আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

মাছির মস্তিষ্ক কম্পিউটারের চেয়েও দ্রুত কাজ করে

অতি ক্ষুদ্র প্রাণী মাছির মস্তিষ্কও অতি ক্ষুদ্র। এই ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক যে কত বিস্ময়কর তা কল্পনা করা যায় না। প্রাণিজগতের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত প্রাণী মাছি। এর মস্তিষ্ক হাইস্পিড কম্পিউটারের মতো। মাছির মস্তিষ্কের ইে বৈশিষ্ট্যের কারণে তার সামনের দৃশ্যমান সব বস্তু স্লো মোশনে দেখতে পায়।

ন্যাচার নিউরোসায়েন্স সাময়িকীতে নিউরোবয়লজির বিজ্ঞানীদের এক গবেষণার নিবন্ধ থেকে জানা যায়, ১৯৫৬ সালে একটা গাণিতিক মডেলের সাহায্যে মাছির মস্তিষ্ক কোনো কিছুর গতি এত দ্রুত ও নিখুঁতভাবে নির্ণয়ে সক্ষম যা অন্য কোনো প্রাণীর নেই। পরে বিভিন্ন গবেষণায় এই মডেলের ধারণাটি সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে। সামনের যে কোন দৃশ্য নির্ণয়ের জন্য মাছির মস্তিষ্কের যে অঞ্চলটি কাজ করে তার এক ঘনমিলিমিটারের ছয় ভাগের এক ভাগ মস্তিষ্কের মধ্যে রয়েছে এক লাখেরও বেশি স্নায়ুকোষ। স্নায়ুকোষের বৈদ্যুতিক ক্রিয়া সাধারণত অতি সূক্ষ্ম ইলেকট্রোড দিয়ে নির্ণয় করা হয়। মাছির ক্ষেত্রে অবশ্য বেশির ভাগ স্নায়ুকোষ ক্ষুদ্র হওয়ায় এ পদ্ধতিতে তা নির্ণয় করা সম্ভব নয়।

এই প্রতিকূলতা দূর করতে বিজ্ঞানীরা ফলের মাছির ড্রোসোফিলিয়া মেলানো গাস্টার এবং সর্বাধুনিক কিছু জেনেটিক পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। এ পরীক্ষায় দেখা যায়, মাছির স্নায়ুকোষের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও তা অতিমাত্রায় সক্রিয় এবং মাছি উড়ন্ত অবস্থায় থাকাকালে ইমেজের প্রবাহ নিখুঁতভাবে প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম। মাছিরা তদের পরিপার্শ্বের বস্তু সম্পর্কে বিপুল পরিমাণ তথ্য যেভাবে স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। তা কোনো কম্পিউটারও স্বল্প সময়ে করতে পারে না। এ রহস্য উন্মোচন অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে সম্ভব না হলেও আজ মাছির মস্তিষ্কের মোশন ডিটেক্টরের কোষগত গঠনবিন্যাস পরীক্ষা করা কারিগরিভাবে সম্ভব হওয়ায় উচ্ছবাস প্রকাশ করেছেন আলেকজান্ডার বোর্স্ট।

যিনি তার অনুসন্ধানে কাজ করে চলেছেন। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.