আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

দুর্নীতিগ্রস্ত নেতৃত্ব প্রশাসনকে দুর্নীতিগ্রস্ত করে।

Prothom Alo ঢাকা, শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১১, ১৭ পৌষ ১৪১৮, ৫ সফর ১৪৩৩ জনপ্রশাসনের ইতি-নেতি আলী ইমাম মজুমদার | তারিখ: ৩১-১২-২০১১ যেকোনো ধরনের সরকারব্যবস্থায় জনপ্রশাসন সরকারের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সরকারের নীতি নির্ধারণ করেন নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। সে নীতি নির্ধারণে তথ্য-উপাত্ত, নজির আর সম্ভাব্য সুবিধা-অসুবিধার বিষয়াদি জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারাই তাঁদের মেধা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থেকে জনপ্রতিনিধিদের সামনে উপস্থাপন করেন। তাই বলা চলে, সরকারের নীতিনির্ধারণ-প্রক্রিয়ায়ও জনপ্রশাসন অন্যতম সহায়ক শক্তি। আর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে জনপ্রতিনিধিদের তদারকিতে মূলত তার বাস্তবায়নের দায়িত্ব জনপ্রশাসনেরই।

তাই সরকার পরিচালনায় জনপ্রশাসনের ভূমিকা সম্পর্কে অধিক আলোচনার প্রয়োজন নেই। অপর দিকে সরকারের সফলতা ও ব্যর্থতার দায়ভার প্রধানত নিতে হয় জনপ্রতিনিধিদের। জনগণের কাছেও এ বিষয়ে জবাবদিহি তাদেরই। সুতরাং জনপ্রতিনিধি স্বভাবত চাইবেন সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে এবং তার সময়োপযোগী বাস্তবায়ন করতে। এ উভয় ক্ষেত্রে তাঁকে আবশ্যিকভাবে জনপ্রশাসনের সহায়তা নিতে হবে।

সেই জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা যদি দক্ষ, মেধাবী ও নিবিড় চিত্তের হন, তাহলে মূলত লাভবান হবেন জনপ্রতিনিধি তথা সরকার বা সামগ্রিক অর্থে জনগণ। বলার অপেক্ষা রাখে না, বিপরীতটা ঘটলে ক্ষতিগ্রস্ত হন তাঁরাই। সুতরাং প্রতিটি সরকারের চাহিদা থাকার কথা একটি দক্ষ, গতিশীল, অরাজনীতিক ও নিবেদিত জনপ্রশাসন। সেই প্রশাসনের কর্মকর্তারা ক্রমাগতভাবে আগত নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য অব্যাহতভাবে নিজেদের প্রস্তুত রাখবে। আর এ জন্য আবশ্যক মেধাবীদের জনপ্রশাসনে আকর্ষণ করা; তাদের নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতিতে দলীয় আনুগত্যের বাইরে রাখা আর বিভিন্নমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চাহিদা বিবেচনায় রেখে দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

একজন মেধাবী ও দক্ষ কর্মকর্তা জনপ্রশাসনে পদোন্নতি ও পদায়নে বঞ্চনা/বৈষম্যের শিকার না হলে আর মর্যাদার সঙ্গে যথোপযুক্ত সুবিধাদি নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেলে নিবেদিত হবেন আপনা থেকেই। বর্তমান সরকারের মেয়াদ তিন বছর পুরো হওয়ার প্রাক্কালে দেখা যেতে পারে, এসব বিষয়ে তারা কতটা ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে, নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে প্রতিটি রাজনৈতিক দল/জোট একটি দক্ষ, গতিশীল, দলীয় প্রভাবমুক্ত যুগোপযোগী প্রশাসন গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেয়। বর্তমান মহাজোট সরকারও তাই দিয়েছিল। দক্ষতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান নিয়ামক মেধাবীদের জনপ্রশাসনে আকর্ষণ করা।

