আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আর কত ঘৃন্য কাজে লিপ্ত হবে স্বার্থানেশী মানুষ । জাগো বাংলাদেশের জনগণ জাগো । ধর্মকে পুজি করে মানুষকে হত্যা করা কৌশলকারীদের প্রতিহত না করতে পারলে কোন ধর্মের মানুষই নিরাপদ নয় ।

কিছু প্রবাসীর ইন্ধনে সেনাবাহিনীর ধর্মান্ধ সাবেক ও বর্তমান কিছু সদস্য শেখ হাসিনার সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বলে সুনির্দিষ্ট তথ্য মিলেছে, তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানানো হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গোলাম আযমকে কারাবন্দি হওয়ার প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীতে কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান সদস্যের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সেনা সদরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। সেনাবাহিনীর এই ধরনের সংবাদ সম্মেলন করা দেশে বিরল ঘটনা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সেনাবাহিনীর ঘাড়ে ভর করে কোনো গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থাকে উৎখাতের ঘৃণ্য চক্রান্তের সঙ্গে বাহিনীতে চাকরিরত কিছু অফিসারের সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট তথ্য উদ্ঘাটন হয়েছে। এ বিষয়ে গত ২৮ ডিসেম্বর একটি তদন্ত আদালত গঠন করা হয়েছে এবং তার কার্যক্রম চলছে।

তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সেনাবাহিনীর পরিচালক (পিএস পরিদপ্তর) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মাসুদ রাজ্জাক বলেন, স¤প্রতি কিছু প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকের ইন্ধনে সেনাবাহিনীতে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কতিপয় ধর্মান্ধ কর্মকর্তা কর্তৃক অন্যান্যদের ধর্মীয় অনুভূতি পুঁজি করে দুরভিসন্ধিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত করার প্রয়াস চালানো হয়। “এই অপপ্রয়াস সেনাবাহিনীর ঐকান্তিক চেষ্টায় প্রতিহত করা হয়,” বলা হয় সংবাদ সম্মেলনে। ব্রিগেডিয়ার রাজ্জাক জানান, চক্রান্তের অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল এহসান ইউসুফ ও মেজর জাকিরকে আটক করা হয়েছে। চক্রানেস্ত জড়িতের সংখ্যা কত- জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তদন্ত চলছে, শেষ না হওয়া পর্যন্ত সঠিক সংখ্যা বলা যাবে না।

“তবে ধারণা করছি, এই ক্যু আ অভ্যুত্থান চেষ্টার সঙ্গে মিড লেভেলের (মধ্যম স্তরের) ১৪ থেকে ১৬ জড়িত থাকতে পারে। সঠিক চেইন অফ কমান্ড থাকায় এই চেষ্টা সেনাবাহিনী প্রতিহত করতে পেরেছে,” বলেন ব্রিগেডিয়ার রাজ্জাক। চক্রান্তে বিদেশি কোনো রাষ্ট্র জড়িত কি না- প্রশ্ন করা হলে তার উত্তর আসে- “আমরা কোনো কিছুই উড়িয়ে দিচ্ছি না। ” অভ্যুত্থানের ঘটনায় সেনাবাহিনীর কুমিল্লা অঞ্চলের প্রধান (জিওসি) মেজর জেনারেল কামরুজ্জামান উধাও হওয়ার যে গুজব ছড়িয়েছিল , সে বিষয়ে জানতে চাইলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তিনি ঢাকা সেনানিবাসে সপরিবারে অবস্থান করছেন। তিনি গৃহবন্দি কি না- জানতে চাওয়া হলে ব্রিগেডিয়ার মাসুদ বলেন, “সেনাবাহিনীতে গৃহবন্দিত্ব বলে কিছু নেই।

” সেনাবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত জজ অ্যাডভোকেট জেনারেল লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সাজ্জাদ সিদ্দিকও তার সঙ্গে ছিলেন। Collect from here... click here c ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।