আমার আগের নিক হ্যাক হয়েছে কিনতু দ্বাবি একটাই যুদ্ধাপরাধীদের ফাসি চাই। ___________________ @সুলতান মির্জা লেখার শুরুতেই বলে নিচ্ছি নিজেকে একজন সাহসী বলে প্রমাণ করার মানে কিন্তু পিছন দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া কোনও ভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না। এটাকে সহজ ভাষায় বলা হয় কাপুরুষতা। সেই কাপুরুষ দের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। আমি তাদের বলতে চাই, যদি সট সাহস থাকে তাহলে সামনে গিয়ে, সিনায় সিনা লাগিয়ে প্রতিশোধ নাও।
দেখি তোমাদের কত সাহস।
ইদানিং খেয়াল করেছি যে আমাদের তথাকথিত একদল বিপদগামীদের কাছে ওয়েব সাইড হ্যাকড করে অপরপক্ষ কে আক্রমণ করার প্রবণতা বেড়ে গেছে। যা কোনও সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ করতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করিনা। এবং যারা এই অপকর্ম গুলো করছে তাদের কে আমি পাগল বা তার ছেড়া বলে বিশ্বাস করি।
দেখা গেল আমার সাথে সম্মুখ যুক্তিতে কেউ পেরে উঠছে না, বা গেল পরিবার বা আত্তিয় স্বজন কার সাথে কোনও ঝগড়া হয়েছে কারো, সেটার প্রতিবাদ বা প্রতিরোধ হিসেবে আমার ওয়েব সাইড হ্যাকড করা হলো, এখন হ্যাকড কারীকে কী ভাবে বীর বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে ? গেল এই লেখার সমালালোচনা কারীদের নিকট আমার প্রশ্ন।
তাকে কী করে ধরে নেওয়া হবে সে যা করেছে এটা যৌক্তিক ছিল ?
সাম্প্রতিক কসলে আমরা দেখেছি কিছু হ্যাকড এর নমুনা যেমন যুদ্ধাপরাধী বিচার ইস্যুতে একটি মহল মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারিক ট্রাইবুনালের বিচারকের ব্যাক্তি গত আলাপচারিতা হ্যাকড করল, আমাদের পররাষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইড হ্যাকড, জনপ্রিয় বাংলা ব্লগ আমার ব্লগ হ্যাকড করা হলো, যদি ও অমরা জেনেছি তারা কারা যারা হ্যাকড করে বিচার ব্যবস্থা কে ভণ্ডুল করার অপপ্রয়াস চালিয়েছে। অমরা জেনেছি তারা কারা যারা হ্যাক ড করে কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়ার সাহস দেখাচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, এতে করে কী তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন বন্ধ হয়ে যাবে ? যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ হয়ে যাবে ?
উত্তর হচ্ছে যাবে না।
তাহলে কেন এই অহেতুক হয়রানি ? ইসলামের দৃষ্টিতে এর যৌক্তিকতা কত খানি জানতে মন চায় ?
প্রাসঙ্গিক বলতে চাই, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে এই ধরনের হ্যাকড এর কাজে যারা জড়িত রয়েছে বা তাদের পিছনে কারি কারি অর্থ ব্যয় করে যারা এই ধরনের ন্যাক্কার জনক কাজের ইন্ধন যুগাচ্ছে, তারা কিন্তু আপনার আমার সুপরিচিতিও একটি অপ রাজনৈতিক সংগঠন জামাত-শিবির। যারা পাচ ওয়াক্ত নামায মসজিদে জামাতের সাথে পড়ে থাকে, আবার সেই নামায পড়ার পড়ে অজু নিয়ে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে, কোনও কারণে ব্যর্থ হলে পড়ে রাতে বাসায় গিয়ে কম্পিউটারের সামনে বসে অজু নিয়ে প্রতিপক্ষের ওয়েব সাইড হ্যাকড করে, জানতে মন চায় এই কী তাদের শান্তির ইসলাম ধর্মের প্রতি আনুগাত্যতা ?
আমি যতটুকু মনে করি এরা ধর্মের নামের ব্যবসায়ী, এরা ধর্মের নাম ব্যবহার করে পবিত্র ধর্ম ইসলাম কে গণ ধর্ষণ করে অপবিত্র করে ফেলছে।
@সুলতান মির্জা ।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।