আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

যুদ্ধাপরাধ বিচার নিয়ে ক্ষমতাসীনদের নাটক, জাতী হিসেবে আমরা হতাশ...

বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার আগে ও পরে যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে জনগনের নিকট উপস্থাপন করেছে এবং আমরা যে বিষয় টি তাদের থেকে সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা করি তা হলো যুদ্বাপরাধ বা মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার। এবং সরকার দেরিতে হলেও এব্যবপারে কিছু পদক্ষেপও নিয়েছে, এবং দিনে দিনে আশার ফুলঝুড়ি শুনিয়েছে। যাদেরকে আমরা রাজাকার বা যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিনি বা জানি তাদেরকে গ্রেফতারের মাধ্যমে এর অগ্রগতি আমাদের দেখিছেছে । কিন্তু এখন হচ্ছে টা কি?? একটা সরকার যখন ক্ষমতায় থাকে তখন ইচ্ছে করলেই অনেক কিছু করতে পারে। যেটা এ সরকারও করেছে।

শত শত কোটি টাকা খরচ করে বিমান বন্দরের নাম পরিবর্তন করেছে, ঢাকাকে দুই ভাগ করেছে, তত্বাবধায়ক বাদ দিয়েছে ইত্যাদি। যেগুলা করার জন্য সরকার কখনো জনগনের চাহিদা বা সমর্থন প্রত্যাশা করেনি। কিন্তু এই একটি ইস্যুতে কেন সরকার বারবার জনসমর্থন চাচ্ছে বা যুদ্বাপরাধের বিচারের জন্য সরকারী দলই কেন সমাবেশ বা মানববন্ধের মত কর্মসুচি দিয়ে রাজপথে আন্দোলন করছে। কেন সাইদীর মত একজন কুখ্যাত রাজাকারের বিচারের সাক্ষী আনতে এত হিমশীম খাচ্ছে, জাতীসংঘ মানবাধীকার সংস্থা কেন এ ব্যপারে সরকারের বিপক্ষে অবস্থান নেয়,যেখানে বিরোধী দলীয়নেতারা যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে লাখ লাখ লোককে নিয়ে সমাবেশ, গনমিছিল করে সেখানে লোকর অভাবে সরকারী দলের মিটিং সমাবেশ বানচাল হওয়ার খবরো আমরা দেখি। সর্বশেষ আমরা চাই সরকারের সদ্ইচ্ছা।

আমরা আশা করবো আগামী দিন সরকার আন্দোলনের মাধ্যমে নয় সঠিক আইনি ভাবেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে। যাতে করে জাতীসংঘের মত কোন আন্তর্জাতীক সংস্থা এ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.