আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

অলিম্পিক সুপার পাওয়ার চীন

সাম্প্রদায়িকরা... নো কমেন্ট প্লিজ.... ৪০ জনের দল নিয়ে ১৯৫২ ফিনল্যান্ড অলিম্পিকে অংশ নেয়ার অনুমতি পায় চীন। কিন্তু দূর্ভাগ্য তাড়া করে তাদের শুরু থেকেই। সময়মতো পৌঁছাতে পারলেন মাত্র একজন সাঁতারু। ফুটবল আর বাস্কেটবল দল পৌঁছেছিলো নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে। সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেই স্বান্তনা খুঁজে পেয়েছিলো তারা।

তারপরেই অশান্ত হয়ে ওঠে চীনের রাজনীতি। নানা সংঘাত আর সংঘর্ষের ফাঁদে মাঝে হারিয়ে গেল ৩২টি বছর। সাত আসর পর, চুরাশির লস অ্যাঞ্জেলিসে বেশ বড় দল নিয়েই মাঠে নামে চীন। আর নেমেই তাক লাগিয়ে দেয় সবাইকে। দেশের হয়ে প্রথম স্বর্ণপদক জিতলেন শু হাইফেং।

বনে গেলেন হিরো। সবাই ডাকতে শুরু করলো "আ ব্রেক থ্রু জিরো"। ঐ আসরেই তিনটি স্বর্ণপদকসহ মোট ছয়টি পদক জিতেছিলেন লি নিং। তাকে উপাধি দেয়া হয় চীনের 'প্রিন্স অফ জিমন্যাস্টিক"। আর সবমিলিয়ে ৩২ টি পদক জিতে চার নম্বর জায়গাটা দখল করে নিলো চীন।

পরেরবার ঘরের কাছে সিউলে, খানিকটা পিছিয়ে পড়ে চীনারা। সেবার তাদের অবস্থান হয় ১১। কিন্তু ঐ-ই শেষ। ১৯৯২ অলিম্পিকে আবারো স্বমহিমায় চীনারা। ২০০০ সিডনী অলিম্পিকে ৩য়, ২০০৪ এথেন্স অলিম্পিকে ২য় হবার পর ২০০৮ এ নিজ দেশে ৫১ টি স্বর্ণপদকসহ মোট ১০০ পদক জিতে ক্রীড়াবিশ্বে নতুন সুপার পাওয়ার হয়ে আবির্ভূত হয় চীন।

এখন পর্যন্ত আট আসরে চীন সর্বমোট পদক জিতেছে ৩৮৫টি। যার মধ্যে ১৬৩টি স্বর্ণপদক, ১১৭ টি রৌপ্যপদক এবং ১০৫টি ব্রোঞ্জপদক। ডাইভিং আর জিমন্যাস্টিকসে সব থেকে বেশি পদক জিতলেও তারা এগিয়ে আছে টেবিল টেনিস আর ব্যাডমিন্টনে। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকেও তাদের নজর যে ঐ এক নম্বরের দিকেই তা তো আর বলার অপেক্ষাই রাখে না। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.