আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ঘরোয়া দাওয়াই



প্রতিদিনের ছোটখাটো কাটাছেঁড়া, অসুখ-বিসুখে অনেক সময় ডাক্তার না দেখালেও চলে। চটপট উপশমের জন্যে শিখে নিন কিছু অব্যর্থ ঘরোয়া দাওয়াই। কাটা-ছেঁড়ায় ** কোথাও কেটে গেলে ক্ষতের উপরে মধু লাগিয়ে দিন। দেখবেন, জ্বালাপোড়া ও ফোলা কমে যাবে। রক্ত পড়তে থাকলে ওখানে বেশ খানিকটা নস্যি টিপে ধরুন, দেখবেন রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেছে।

** কোথাও পড়ে গিয়ে চামড়া ছেঁচে গেছে কিন্তু কাটেনি, সেখানে বরফ পানিতে ভেজানো তুলো চেপে চেপে লাগান। ** পড়ে গিয়ে হাঁটু, কনুই কেটে-ছিঁড়ে গেলে, অনেক সময় দেখা যায়, কাটা জায়গায় ধুলো-ময়লা লেগে গেছে। কাটা জায়গাটা পানি ও সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন, নয়তো ইনফেকশন হতে পারে। এরপর শুকনো তোয়ালে দিয়ে হালকা হাতে চেপে চেপে শুকিয়ে নিন। তারপর কেটে যাওয়া স্থানে অ্যান্টিসেপটিক মলম বা লোশন লাগান।

মনে রাখবেন, কেটে যাওয়া স্থানে কখনোই তুলো লাগাবেন না। সর্দিকাশিতে ** রাতে বাচ্চাদের অনেক সময় নাক বন্ধ হয়ে যায়। দুই চামচ সর্ষের তেল এক চিমটি কালোজিরা হাতের তালুতে রগড়ে তেলের ভেতরে দিয়ে দিন। তেলটা ফুটে উঠলে ছেঁকে নিয়ে আঙুলে করে বাচ্চার নাকের দু’পাশে মালিশ করে দিন। দেখবেন, নাক বন্ধ ছেড়ে যাবে।

** সর্ষের তেল গরম করে, রাতে শুতে যাওয়ার সময় বাচ্চার বা বড়দের হাতপায়ের তালুতে ভালো করে মালিশ করে পতলা চাদর দিয়ে হাত-পা ঢেকে দিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকটা আরাম পাবে। ** বাচ্চাদের নাক দিয়ে অনেক সময় পানি পড়তে দেখা যায়। পরিষ্কার এক টুকরো কাপড় খানিকটা কালোজিরা বেঁধে, কালোজিরার পুঁটলি বানিয়ে ওর হাতে দিন। মাঝে মাঝে শুঁকতে বলুন।

** কাশি হচ্ছে? চটপট কাশি থেকে রিলিফের জন্যে টাটকা লেবুর রস, মধু আর গ্লিসারিন সমপরিমাণে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ১ চা চামচ করে দিনে ২-৩ বার খেতে হবে। কাশির সঙ্গে সর্দি বা গলা ব্যথাও থাকলে, সামান্য মধু আর খাঁটি ঘিয়ের সঙ্গে গুঁড়োমরিচ মিশিয়ে নিন। এরপর এক কাপ গরম দুধের সঙ্গে এই মিশ্রণটি মিশিয়ে ঠিক রাতে শুতে যাওয়ার আগে খেয়ে নিন। নানান ধরনের ব্যথায় ** প্রতিটি মানুষেরই কমবেশি মাথা ব্যথা হয়।

বেশির ভাগ সময় ঠান্ডা লাগলে মাথা ব্যথা করে। একটি প্যানে পানি ফোটান। ধোঁয়া ওঠা ফুটন্ত পানিতে এক চামচ হলুদ আর এক চিমটি কর্পুর মিশিয়ে সেই ধোয়াটা ইনহেল করুন। দেখবেন, মাথা ব্যথা ছেড়ে গেছে। ** হঠাত্ করে পা মচকে গেছে? সঙ্গে সঙ্গে কোল্ডপ্যাক লাগান, প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে।

তারপর আবার ঘণ্টাখানেক ধরে গরম প্যাক লাগান। এরপর ব্যথার জায়গাটা উঁচু করে তুলে রাখুন সুত্র- ইন্টারনেট

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।