আমি চাই শক্তিশালী স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ
চীন এই বছর প্রথমবারের মত তার দেশের তৈরি J-20 নামক ৫ম প্রজন্মের জঙ্গী বিমান উড়ায়। এটা মার্কিন এফ-২২ রেপটর এরই অনুরুপ। এর অন্যতম বৈশিষ্ট হল যেকোন রাডার ও ইনফ্রারেডকে(তাপানুসন্ধানী) ফাকি দিতে সক্ষম। এর আগে ষ্টীলথ-১১৭ এই রকম থাকলেও যূগেশ্লাভিয়ায় তাকে ভূপাতিত করে। তাই মার্কিনিরা প্রায় ৬৬ বিলিয়ন ডলার খরচ করে এই এফ-২২কে খাড়া করে।
এখন পর্যন্ত এটাকে আকাশে নির্ণয় ও চ্যালেঞ্জ করা না গেলেও রুশদের এস-৪০০ ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপনাস্ত্র দিয়ে ধ্বংস করা সম্ভব। শুধু বিমানই নয় শত্রুর ক্ষেপনাস্ত্রও ঘায়েল করা সম্ভব;
Click This Link
এর পাল্লা একেতো ৪০০ কিমি তার উপর হাই-আল্টিচ্যুড-আকাশের অনেক উপরে ১৮৫ কিমি উচ্চতায় পৌছা সহ ঘন্টায় সর্বোচ্চ ১২ ম্যাক গতিতে ছুটা সম্ভব!
http://en.wikipedia.org/wiki/S-400_(SAM)
এখন যখন চীন একটি নয় দুই দুটি ৫ম প্রজন্মের বিমান(জে-২০ ও জে-৩১) তৈরি করে ফেলেছে তাতেই ভারতের অস্থিরতা শুরু হয়ে গেছে। তারাও নিল এক উচ্চাভিলাসী ৫ম প্রজন্মের জঙ্গী বিমান তৈরির প্রকল্প। হিন্দুস্থান এ্যারোনটিক্যাল লিমেটেড কিছুদিন আগে রাশিয়ার সাথে এই বিষয়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে;
Click This Link
এটা প্রায় আগামী ১০ বছরের ২০২২ সাল বিমান প্রতিরক্ষাকে লক্ষ্য রেখে। অনেকেই বলেছিল ততদিনে ৫ম প্রজন্মের জঙ্গী বিমান সনাক্তকরণ রাডার সহ এটার বিধ্বংসী ক্ষেপনাস্ত্র এসে যাবে।
রুশরা যখন এই এস-৪০০ বের করছে নির্ঘাৎ এটার প্রযুক্তি চীনের কাছে যাবেই। চীনারা এই ক্ষেত্রে অর্থের বিষয়ে কোন কার্পণ্য করবে না। আর চীন একবার এই প্রযুক্তি পেলে পাকিস্তানতো পাবেই সেই সাথে নেপাল, বাংলাদেশ এবং শ্রীলংকাও এটার অধিকারী হয়ে যাবে। তখন হিন্দুস্থান বিমানবাহিনীর বাহাদুরি চলবে না। এখন মনে হচ্ছে ভারতীয় নীতি নির্ধারকরা হয় আস্ত বেকুব নতুবা চরম র্দূনীতিবাজ।
এখন সারা দুনিয়ার খবর বিশেষ এই সামরিক বিমানের বিষয় গুলি বোঝার ক্ষমতা অনেক ভারতীয় বিশেষজ্ঞেরও আছে। ৮০ কোটি লোককে দরিদ্রতায় রেখে এত বড় অংকের ব্যায় দিল্লীর অধিকর্তাদের র্দূনীতিরই ইংগিত দেয়। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।