আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আপনি কি আপনার বিয়ে নিয়ে খুব চিন্তিত ? আসুন , ভাল মন্দ মেশানো বিয়ে নিয়ে কিছু কথা শুনি । মজা পাবেন ।



আমার মাঝে বিয়ে নিয়ে সব সময়ই একটা ভয় কাজ করে । তারপরও মাঝে মাঝে মনে হয় বিয়েটা তো করতেই হবে তবে ভয় করে লাভ কি ? কিন্তু দূর্ভাগ্য , কাউকে বলতে কিংবা বোঝাতে পারিনা । কেউ যদি কিভাবে বিয়ে করব বা বাবা মাকে কি করে বুঝাব যে আমার বিয়ে করা জরুরি ? এজাতীয় প্রশ্ন করে তখন নিজেকে পন্ডিত সাজাতেও কমে ছাড়িনা । আসুন , আপনাকেও কিছু টিপস দেই । কাজে লাগাতে পারলে ঘরে বউ আসবেই ।

★বিয়ে করার কৌশল★ ১. আপনার শোয়ার খাটটা যদি বড় হয় কেটে অর্ধেক করে ফেলুন। কেন কাটছেন এমন প্রশ্ন এলে বলবেন একজন মানুষ এত বড় খাট দিয়ে কী হবে? ২. তরকারিতে ঝাল বেশি লবণ কম এ জাতীয় অজুহাত দিয়ে দু এক বেলা না খেয়ে থাকার অভ্যাস করুন। ৩. মাঝে মাঝে কয়েকটা রাত যাযাবর স্টাইলে বাইরে কাটিয়ে দিতে পারেন । ৪. তুমি আর কত কাজ করবে, তোমার এবার বিশ্রামের প্রয়োজন এ জাতীয় কথা বলে মাকে বুঝিয়ে দিন একটা পরের মেয়ে ঘরে এলে তোমার কাজগুলো করে দিত। ৫. পাড়ার মেয়েগুলোকে টিজ করা শুরু করে দিন।

বাবা- মার কাছে বিচার যাবে তাতে হয়তো উনাদের টনক নড়তে পারে। তাতেও যদি কাজ না হয় তাহলে বুঝবেন, আপনার বাবা-মা এত তারাতারি আপনার অধঃপতন চান না। শেষকথা , বিয়ে করার পক্ষে আমি কখনোই না । আমি এটুকু বুঝতে পেয়েছি যারা বিবাহিত তাদের চেয়ে অনেক বেশি সুখে আছে যারা বিয়ে করেনি । বিয়ে করার প্রথম ধাপে আপনার যে আফসোসটা হবে তা হলো : মনে করুন আপনার বিয়ের তারিখ ঠিকঠাক ।

কনের বাড়ি গেলেন । বরকে স্বাগত বা গ্রহণ করার জন্য আপনি গেটের কাছে বেশ কিছু সুন্দরী ললনা পাবেন । যাদের দেখে আপনার মনে হবে এদের কাউকে বিয়ে করাটাই ভাল ছিল । এরা কত্ত সুন্দর !! আফসোসের শেষ থাকবেনা । আরেকটা আফসোস আপনাকে করতে হবে তা হলো , মনে করুন আপনি বিয়ে করেছেন ।

কোন এক কাজ করার জন্য নতুন বউকে রেখে আপনি বাইরে গেলেন । কাজ সেরে আপনি কোন হোটেলে গেছেন কিছু খেতে । ওয়েটার এলো মেনু নিয়ে । আপনি দেখতে দেখতে আপনার সবচেয়ে প্রিয় খাবারটি অর্ডার করলেন । খাবার আনতে ওয়েটার চলে গেল ।

আপনি হোটেলের আশপাশ লক্ষ্য করতেই দেখলেন আপনার পাশের টেবিলে কোন নতুন দম্পত্তি খুব মজা করে গল্প করছে আর কিছু একটা খাচ্ছে । ইতিমধ্যে আপনার খাবার চলে এলো কিন্তু তাতে আপনার একচুলও নজর নেই । সবটুকু নজর পাশের টেবিলে । অথচ , আপনার বউ বাড়িতে । এটা অনেকটা এমন যে , আপনার প্রিয় খাবারটিও যেমন অপ্রিয় তেমনি আপনার বউও অপ্রিয় হয়ে যাবে ।

আপনার বারংবার মনে হবে এমন একটা মেয়েকেই বোধহয় বিয়ে করা উচিত ছিল । যারা বিবাহিত তাদের অনেককেই বলতে শুনি , বিয়ে যে কি মজা । অথচ , তারচেয়ে বেশি বিবাহিত লোকগুলো বলে , এটা অনেকটা মাকড়শার জালের মত , প্রচন্ড বিরক্তিকর । একবার লাগলে ছাড়ানো খুবই কষ্ট । বিয়ে করা মানেই কিন্তু একটা ভিন্ন জগেত আপনার প্রবেশ করা ।

এই জগতে আপনার পদচারনার উপর নির্ভর করে আপনার সুখ দুখঃ এবং আপনার ভবিষ্যত্‍ । যত নেগেটিভ কিংবা পজিটিভ কথা বলিনা কেন এসবই নিজের কাছে । আপনি আপনার জগত্‍টাকে কিভাবে সাজাবেন তা আপনিই ভাল বুঝবেন । তবে , একটা কথা না বলে থাকতে পারছিনা তা হলো , বিবাহিত লোকেরা পূর্ণতৃপ্তি নিয়ে একটা কথা বলে যা শুনে আমার তক্ষুনি বিয়ে করার ইচ্ছে জাগে । তা হলো , সারাদিনের কাজ শেষে ঘরে ফেরার পর বউ আপনার জন্য সেঁজগুজে দরজা খুলে আপনারই পছন্দের কোন হাসি দিয়ে আপনাকে হাত ধরে ঘরে নিয়ে যায় , আনুষাঙ্গিক কাজ করতে নিজেকে সম্পূর্ণ আপনার জন্য বরাদ্দ করে তখন আর সারাদিনের কাজ করার অসহ্য ক্লান্তির কথা মনে থাকেনা ।

দিনের শুরুতে আবার কাজ করার শক্তিটা বেড়ে যায় । আপনিই বলুন , এই কথা শুনে কার ইচ্ছে করে একা থাকতে ? তেমনি আমারও করেনা । যাই হোক । ভাল থাকবেন । অনেকদিন পর মোটামুটি বড় করে একটা পোষ্ট দিতে পারলাম দেখে ভাল লাগছে।


সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে ১১ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.