আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আইনি প্রশ্ন এবং প্রশ্নত্তোর! আপনিও প্রশ্ন করুন প্লিজ!

আমার নাম মন্জু, আমি সবাইকে আইনি সহায়তা দিতে চাই...

রিমান্ড/ স্বীকারোক্তি/সাক্ষ্য/শাস্তি আমরা প্রায়ই শুনে থাকি আজ থেকে ওমুক বা তমুকের ১০ দিনের রিমান্ড শুরু বা ধরুন এখন বাজার পেয়েছে সাকা চৌধুরীর ১০ দিনের পুলিশের চাওয়া রেমান্ডে ৫ দিন মন্জুর এবং ৫ দিনের রিমান্ড চলছে। আমাদের জানা উচিৎ এই রিমান্ড বিচারে শাস্তির ক্ষেত্রে বা সাক্ষ্য আইনে পুলিশের নিকট জবানবন্ধী কতটুকু গ্রহন যোগ্য । বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সব আলোচনার প্রেক্ষাপটে ২ টি ধারা সম্পর্কে আপনাদের জানা উচিৎ তা হলো: ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৬১ পুলিশ কতৃক সাক্ষীদের পরীক্ষাকরন। Examination of witnesses by police এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৬৪ বিবৃতি এবং দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধকরনের ক্ষমতা power to record statements and confessions এখন আমাদের জানা উচিৎ আইন অনুযায়ী রিমান্ডে নেওয়া জবানবন্ধী দিয়ে একজন আসামীর বিচার সম্ভব কিনা। এসব রিমান্ড /বিচার/ সাক্ষ্য অনেক সময় কাজের ফাকে জোকে মাথায় ঘোরপাক খেতে থাকে এবং এ ব্যাপার গুলো না বুঝলে খুব জটিল কনফিওসানে ভুগতে হয়।

এবার চলুন জেনে নেই আসল কাহিনী কি? রিমান্ড শব্দটি যেহেতু একটি ক্রিমিনাল চাপ্টারের সাথে জড়িত তাই আবারও সম্পৃক্ত কিছু আইন সম্পর্কে জেনে নেই। * Criminal procedure 1898 or ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে প্রনিত আইন * Evidence Act 1872 or সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালে প্রনিত আইন এবার ধারা গুলো আলোচনা করি- ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬১ হলো- থানায় নিয়ে বাম্বু বা মারপিটের মাধ্যমে যেভাবেই বলুন পুলিশ যে জবানবন্ধী গ্রহন করে তা সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী পুলিশের নিকট দেওয়া কোন জবানবন্ধী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রহন যোগ্য নয়। এবং সাক্ষ্য আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন তাও বিচারের ক্ষেত্রে গ্রহন করা যাবেনা । তবে একটি ব্যাতিক্রম আছে তা হলো পুলিশের হেফাজতে থাকা কালে অভিযুক্তের বা আসামীর কিছু তথ্যের ভিত্তিতে কোন আলামত পাইলে বা গ্রহন করলে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহন যোগ্য। বলতে পারেন তাহলে পুলিশ হেফাজতে নিলে এত আলোচনা বা সমালোচনা কেন ।

পুলিশ কেনই বা হেফাজতে নিয়ে এত কিছু করতে চায় । হে অবশ্য এটা জানার দরকার আছে তা হলো - আগেই বলেছি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন আসামী অনেক ধরনের তথ্য দিয়ে থাকে যেসব তথ্যের মাধ্যমে ঘটনার আলামত পাওয়া যায় এবং সহযোগী আসামীদের গ্রেফতারে সহজ হয়। এবার প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে কখন বা কোন সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামীকে শাস্তি দেওয়া যায়? ফৌজাদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের যে সাক্ষ্য নেয় তা দিয়ে দোষী ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া যাবে। এবার চলুন একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করি কি করে কি হয়েছে বা কোন আইন কি বলেছে। যদি আমার কোন ভুল থাকে তাহলে বলে দিবেন আমি সংশোধন করার চেষ্টা করব আর যদি আপনার কিছু জানার থাকে সাথে সাথেই ব্লগে কমেন্টস লিখে ফেলুন অথবা ই-মেইল বা মোবাইলে যোগাযোগ করুন or 0171- 3116213


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.