হিসাবে আপনার ল্যাপ্টপের কিংবা ডেস্কটপের অ্যাডমিন নেম চলে আসবে। তার মানে কালকে যেটা দেখসি মূল শেয়ারিং এ ২৫৮৭ মিনিট এডিটিং টাইম আর আজকে যেই স্ক্রিন শটে দেখলাম ২৫৮৮ মিনিট - সেখানেই এই adi , এবং macbook pro-13 এর ব্যাপারটা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।

আমি নিজে যেটা এডিট করসি সেখানে এখন লাস্ট সেভড বাই হিসাবে আমার ল্যাপ্টপের অ্যাডমিন নেম দেখাচ্ছে প্রপার্টিজের স্ট্যাটিস্টিক্স সেকশনে। সেখানে এখন এডিটিং টাইম দেখাচ্ছে ২৫৯১ মিনিট। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আর সামারিতে অথোর আর কোম্পানি হিসাবে Dasotto আর Somewhereingblog তো আগেই সেইভ করসি। কালকেরটায় ২৫৮৭ মিনিট এডিটিং টাইম আর আজকের ইউরেকা স্ক্রিন শটে ২৫৮৮ মিনিট এডীটিং টাইমেই বোঝা যায় - কালকে অরিজিনালি যেটা ফাঁস হইসিলো , সেটা বেলজিয়ামে কিংবা জাস্টিস কনসার্নে আপলোড করার আগে তারা তাদের ডাউনলোড করা ফাইলটাতে ১ মিনিটের মত এডিটিং করসিলো।

এই হচ্ছে সেই ইউরেকা ইউরেকা'র পাল্টা ইউরেকা। সুতরাং - অথোর নেম adi কেন ? কোম্পানি নেম - কেন ? লাস্ট সেভড বাই 'Macbook Pro-13' কেন ? - এই প্রশ্নগুলো দিয়ে কোনভাবেই এই রায়টা যে নন-ট্রাইব্যুনাল সোর্স থেকে ফাঁস হইসে সেটা ধামাচাপা দেয়া যায়না। কারন উত্তর অলরেডি দিয়ে দিসি উপরে। বরং - কিভাবে এত অবিকল ভাবে সব মিলে গেলো এটাই সবচেয়ে বড় স্ক্যান্ডাল। কোন উত্তর নেই।

এই রায় ট্রাইব্যুনালের না , এটা নন-ট্রাইব্যুনাল সোর্স থেকে ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চে পাঠানো ফরমায়েশি রায়। আপনি পরীক্ষায় বোর্ড স্ট্যান্ড করলেন। চারদিকে অভিনন্দন আর অভিনন্দন। হঠাত জানা গেলো - আপনি ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। ব্যাপারটা কেমন হল ? এর চেয়ে ৮৫০ নাম্বার আর ৬ টা লেটার নিয়ে পাশ করাই কি ভালো ছিলো না ? সেটাই বলসিলাম।

এই দেশে সব সাক্ষী সাবুদ থাকার পরও ৩ মাস আগের / ৬ মাস আগের চাঞ্চল্যকর খুনের মামলা গায়েব হয়ে যায়। তদন্ত করে কোন কূলকিনারা করা যায়না। সাগর রুনির মামলাটাই একটা জলজ্যান্ত উদাহরন। সেখানে ৪২ বছর আগের অপরাধগুলো প্রমাণ করা এত সহজ না। মোটেই সহজ না।

আপনি যতই নিশ্চিত হন না কেন যে এই লোক অপরাধি। শাস্তি দিতে হলে অপরাধ প্রমাণ করে দিতে হবে। ধর তক্তা মার পেরেক সিস্টেমে শাস্তি দিতে গেলে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের বোর্ড স্ট্যান্ডের অবস্থা হবে। প্রথমে স্কাইপি কেলেংকারি এরপর সুখরঞ্জন বালি কেলেংকারি এরপর প্রসিকিঊশনের সাক্ষী ডিফেন্সের হয়ে সাক্ষী দেয়ার মত মুখে চুনকালি মাখানো লজ্জা। এরপর রায় ফাঁস আর কত ? বোর্ড স্ট্যান্ড করার জন্য ক্রেজি হয়ে প্রশ্ন ফাঁস জালিয়াতি করে সারা রাষ্ট্র চোর হয়ে কি কোন লাভ আছে ? তার চাইতে ভোটার রাইট আর ইলেকশন ক্যান্ডিডেসি রাইট বাতিল করে যাবজ্জীবন দিয়ে ব্যাপারটা মীমাংসা করা যেতোনা ?
 


সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।