আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

পলাশীর বিশ্বাস ঘাতক ও বিশ্ব বিখ্যাত বেঈমান মীর জাফর আলী খাঁন।

আমরা জানি একদিন আমরা মরে যাব এই জন্যেই পৃথিবীটাকে এত সুন্দর লাগে। যদি জানতাম আমাদের মৃত্যু নেই তাহলে পৃথিবীটা কখনোই এত সুন্দর লাগতো না আজকে লিখবো বিশ্বাস ঘাতক মীর জাফর আলী খাঁন সম্পর্কে। বেঈমানীর সাজা হিসাবে কি ঘটেছিল পরবর্তীতে তার জীবনে । তার বয়ান নিম্নে পেশ করা হলো br /> পৃথীবির ইতিহাসের জঘন্যতম বিশ্বাসঘাতকতার সাক্ষী হয়ে আছে পলাশীর যুদ্ধ । এর মূল কুশীলবদের প্রায় সবার অস্বাভাবিক ও করুণ মৃতু্র কথা জানা গেলেও দুই বিশ্বাসঘাতক রায় বল্বভ এবং ইয়ার লতিফ খানের শেষ পরিণতির বিষয়ে ইতিহাসে স্পষ্টত কিছুই উল্লেখ নাই ।

তবে জানা গেছে কুখ্যাত মীর জাফরের মৃতু্র কথা। পলাশীর যুদ্ধের পর প্রচুর ঘুষের বিনিময়ে রবার্ট ক্লাইভের হাত থেকে মসনদে আরোহন করেন নবাব মীর জাফর আলী খাঁন। তবে তাকে পুতুল বানিয়ে মূল ক্ষমতা পরিচালনা করেন ইংরেজেরা। এক পর্যায়ে বনিবনা না হওয়ায় মীর জাফরকে সরিয়ে তারই জামাতা মীর কাশেমকে ক্ষমতায় বসানো হয়। মীর কাশেমের সংগে দ্বন্দ শুরু হলে ইংরেজেরা মীর কাশেমকে সরিয়ে দেন।

এ সময়ে বিশ্বাসঘাতক মীল জাফর নির্লজ্জের মতো আবারও ইংরেজদের আজ্ঞাবহ নবাব থাকলেও মূলত মীর জাফরকে ইংরেজদের অবজ্ঞা আর দেশীয়দের ঘৃণার পাত্র হিসেবেই বাকি জীবন কাটাতে হয়। ১৭ই জানুয়ারী ১৭৬৫ সালে ৭৪ বছর বয়সে মীর জাফরের জাগতিক মৃতু্ ঘটলেও আসলেই কি মীর জাফর .....? এর উত্তর জানা যায় মুর্শিদাবাদের মীর জাফরের ধ্বংসপ্রায় প্রাসাদের সামনে গেলে। মীর জাফরের প্রাসাদে ঢোকার ফটকটি ইতিহাসে, সরকারী দলিলে এবং টু্রিষ্ট গাইড বইয়ে নেমক হারাম দেউর বা বিশ্বাসঘাতকের গেট নামে পরিচিত পেয়েছে। আর যে কোন বেইমান বা বিশ্বাসঘাতককে গালি ব্যবহৃত হয় মীর জাফর শব্দটি। তাই বলা হয় মরেও বেঁচে আছেন মীর জাফর মানুষের মুখে মুখে ।

তবে একটি জঘন্য গালি হিসেবে। ......আজকে এ পর্যন্ত পরবর্তীতে লিখবো-কুখ্যাত প্রসাদ ষড়ন্ত্রকারী ঘসেটি বেগম সম্পর্কে । ................খোদা.............হাফেজ । ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.