স্বাধীনতার পর থেকে এ অবস্থা ক্রম পশ্চাদমুখী বলে বহুলভাবে আলোচিত। এর কারণগুলোও অজানা নয়। মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বিদেশে চাকরির বাজারে সুবিধাদির সঙ্গে সরকারের দেওয়া সুবিধাদির তুলনায় দূরে থাকুক, নিজ দেশের বেসরকারি খাতে বেশ কিছু চাকরি থেকেও শোচনীয়ভাবে কম। আমাদের রাষ্ট্রের আর্থিক সীমাবদ্ধতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেও বলা যায়, এ ব্যাপারটি বাস্তবতার নিরিখে না দেখলে মেধাবীরা জনপ্রশাসনে অধরাই হয়ে থাকবে। স্বীকার করতে হবে, এ বিবেচনায় নিয়েই দু-তিন বছর আগে সরকার একটি বেতন স্কেল দেওয়ায় পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে যাচ্ছিল।

তবে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি বিষয়টিকে আবার সে তিমিরেই ফিরিয়ে নিয়েছে। এরপর আসছে এক বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থা, যা চাকরির অধিকাংশই নিয়ে নেয়। কোটার কারণে তুলনামূলকভাবে কম মেধাবীরা যখন অধিক মেধাবীদের প্রাপ্য চাকরিটিকে ছিনিয়ে নেয়, তখন নিয়োগ পর্যায়েই অধিক মেধাবীরা হয় বিতাড়িত। কোটা পদ্ধতি অবিভক্ত ভারত ও পাকিস্তান সময়কালেও ছিল। এখনো সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবে এটা থাকতে পারে।

কিন্তু সংখ্যাটি কি যৌক্তিক পর্যায়ে পুনর্বিন্যাসের আবশ্যকতা অস্বীকার করা যাবে? নচেৎ জনপ্রশাসনের মেধাবীরা ক্রমাগতভাবে পেছনেই যেতে থাকবে। অধিক হারে কম মেধাবীদের কোটা নিরাপত্তাবেষ্টনীর মাধ্যমে জনপ্রশাসনে অন্তর্ভুক্তি এর মেধাশূন্যতার দিকটিকে আরও প্রকট করে তুলবে। সরকারি কর্মকমিশন বিষয়টি নিয়ে তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে বারবার পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করেছে। কিন্তু সরকারের তরফে বিষয়টি উপেক্ষিতই থাকছে অতীতের মতো। বিগত তিন বছরে এ ক্ষেত্রে কোনো ইতিবাচক উদ্যোগ নেই।

মেধাবী কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসনে অন্তর্ভুক্তির আরেকটি অন্তরায় হিসেবে আছে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া। এক-এগারোর আগে এ ধরনের অভিযোগের মূখে ২০০৭ তে সরকারি কর্মকমিশন পুনর্গঠনের ফলে ওই অভিযোগ তিরোহিত হয়। সমপ্রতি সে পুনর্গঠিত কমিশনের চেয়ারম্যানসহ প্রায় সকল সদস্য অবসরে গেছেন। এখন দেখার বিষয় আছে, নতুন যাঁরা দায়িত্ব নিলেন, তাঁরা এর নিরপেক্ষতার ধ্বজাটির যথাযথভাবে উড্ডীয়মান রাখতে কতটা নিবেদিত বা সক্ষম হন। আশা করব তাঁরা তা করবেন।

পদোন্নতি ও পদায়নের বিষয়েও একই ধারাবাহিকতা রয়ে গেছে। গত দুই যুগের অধিক সময়কার ঐতিহ্যই ধারণ করে আছে প্রশাসন। পদোন্নতি ও পদায়নে দলীয় বিবেচনাই প্রাধান্য পাচ্ছে ব্যাপকভাবে। অবশ্য আমার অভিজ্ঞতা থেকে আমি এ অবস্থার জন্য রাজনীতিবিদদের চেয়ে ‘জনসেবকদেরই (Public Servant)’ বেশি দায়ী করব। তাদের একটি অংশ অতীতের বঞ্চনার ক্রোধে, আর কেউ কেউ প্রাপ্যের অধিক সুবিধাদি নিতে, আর কিছু নিজের মেধার সীমাবদ্ধতাকে আড়াল করতে ক্ষমতাসীন দলের সরাসরি সমর্থক হয়ে যায়।

