আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

হিগুয়েইনের নৈপুণ্যে ইতালিকে হারালো আর্জেন্টিনা

বুধবার রাতে রোমের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে নিজে একটি গোল করা ছাড়াও এভার বানেগার গোলে অবদান রাখেন হিগুয়েইন।
অতিথিরা ম্যাচের শুরুটা করে দুর্দান্ত। বিশেষ করে স্বাগতিকদের রক্ষণভাগকে বারবার বিপদে ফেলেন হিগুয়েইন। ম্যাচের ২১ মিনিটে ইতালির গোল থেকে ৩৫ গজ দূরে বল পেয়ে বুটের বাইরের অংশ দিয়ে হিগুয়েইনের দিকে এগিয়ে দেন এরিক লামেলা। ডি রসিকে কাটিয়ে বুফনকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন নাপোলির এই স্ট্রাইকার।


এক গোল হজম করে সিজার প্রানদেল্লির শিষ্যরা জ্বলে উঠলেও সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি।
মধ্য বিরতিতে দারুণ খেলা লামেলাকে উঠিয়ে এভার বানেগাকে মাঠে নামান আলেসান্দ্রো সাবেইয়া, তবে তা দলের জন্য মঙ্গলই বয়ে আনে। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর চার মিনিটের মাথাতেই হিগুয়েইনের বাড়ানো বলে গোল করে ব্যবধান বাড়ান বানেগা।
দুই গোল হজম করা বুফনকে ৫৫ মিনিটে তুলে নেন কোচ। গোলে এসেই ফেদেরিকো মারচেত্তি দুটি নিশ্চিত গোল বাঁচান।


ম্যাচের ৬০ মিনিটে মাঠ থেকে হিগুয়েইনকে তুলে নেয়ার আগ পর্যন্ত ইতালির রক্ষণভাগকে তটস্থ রেখেছেন তিনি।
ম্যাচের ৬৮ মিনিটে আলবের্তো আকুইলানি আর্জেন্টিনার জালে বল জড়িয়ে দিলেও তা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
খেলা শেষ হওয়ার ১৫ মিনিট আগে ইতালির হয়ে সান্তনাসূচক গোলটি করেন লরেঞ্জো ইনসিনে। এরপর একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও গোল পায়নি ইতালি। উল্টো আরেকটি গোল খেয়ে যেত তারা, যদিনা ৮৯ মিনিটে ফারনান্দেজের জোড়ালো শট ঠেকাতে না পারতেন মারচেত্তি।


১২ বছর পর মুখোমুখি হলো বিশ্বকাপে চরম প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ দু'টি। ১৯৭৮ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত টানা চার বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইতালি। এর মধ্যে ১৯৯০ সালে সর্বশেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইতালিকে হারিয়েছিল ডিয়াগো ম্যারাডোনার দল। এর পর কেবল ২০০১ সালে রোমে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল, যাতে আর্জেন্টিনা জেতে ২-১ গোলে।
এ ম্যাচের পর ইতালির সঙ্গে টানা চারটি ম্যাচেই অপরাজিত রইলো আলেসান্দ্রো সাবেইয়ার দল।


সোর্স: http://bangla.bdnews24.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।