আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ফিফা সংক্রান্ত স্ট্যাটাসগল্প ১

কিচ কিচ কুচ কুচ কাচ কাচ কোচ কোচ!!! প্রাতঃকৃত্য সারতে জঙ্গলে গিয়েছিলাম। কায়দা করে বসে সবে লুঙ্গিটা তুলতে গেছি, এমন সময় হঠাৎ পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গেলাম। আমি সাঁই সাঁই করে নিচে পড়া শুরু করলাম। মিনিটখানেকের ফ্লাইট শেষে যেখানে ল্যান্ড করলাম সেরকম জায়গা আমি জীবনেও দেখি নাই। আমি উঠে দাঁড়ালাম।

আমার প্রাকৃতিক বেগ কোথায় উবে গেল। আমি হাঁটতে শুরু করলাম। একটু দূরে গিয়ে দেখি মাথায় শিং অলা কারা যেন একসাথে কি করছে। বুঝলাম, দৈত্যদের দেশে এসে পড়েছি আমি। কাছে গিয়ে বললাম, "ভাইজানেরা কি করেন?" তারা আমাকে দেখে ভড়কে গেল।

তারপর একজন বলল, "ফিফা ১২ খেলি। " অবাক হয়ে গেলাম। ফিফা ১২ দৈত্যদের দেশে? ওহ মাই গড! আমি খেলা দেখতে বসে পড়লাম। দেখি শালা দৈত্য লিজেনডারি মুডে ১০ টা ২০ টা করে গোল দিচ্ছে। আমি দেখে টাসকিত হলাম।

কি তার জেতার রহস্য? আমি তো এমেচারেই ১০ টা গোল খাই। নাহ, এটা না জানলে জীবনই বৃথা। আমি দৈত্যদের বশ করার মেটাকোড উচ্চারণ করলাম, "কা বো দা চো, কা বো দা চো। " ব্যস, যে দৈত্যটা ফিফা খেলছিল সে আমার বশে চলে আসল। বলল, "হু হু হা হা, হুকুম করুন মালিক, আমি আপনার তিনটা ইচ্ছার যে কোন একটা পূরণ করব।

বলুন, আপনি কি একশ একটা সুন্দরীর মালিক হতে চান?" আমি নিরস কণ্ঠে বললাম, "না। " দৈত্য বলল, "আপনি কি বিশাল প্রাসাদের মালিক হতে চান?" আমি আরও নিরস কণ্ঠে বললাম, "না"। দৈত্য ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বলল, "সাধু সন্ন্যাসী নাকি আপনি? মেয়েমানুষ প্রাসাদ কিছুই চান না! তাহলে আপনি চান টা কি?" আমি বললাম, "আমাকে লিজেনডারিতে ১০ টা ২০ টা গোল দেবার তরিকা শিখিয়ে দাও। " দৈত্য তার ল্যাপটপ আর জয়স্টিক এনে আমার হাতে দিয়ে বলল, "খেলতে থাকেন, একসময় নিজেই শিখে যাবেন। " আমি বললাম, "কতক্ষণ খেলব।

" দৈত্য বলল, "আমি তো সাড়ে পাঁচ হাজার বছর এক নাগাড়ে খেলেছি। আপনি না হয় পঞ্চাশ বছরই খেলুন!!!" ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.