তাদের কারও কারও দৃশ্যমান সমর্থনের মাত্রা দীর্ঘদিন যারা দলটির নিবেদিতপ্রাণ বা মেধাবী কর্মী, তাদের চেয়েও বেশি বলে ভ্রম হয়। Holier than Pope কথাটা হয়তো বা তাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তারা রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বিভ্রান্ত করতে সক্ষম হচ্ছে। সক্ষম হচ্ছে তাদের চিহ্নিত প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে। অবশ্য রাজনৈতিক নেতৃত্ব এখানে দূরদর্শী ও দৃঢ় হয়ে এ ধরনের সুবিধাবাদীদের হাত থেকে প্রশাসনকে বের করে আনা জরুরি হয়ে পড়েছে।

মেধাবী, দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনসেবকদের পদোন্নতি না দেওয়া, গুরুত্বহীন পদায়ন বা ওএসডি করে রাখা হলে সরকার ও জনগণই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ বৃত্ত থেকে বের করে আনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি থাকলেও এর বাস্তবায়ন এখনো দৃশ্যমান নয়। তবে স্বস্তির কথা, এ ধরনের বৈরী বলে চিহ্নিত কর্মকর্তাদের অবসর আইনের ৯(২) ধারায় বাধ্যতামূলক অবসরের বিধানটি এ তিন বছরে প্রয়োগ হয়নি বললেই চলে। এটা অবশ্যই একটা ইতিবাচক পদক্ষেপ। মাঠ প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তাদের কেউ কেউ মাঝেমধ্যেই ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃত্বের অন্যায্য দাবি পূরণে অক্ষমতা বা দৃঢ়তা দেখালে তাদের হেনস্তা হওয়ার কথা জানা যায়।

কর্মকর্তারা এ ভূমিকা নিচ্ছেন সরকারের বিধিবিধানকে রক্ষা করার জন্য। আর এ ধরনের ঘটনার পর প্রায়শই সরকারের অবস্থান হয় তাদের বিপরীতে। এতে এ তরুণ কর্মকর্তাদের মনোবলে যে ভাটা পড়ে, এটা আমাদের নেতৃবৃন্দ একবারও ভেবে দেখেছেন কি? মাঠ প্রশাসনে আরেকটি বড় বিপত্তি, পুলিশের থানা পর্যায়ে কর্মকর্তাদের অনেকেই অবস্থার পাকে পড়ে অথবা সুবিধাভোগের লোভে পুলিশ সুপার অপেক্ষা অধিক অনুগত থাকছে স্থানীয় ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতৃত্বে। তাদের বদলি ইত্যাদিও এসব নেতার প্রভাবে হয়ে থাকে বলে ব্যাপক জনশ্রুতি রয়েছে। এতে বাস্তব অর্থেই পুলিশের চেইন অব কমান্ড বিপন্ন।

দেশের আইনশৃঙ্খলার মূল দায়িত্বে যারা, তাদের এ অবস্থা আশঙ্কার জন্ম দেয়। এসব ঐতিহ্য দূর হওয়া দূরে থাকুক, জোরদার হতেই দেখছি। অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে জনপ্রশাসনের, এটা উপলব্ধি করে এর সমাধানের রাজনৈতিক অঙ্গীকার আজ সময়ের দাবি। জনপ্রশাসনের রাজনৈতিকীকরণের ফলে প্রশাসনের ওপর ক্ষমতার বাইরে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থার সংকট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ডেকে এনেছিল। লাখ দুই ভোটারের সমন্বয়ে গঠিত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলার জন্য সেনাবাহিনী তলবের দাবি আছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাইছি না। তবে দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন করার জন্য জনপ্রশাসনের সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত অবস্থান আবশ্যক হবে। এ অবস্থান তৈরিতে উদ্যোগ নেবে সরকার আর নিজেদের ভূমিকাকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে নিতে সচেষ্ট হবে সমগ্র প্রশাসন; এটা আশা করা অযৌক্তিক হবে না। বৃহৎ বলয়ে এ ধরনের তেমন প্রচেষ্টা এখনো লক্ষণীয় নয়। তবে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সমগ্র জনপ্রশাসন (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এরই অংশ) নিজেদের সেরূপ প্রশংসনীয় ভূমিকায় তুলে ধরতে সক্ষম হয়।

