আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

এইবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ছাড়া এডমিশনে যেভাবে দূর্ণীতি হবে ।

অ আ ক খ প্রথমে এ-প্লাস দেখে নেই । এসএসসিঃ ২০০৯ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছে = ৪৬ হাজার ৩৬৭জন ২০১০ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছে = ৬২ হাজার ১৩৪ জন। এইচএসসিঃ ২০১১ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছে = ৩৯ হাজার ৭৬৯ জন ২০১২ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছে = ৬১ হাজার ১৬২ জন মোট ডাবল প্লাস( ২০১০ এবং ২০১২) ঃ ৫০ হাজার (ধরে নিলাম) মোট ডাবল প্লাস( ২০০৯ এবং ২০১১) ঃ ৩০ হাজার (ধরে নিলাম) বিগত প্রায় প্রতিটি পরীক্ষায় দেখা গেছে চান্স প্রাপ্ত ছাত্রদের ৬০% -ই ২য় বারের পরীক্ষার্থী। তাই ধরে নিলাম এইবার গত সেশনের বিশ পার্সেন( ৬০০০ জনের মত) এ-প্লাস এই বার পরীক্ষা অংশগ্রহণ করবে । এখন মোট ৫৬০০০ এর মধ্যে ২০০০০ অনায়াসে পাওয়া যাবে যাদের প্রতিটী সাবজেক্টে এ-প্লাস অতিরিক্ত সহ ।

তাদের ক্ষেত্র কি হবে । মোট আসন হল ৩০০০( কিছু কম হবে ধরে নিলাম), কিন্তু জেলা, মুক্তিযুদ্ধা,উপজাতি কোটা দ্বারা ৯০০ সীট চলে যাবে, এ ক্ষেত্রে রয়ে যাবে ২১০০ সীট । দূর্ণীতি --- এই ২০০০০ হাজার ছাত্রের মধ্যে ২১০০ সীট বন্টন করে দিতে হবে । তাই ওনাদের অবশ্যই প্রাপ্ত মার্কের দিকে তাকাতে হবে , এ জন্য ওনাদের সাতটি বোর্ডে কাছে যেতে হবে । বোর্ড ওনাদের তখন এই ছাত্রদের একটি মেরিট লিস্ট দেবে ( প্রথম তদবির এখানে শুরূ হবে -- অসাধু গোষ্ঠি এখানে ট্রেম্পারিং করতে চাইবে যদি ও তা অনেক কঠিন হবে ) ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যখন সকল বোর্ডের উক্ত ছাত্রদের মার্ক পেয়ে যাবে তখন তারা মার্ক অনুযায়ী একটা সিরিয়াল প্রকাশ করবে, সুতুরাং এখানে দূর্ণীতিরে মহা-সুযোহ রয়েছে, দূর যা আমাদের মন্ত্রীরা অনেক সৎ এবং দেশ প্রেমিক এরকমটা হবে না । একই ভাবে কোটা ব্যবস্থাতে ও এদিক-সেদিক দুইশত গুণ বেশী হবে । তাই ভর্তি পরীক্ষা ছাড়া যদি, ভর্তি করতে হয়, তাহলে পুরো রেজাল্টের ব্যবস্থাই চেইঞ্জ করতে হবে । মার্ক ও জিপিএ-এর পাশা-পাশি করে বোর্ডকে নতুন মেরিট লিস্ট করতে হবে এবং সকল বোর্ড-কে এক প্রশ্নে নিয়ে আসতে হবে । যা এইবার সম্ভব না ।

মেডিকেলের অধক্ষরা যে কারণে ভর্তি পরীক্ষা বিরোধী ঃ ২০০০ সাল পর্যন্ত দেখা যাইতো অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডাক্তার দের ছেলে-মেয়েরা ভাল হারেই মেডিকেলে চান্স পাচ্ছে । আর এই সুযোগে ২০০১ সালে সিলেট রাগিব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের এক শিক্ষক বলেছিলেন প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে গরু-ছাগলরা পড়ে, সময়ের বিবর্তনে ওনার মেয়ে ২০০৭ সালে প্রাইভেট মেডিকেল রাগিন-রাবেয়াতে ভর্তি হয় । আসলেও প্রাইভেট মেডিকেল কলেজের বিকাশে ডাক্তারদের পুলা-মাইয়া বাবার টাকার উপর ভরসা করে পড়া লেখা একদম বাদ দিয়ে দেয় । তাই সরকারী মেডিকেল কলেজে এখন আর আগের মত ডাক্তারদের ছেলে মেয়েরা চান্স পায় না । কে জানে এই অধক্ষরা সেই জ্বলা থেকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না? ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.