নাম তার শিউলি চুন্নি।
তবে এটিই তার একমাত্র নাম নয়।
কখনও হোসনা,
কখনও ফারজানা
আবার কখনও লাকী নামে
ছদ্মনাম ধারণ করে সে।
রাজধানীতে তার পরিচয় গৃহকর্মী।
কাজের বুয়ার ছদ্মাবরণে সে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে।
অভিনব কৌশলে ভুয়া নাম ঠিকানা ব্যবহার করে শিউলি কাজ নেয় ধনাঢ্য ব্যক্তিদের বাসায়। কাজ নেয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই সে নগদ টাকা-পয়সা, স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে চম্পট দেয় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে। এভাবেই সে এখন কোটিপতি। গত ৭-৮ বছরে শিউলি প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণালঙ্কার চুরি করেছে। পুলিশ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী- সব ধরনের লোকের বাসায় তিনি চুরির ঘটনা ঘটিয়েছেন।
তার বিরুদ্ধে রয়েছে ৪০ থেকে ৪২টি মামলা। চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার জেল খেটেছে। জামিনে বের হয়ে আবারও নেমে পড়ে পুরানো পেশায়। তার রয়েছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। প্রতি মাসে ২-৩ বার গাইবান্ধা থেকে ঢাকায় আসে।
সেখানে রয়েছে তার সুরম্য বাড়ি। এলাকাবাসী জানে- সে ঢাকায় একটি বিদেশী এনজিওতে চাকরি করে। তার বাসায় রয়েছে ৩ জন কাজের বুয়া। ভাইবোন আত্মীয়-স্বজন এবং স্বামী-সংসার দেখাশুনার দায়িত্ব তার। বিয়ে করেছেন ৪টি।
চুরির টাকায় ৩ ভাই-বোনকে বিদেশ পাঠিয়েছেন। ৩৮ বছর বয়সী শিউলির সব স্বামীই বয়সের দিক দিয়ে তার চেয়ে ছোট। তালাক দেয়ার পরও স্বামীর সঙ্গে রয়েছে সব ধরনের সম্পর্ক। সাবেক স্বামীর উদ্দেশ্য- চুরির টাকায় লাভবান হওয়া। রূপনগর থানার একটি চুরির মামলায় রিমান্ডে থাকা অবস্থায় শিউলি মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) এসব তথ্য জানিয়েছে।
http://www.mzamin.com/details.php ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।