এটা একটা শুভ সূচনা। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিত্যনতুন ধ্যান-ধারণা রাষ্ট্র পরিচালনায় আসছে। এসব ধ্যান-ধারণার সঙ্গে পরিচিতি ও চর্চার জন্য জনপ্রশাসনে অব্যাহতভাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখার আবশ্যকতা রয়েছে। দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় আলোচনায় আমাদের কর্মকর্তাদের পেছনের সারিতে অবস্থান শুধু ইংরেজি ভাষা জ্ঞানের স্বল্পতা নয়, বরং মূল বিষয়টিতে দখলের অভাব। আমাদের চেয়ে কথ্য ইংরেজিতে দক্ষতা কম থাকা সত্ত্বেও জাপান, চীন, কোরিয়া সেসব দেনদরবারে সামনের সারিতেই থাকছে শুধু মূল বিষয়টিতে তাদের গভীর দখলের জন্য।

অবশ্য আমি বলতে চাইছি না, ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে কর্মকর্তাদের কথ্য ইংরেজিতে দখলের আবশ্যকতা নেই। আধুনিক বিশ্বে ইংরেজি একটি ভাষার পাশাপাশি একটি প্রযুক্তি হিসেবেও আবির্ভাব ঘটেছে। অবশ্য এসব বিষয়ে ঘাটতির জন্য রাজনীতিবিদদের দায়ী করা যাবে না। আমাদের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দ্রুত বিষয়গুলোর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে মধ্য পর্যায়ে এ ধরনের একঝাঁক কর্মকর্তা অব্যাহতভাবে তৈরির কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। বিগত তিন বছরে এ ধরনের উদ্যোগ অতীতের মতো প্রান্তিক পর্যায়েই।

বর্তমান সরকারের তিন বছর শাসনামলে জনপ্রশাসনে সবচেয়ে ইতিবাচক অবদান প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের চাকরির বয়সসীমা ৫৭ থেকে ৫৯-এ উন্নীতকরণ। এ যৌক্তিক দাবিটি বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ফল উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছিল। সরকারের পদক্ষেপটি অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের আরও দুই বছর চাকরির সুযোগ করে দিল। হয়তো বা এতে অনেক অযোগ্য-অদক্ষ কর্মকর্তাও সে সুযোগ পেলেন। মধ্য পর্যায়ে পদোন্নতি কিছুটা স্তিমিতও হতে পারে।

তবে সামগ্রিক বিবেচনায় বিষয়টির সুফল ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী। দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের দুই বছর অধিক সেবা পাবে সরকার তথা জনগণ। সমগ্র জনপ্রশাসনের মনোবল চাঙা করতেও এটা শুভ প্রভাব রাখবে। অবশ্য বিষয়টির সুফল পুরোপুরি নিতে হলে যথাসময়ে স্বচ্ছ পদ্ধতিতে পদোন্নতি আর যথোপযুক্ত পদে পদায়ন করতে হবে। নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে (যুগ্ম সচিব ও তদূর্ধ্ব) একজন কর্মকর্তার বারো থেকে পনেরো বছর চাকরি নিশ্চিত করা না গেলে যথাযথ দক্ষতা অর্জন ও সেবাদানে সক্ষম হবেন না।

সুতরাং জনপ্রশাসনে মনোবল ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সরকারের এ মূল্যবান প্রচেষ্টাটির প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি নিষ্পত্তি করে সর্বোচ্চ সুফলপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা আবশ্যক। জনপ্রশাসনকে দক্ষ, গতিশীল ও জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছার পাশাপাশি জনসেবকদের ভূমিকাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। জরাজীর্ণ অতীত আর সমস্যাসংকুল বর্তমান থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে বের করতে অনেক ক্ষেত্রেই তাদের অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। তাই আমার উত্তরসূরি Nanak Kanti Sen ২০১১.১২.৩১ ০৯:৪৬ নেতা দুর্নীতিগ্রস্ত হলে প্রশাসন দুর্নীতিগ্রস্ত হতে বাধ্য. ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.