পুরো ম্যাচে প্রাধান্য দেখালেও শেখ রাসেলকে গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে কিছুটা সময়। ম্যাচের ৩৪ মিনিটে তারা এগিয়ে যায় মিঠুনের গোলে।
উরুগুয়ের মিডফিল্ডার আন্দ্রেস ফ্রান্সিসকোর ফ্রি-কিক থেকে বারিধারার এক ডিফেন্ডারের হেডে জটলায় বল পেয়ে মিঠুন আড়াআড়ি শটে লক্ষ্যভেদ করেন (১-০)।
৪৫ মিনিটে মিঠুনের গোলেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে শেখ রাসেল। মিডফিল্ডার সবুজ কুমারের পাস ধরে, বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে কাটিয়ে বল জালে পাঠান মিঠুন (২-০)।
৪৯ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান জ্যামাইকান মিডফিল্ডার রিকার্ডো কাজিন্স। মিঠুনের থ্রু থেকে বল পেয়ে চার ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে আড়আড়ি শটে গোল করেন তিনি (৩-০)।
৬৩ মিনিটে মিঠুন হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। বারিধারার নাইজেরীয় ডিফেন্ডার কসোকোর কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে চমৎকার প্লেসিং শটে গোল করেন তিনি (৪-০)।
এরপর বারিধারা একটি সুযোগ পায়।
৭৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নাইজেরীয় স্ট্রাইকার আকিন দেলের চমৎকার শট শেখ রাসেলের গোলরক্ষক বিপ্লব ভট্টাচার্য্য কোনো মতে রুখে দেন।
লিগের প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে দারুণ খুশি মিঠুন। খেলা শেষে তিনি বলেন, “প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করতে পেরে আমার আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে। এই আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারলে আশা করছি পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারবো। ”
ঘরোয়া ফুটবলে এটি মিঠুনের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক।
২০১০-১১ মৌসুমে পেশাদার ফুটবল লিগের চতুর্থ আসরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রের হয়ে ফরাশগঞ্জ ক্রীড়া চক্রের বিপক্ষে প্রথম হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।