আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ফাঁসি চাই না ব্রাস-ফায়ার চাই

ছবি বাংলাদেশ কি আসলেই মানবতাবাদী দেশ। মানবতাবিরধি অপরাধের বিচারের রায় এই মরালের ভিত্তিটা এক্কেবারে নাড়িয়ে দিয়েছে। সোনার বাংলা গড়ার জন্য ১৯৭১ সালে আমার পূর্বপুরুষেরা যুদ্ধে গিয়েছিল। হ্যাঁ যুদ্ধ, যেখানে যাওয়া মানে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা। তবুও দেশকে ভালবাসে বলে বলেই তারা গিয়েছিল।

কেউ তাদের বলেনি আয় যুদ্ধে গেলে তোদের প্রতিদিন ১০০ করে টাকা দেব কিংবা ঢাকা – ব্যাংকক –ঢাকা বিমানে ঘোরার বেবস্থা করব। তারা যুদ্ধে গেছে একটা স্বাধীন ভূখণ্ডের জন্য। এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আর টানলাম না। সেই যুদ্ধে যদি এই দেশের মানুষগুলোকে এই দেশেরই কোন নরখাদক মেরে ফেলে , তাদের মা- বোনকে রাসলীলার সামগ্রী বানায় তাহলে তাদের ত জ্যান্ত পুতে ফেলা উচিত। আমার পূর্বপুরুষ এই ভুলটাই করেছিল।

তারা দেশ স্বাধীন করেছিল কিন্তু দেশদ্রোহীদের মাপ করে দিয়াসিল। সেই ভুলের মাসুল দিয়াছি ২০০১ সালে। যারা বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে, নিরিহ মানুষগুলোকে জবাই করেছে, বাংলার সতি নারীদের ধর্ষণ করেছে সেইসব কুত্তার বাচ্চারা হয়েছে মন্ত্রী। তাদের গাড়িতে উড়েছে লাল- সবুজের পতাকা। শহীদদের সম্মান ভুলন্থিত করে তারা করেছে দেশ সেবার মত মহান কাজ।

যাদের দেশ ত্যাগ করা জায়েজ ছিল তারাই হল দেশপ্রেমিক। রক্তে ভেজা স্বাধীনতাকে লিখা হল গৃহযুদ্ধ। হায়রে মানবতা। আজ আমরা আমাদের জীবনের মুহূর্তগুলোকে কিংবতন্তি বানিয়া ফেলার আশায় ছিলাম। কিন্তু আজও ট্রাইব্যুনালের কাছে হার মানল মানবতা।

লজ্জিত করল গোঁটা জাতিকে। না আমরা আর লজ্জিত হতে চাই না। আমাদের পূর্বপুরুষেরা যেই ভুল করেছে ধর্মকে পুঁজি করে চলা কুত্তাগুলকে শায়েস্তা না করে আমরা তার বদলা নেব। এই বাংলার মাটিতে যুদ্ধ অপরাধীর ফাঁসি নয় ব্রাশ –ফায়ার চাই......... জয় হোক মানবতার। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.