আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বহু গ্রামে আগাম ঈদ

এসব এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই ঈদসহ অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন আরবের সঙ্গে মিল রেখে।
মঙ্গলবার ঈদুল আজহা বা কুরবানির ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার পর দেশের ১১ জেলার একশ’র বেশি গ্রামে পশু কোরবানি দেয়া হয়।
এর আগে এসব অঞ্চলের মুসল্লিরা একদিন আগেই ঈদুল ফিতরের রোজা ও ঈদের অনুষ্ঠানিকতা পালন করেছিলেন।
শরীয়তপুরের ৩০ গ্রামে ঈদ
শরীয়তপুরের সুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা শরীয়তপুর জেলার ৪ উপজেলার ৩০টি গ্রামে আগাম ঈদুল আজহা পালন করেন। মঙ্গলবার অন্তত ১০ হাজার ভক্ত এ ঈদের নামাজে অংশ নেয় বলে জানা গেছে।


সুরেশ্বর পীরের মুরিদ আবদুর আলিম চৌকিদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রায় একশ’ বছর  দরবারের সব ভক্ত ও তাদের মুরিদানেরা একই নিয়মে ঈদ উৎসব পালন করে।
নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর, চন্ডিপুর, ইছাপাশা, ঘড়িষার, কদমতলী, বালাখানা, নশাসন, ভুমখারা, ভোজেশ্বর, জাজিরা উপজেলার কালাইখার কান্দি, মাদবর কান্দি, সদর উপজেলার বাঘিয়া, কোটাপাড়া, বালাখানা, প্রেমতলা, ডোমসার, শৌলপাড়া, ভেদরগঞ্জ উপজেলার লাকার্তা, পাপরাইল ও চরাঞ্চলের ১০টি গ্রামসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের অন্তত এক হাজার পরিবারে ১০ হাজারেরও বেশি নারী-পুরুষ আগাম ঈদে অংশ নেয়।
চাঁদপুরে অর্ধশত গ্রামে ঈদ
চাঁদপুরের পাঁচটি উপজেলার ৫০ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা।
হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফের বর্তমান পীর আবু জোফার মো. আবদুল হাই বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আরব বিশ্বের সাঙ্গে মিল রেখে তারা ঈদসহ ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করেন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।


যেসব গ্রামে ঈদ উদযাপিত হচ্ছে: হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলীপুর, বলাখাল, মনিহার, ভোলাচোঁ, জাক্নি, সোনাচোঁ, প্রতাপপুর, বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার উভারামপুর, উট্তলী, মুন্সিরহাঁট, মূলপাড়া, বদরপর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচর, বালুথুবা, কাইতাপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, ষোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর; মতলবের দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী এবং শাহরাস্তি ও কচুয়ার কটি গ্রাম।
মুন্সীগঞ্জের ৭ গ্রামে ঈদ
আগাম ঈদে অংশ নিয়েছে মুন্সীগঞ্জের সাতটি গ্রামের প্রায় পাঁচ হাজার মুসলিম বাসিন্দা। সকালে গ্রামগুলোতে পৃথক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
গ্রামগুলো হচ্ছে- সদর উপজেলার আনন্দপুর, শিলই, নায়েবকান্দি, আধারা, মিজিকান্দি, কালিরচর ও বাঘাইকান্দির একাংশ।
ভোলার ১৪ গ্রামে ঈদ
ভোলার চার উপজেলার ১৪টি গ্রামে প্রায় ১০ হাজার মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে মঙ্গলবার  ঈদুল আজহা উদযাপন করছে।


এ অঞ্চলে বসবাসরত সুরেশ্বর দরবারের পীরের অনুসারি ও সাতকানিয়া পীরের অনুসারীরা আগাম ঈদ উদযাপন করে থাকে।
জেলার বোরহানউদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন ও তজুমদ্দিন উপজেলার ১৪ গ্রামে মানুষ এ ঈদ পালন করছে।
সকাল সাড়ে ৮টায় বোরহানউদ্দিনের মুলাইপত্তন গ্রামের মজনু মিয়ার বাড়ির দরজায়  ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কয়েক শ’ মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করেন। এছাড়াও পর্যায়ক্রমে চৌকিদার বাড়ি, পঞ্চায়েত বাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।


শেরপুরের  ৩টি গ্রামে আগাম ঈদ
শেরপুর সদর উপজেলার চরখারচর পূর্ব ও পশ্চিম পাড়া এবং নালিতাবাড়ি উপজেলার নন্নী মধ্যপাড়া এই ৩টি গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে।
এই ৩ গ্রামের মধ্যে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় চরখারচর পশ্চিমপাড়া গ্রামের সুরেশ্বর পীরের অনুসারীদের ঈদগাহ মাঠে। এখানে জামাত শেষে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত  হয়।

সোর্স: http://bangla.bdnews24.com

এর পর.....

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।