আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ধেয়ে আসছে মহাসেন কতই না প্রস্তুতি।

ধেয়ে আসছে মহাসেন কতই না প্রস্তুতি। কিন্তু এই প্রস্তুতি কতটুকু সফল হচ্ছে? জাপানের মত উন্নত দেশও যেখানে ভূমিকা ঠেকাতে পারে না সেখানে আমাদের কতই না প্রচেষ্টা মহাসেনকে নিয়ে। কিন্তু কেউকি একবারও ভেবে দেখেছেন কে এই মহাসেনের স্রষ্টা কে? পৃথিবীতে যা ঘটছে তা মানুষের কামাইয়ের ফল। আধুনিক যুগে মানুষ ধর্ম থেকে আজ বহুদূরে তাই মহাসেনের মোকাবেলায় হাজার হাজার প্রস্তুতি। যে লোকগুলো মহাসেনকে নিয়ে দৌড়াচ্ছে তার ১০ ভাগের এক ভাগও যদি সৃষ্টিকর্তার দিকে ফিরে আসত তবে মহাসেনে অস্তিত্ব ধ্বংস হওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।

মিশর বিজয়ের পূর্বে নীল নদের ধর্ম ছিল একজন মেয়েকে সেখানে হত্যা করা হত এরপর পানির প্রবাহ শুরু হত। ওমর ইবনুল খাত্তাব রা: এর সময় যখন মিশর বিজয় হয়ে গেল তিনি নীল নদের কাছে এক চিঠি লিখেছিলেন । চিঠি সমুদ্রে ফালানোর আগেই সমুদ্রের পানি ফ্লো শুরু হয়েছিল.. পাহাড়ের আগ্নেয়গিরী লাঠির আঘাতে চিরতরে বন্ধ হয়ে গেছিল। সমুদ্রের উপর দিয়ে দশ হাজার সৈন্য বিনা নৌকায় পার হয়ে গেছিল। আর ফেরাউনের ঘটনা কে না জানেন? যার মমি একনও মিশরের পিরামিডে বিদ্যমান ।

যেগুলো দিনের আলোর মত স্বচ্ছ। সেই আল্লাহ এখনও আছেন। আর এ জামানাতেও হয়... এইত ৪-৫ বছর আগে একবার আমাদের গ্রামের বাড়িতে এলাকায় বৃষ্টির অভাবে ফসল মারা যাচ্ছিল, মনে আছে মাইকিং করে সবলোককে মাঠে আনা হল..আমাদের মোনাজাত শেষ হতে না হতেই বৃষ্টিতে ভিজে সবাই বাড়ি এসেছিল। কত বড় বিজ্ঞানী আমরা, সৃষ্টিকতার্র প্রদত্ত শক্তি আগুন, বাতাস, পানি কোনটাকেই এই পর্যন্ত নিয়ন্ত্রনে আনতে পারলাম না। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।