আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বিশ্বাসের স্বাধীনতা ও দাফনের রাজনীতি ।

যাদের হাতে দলীল প্রমাণ কম তারা গালি দেয় বেশি আমি একজন মুসলমান । মনে করেন আমি আমেরিকায় গিয়ে সে দেশের শোষিত মানুষের পক্ষে কথা বলে, শোষক শ্রেণীর হাটে খুন হলাম। আমেরিকার কোটি কোটি মানুষ আমাকে শ্রদ্ধা সন্মান ভালবাসা জানাতে থাকল । এই ভালাবাসার প্রকাশ হিসেবে তারা কি আমাকে খ্রীষ্ট কায়দায় দাফন করবে ? এটা কি আমাকে/ আমার মতকে / আমার বিশ্বাসকে সন্মান জানান হল ? নিজের বিশ্বাসকে ধারণ করা ও কোন মত অবল্মবন করা এটা মানুষের খুবই স্বীকৃত একটা অধিকার । আর সমাজে কোন বিশৃংখলা অশন্তি দেখা না দিলে আপনি সে মতকে প্রচারও করতে পারেন।

এটাই সমাজের প্রচলিত রীতি । একটা মানুষ তার জীবন কালে যে মতের উপর চলেছে, মৃত্যুর পর তাকে ভিন্ন কোন মতের মোড়ক লাগান কতটা যৌক্তিক ? এটা সেই ব্যাক্তিকে, বা তার "নিজস্ব বিশ্বাস ধারণের স্বাধীনতা" বা " মত অবল্মবনের অধিকার" কে কতটা সন্মান করা হল ? জীবনের সব হিসেব চুকিয়ে ফেলার পর "একজন মানুষ" কি এই অধিকারটুকু পেটে পারে না, যে তার নিজস্ব মত - দৃষ্টিভংগী - বিশ্বাসের অনুগামী - অনুসারী হয়ে শেষ যাত্রাটা সম্পন্ন করবেন ? আমি বিশ্বাস করি আমার কথায় কোন যৌক্তিক ব্যক্তি ভিন্নমত পোষণ করবেন না । তবে বাস্তব দুনিয়ায় মৃত্যুর পর হাজীকে গাজী আর গজীকে হাজী বানানো নিরন্তন টানাটানি দেখা যায়- সচরাচর । কেন? বেচে থাকা লোকগুলোর কিছু রাজনৈতিক ( অথবা সামাজিক প্রভাব বিস্তার কারী উদ্দোগ )ফায়দা ছাড়া আর কিছুই বুঝে আসে না এ ব্যাপারে । দাফনের রাজনীতি, লাশের রাজনীতি ।

সুবহানাল্লাহ । মৃত্যুর পর পূন্য কামাইএর কি পূর্ন চেষ্টা ! ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।