আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বাংলাদেশই টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ, তবে...

প্রাথমিক শঙ্কাটা কেটে গেছে। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশকেই বহাল রেখেছে আইসিসি। এতে অবশ্য খুব বেশি স্বস্তিতে থাকার সুযোগ নেই বিসিবির। কারণ, আগস্টের মধ্যে সব ভেন্যুকে ‘সন্তোষজনক’ মানে উন্নীত করতে বাংলাদেশকে সময় বেঁধে দিয়েছে আইসিসি।
আগস্টের মধ্যে স্টেডিয়ামগুলোর সন্তোষজনক উন্নয়ন করতে না পারলে কী হবে, তা সহজেই অনুমেয়।

বাংলাদেশ আয়োজক হিসেবে থাকতে পারবে কি না, সে ব্যাপারে তখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি। ক্রিকইনফোর খবরেও বলা হয়েছে এমনটাই।
গত জুনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলো পরিদর্শন করে গেছেন আইসিসির ভেন্যু বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের দেওয়া প্রতিবেদন পর্যালোচনা করার পর আইসিসির বার্ষিক সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগস্টে আরেকটি পর্যবেক্ষক দল বাংলাদেশে আসবে। তাঁদের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি।


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়াবে আগামী বছরের ১৬ মার্চ। অথচ বাংলাদেশ এখন শঙ্কায় পড়েছে আয়োজক হিসেবে থাকতে পারে কি না। আইসিসির নিয়মানুযায়ী, প্রতিযোগিতা শুরুর কমপক্ষে ছয় মাস আগে সব ভেন্যুর সংস্কারকাজ শেষ করতে হবে।
গত ২১ জুন বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে শঙ্কার কথা সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশ করেন বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, ‘আইসিসিকে বোঝাতে হবে, বিকল্প ভেন্যুর দরকার নেই।

আমাদের যা আছে তা নিয়েই আমরা পারব। ’ বিসিবির প্রধান জানান, বড় চ্যালেঞ্জটা সিলেট ভেন্যু নিয়ে। কক্সবাজার স্টেডিয়ামের উন্নয়নকাজের অগ্রগতি নিয়েও আইসিসির অসন্তুষ্টি রয়েছে। এক বিবৃতিতে সিলেট ও কক্সবাজার স্টেডিয়ামের কাজের অগ্রগতি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আইসিসিও। আগস্টে আরেকটা পরিদর্শনের পর যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, বিবৃতিতে জানানো হয় সেটাও।


গত এপ্রিলে সিলেট ভেন্যুর কাজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কাজ থমকে ছিল অনেক দিন। যদিও কাজ আবার শুরু হয়েছে। এর মধ্যে খবর বেরিয়েছিল, বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে নাকি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ভেবে রেখেছে আইসিসি। বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ করে বাংলাদেশ আইসিসিকে সন্তুষ্ট করতে পারে কি না, এটাই এখন দেখার অপেক্ষা। ।

সোর্স: http://www.prothom-alo.com     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.