আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ইনসাইড ম্যান

সাহিত্যের সাইটhttp://www.samowiki.net। বইয়ের সাইট http://www.boierdokan.com

সিনেমাটর শুরুতে ভেবেছিলাম কোনো একটা গড়বড় হয়েছে। স্পাইক লির ছবিতে দিল সে ছবির ছাইয়া ছাইয়া... আসবে কোথা থেকে? পরে খোঁজ নিয়ে দেখলাম ঘটনা তা-ই। এই ছবির টাইটেল ও এন্ডিং সঙ ছাইয়া ছাইয়া। বোম্বের পথ ধরে হলিউডেও হয়তো সামনে আইটেম সঙ দেওয়া শরু হবে।

অটোমেটিক মুচকি হাসি পেল। এ আর রহমানের নতুন ব্যবহার আবিষ্কৃত হলো এই ছবির মাধ্যমে। ইনসাইড ম্যান এক রহস্যময় ব্যাংক ডাকাতির গল্প। দক্ষ একটি ডাকাত দল ব্যাংকে ঢুকে এ কর্মকর্তা, কর্মচারী, কাস্টমার সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। ইনফ্রারেড বোমার সাহায্যে ব্যাংকের ক্যামেরা বিকল করে দেয় তারা।

জিম্মিদের পোশাক খুলে নিয়ে নিজেদের মতো পোশাক পরায় তাদের। জিম্মি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার দায়িত্ব পান পুলিশের দক্ষ ডিটেকটিভ ফ্রেজার। জিম্মি কাহিনীর উত্তেজনাকর পরিস্থতির মধ্যে চতুর ব্যাংক ডাকাত ডালটনের সঙ্গে ইঁদুর-বিড়াল খেলা চলতে থাকে ফ্রেজারের। এ খেলা যখন জমে উঠেছে তখন আবির্ভাব ঘটে ক্ষমতাধর নারী ম্যাডেলিন হোয়াইটের। তার নিয়োগকর্তা ব্যাংকের মালিক।

মালিক এমন একটি ডকুমেন্ট ডাকাতদের হাত থেকে বাঁচাতে চায় যা প্রকাশিত হলে তার জীবনের কালো অধ্যায়টি প্রকাশিত হয়ে পড়বে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি সহযোগিতা করেছিলেন নাজি এক ব্যাংকারকে। পরে ব্যাংকটি দখল করে নেন তিনি। ম্যাডেলিন হোয়াইটের আগমনে বাষ্পীভূত পরিস্থিতিতে নতুন উপাদান যুক্ত হয়। কিন্তু মধ্যস্থতা করতে গিয়ে ম্যাডেলিন বুঝতে পারে ব্যাংক ডাকাত তার আসার উদ্দেশ্য আগে থেকেই জানে।

বুদ্ধিমান ডাকাত রাসেল জিম্মিদের সঙ্গে ব্যাংক থেকে বের করে দেয় তার সঙ্গীদেরও। নিজে ব্যাংকের ভেতর এক সপ্তাহ থাকার ব্যবস্থা করে। কোনো রক্তপাত, লুট বা ধ্বংসাত্মক ঘটনা ছাড়াই জিম্মি পরিস্থিতির অবসান ঘটায় সন্দেহ হয় ফ্রেজারের। তিনি লেগে থাকেন বিষয়টি নিয়ে। জানতে পারেন, এ ডাকাতির পেছনে আছে মূল্যবান একটি হিরার প্রসঙ্গও।


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।