আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

শেষ লড়াইয়ে ইউরোপের ৮ দেশ

তবে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় আছে ১৯৯৮ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। ইউক্রেনকে ফিরতি লেগে শুধু হারালেই হবে না, জিততে হবে ন্যূনতম তিন গোলের ব্যবধানে।
প্লে-অফের ফিরতি লেগে পর্তুগাল-সুইডেনের ম্যাচটি শুরু হবে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে দুইটায় আর দুইটায় প্যারিসে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও ইউক্রেন।
প্রথম লেগে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নৈপুন্যে ১-০ গোলে জিতেছিল পর্তুগাল। আর ইউক্রেনের মাঠে ২-০ গোলে হেরেছিল ১৯৯৮ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স।


পর্তুগাল ও সুইডেনের লড়াই মানে আরো একবার ইউরোপের অন্যতম দুই সেরা স্ট্রাইকার জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ ও রোনালদোর সম্মুখ যুদ্ধ। যে লড়াইয়ে একধাপ এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবেন ২০০৮ সালের বর্ষসেরা রোনালদো।
ঠিক উল্টো অবস্থানে ইব্রা। গত শনিবার প্রতিপক্ষের মাঠে নিষ্প্রভ থাকায় হারের দায়ভার এড়াতে পারছেন না। যদিও প্রায়শ্চিত্ত্বের সুযোগ একটা পাচ্ছেন এবং তা অনুকূল পরিবেশেই।

কারণ খেলাটি যে হবে ঘরের মাঠ ‘ফ্রেন্ডস অ্যারেনা’র চেনা পরিবেশে।
এই মাঠে সুইডেনের পরিসংখ্যান বেশ ভালো। তার চেয়েও আশার খবর- এখানে খেলতে নামলেই দুর্দান্ত হয়ে ওঠেন ইব্রা। গতবছর অক্টোবর থেকে এখানে মোট ৮ ম্যাচে জাতীয় দলের হয়ে গোল করেছেন ১০টি। সফল এই স্ট্রাইকারকে ঘিরে সুইডিশরা তাই আশায় বুক বাধতেই পারে।


তবে একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়- বিশ্বকাপ নিশ্চিত করতে হলে এই ম্যাচে শুধু জিতলেই হবে না স্বাগতিকদের, ন্যূনতম দুই গোলের ব্যবধান রাখতে হবে।
সুইডেন যদি ১-০ গোলে জেতে তাহলে ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে এবং প্রয়োজনে টাইব্রেকারে। তবে পর্তুগাল যদি সুইডেনের মাঠে একটি গোল দিয়ে দেয় তাহলে দুই গোলের ব্যবধানে জয়ের বিকল্প থাকবে না ইব্রাহিমোভিচদের সামনে।
তাই সাফল্যের ব্যাপারে আশাবাদী পর্তুগালের কোচ পাওলো বেন্তো। পুরনো ভুল শুধরে আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে তিনি বলেন, “চিন্তার বিষয় হলো শুধু এই ম্যাচেই নয় পুরো বাছাইপর্বেই আমরা গোলের অনেক সুযোগ পেয়েছি কিন্তু গোলমুখে তা কার্যকর করতে পারিনি।

তবে আমার বিশ্বাস মঙ্গলবার আমরা ভালো করবো। ”
এদিকে ফ্রান্সের জন্য ম্যাচটি এককথায় বাঁচা-মরার লড়াই। যদিও ম্যাচটি তাদের নিজেদের মাঠে তবুও পরিসংখ্যান বলছে- বিশ্বকাপের টিকেট পাওয়টা খুব একটা সহজ হবে না। কারণ শুধু জিতলেই হবে না, ন্যূনতম তিন গোলের ব্যবধানে জিততে হবে।
২-০ গোলে ফ্রান্স জিতলে দুই লেগ মিলে স্কোর হবে ২-২।

সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময়ে খেলা গড়াবে।
পরিসংখ্যান অবশ্য ফ্রান্সের পক্ষে নেই। ইউরোপীয় অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফে আজ পর্যন্ত কোনো দল প্রথম লেগের দুই গোলের ব্যবধান ঘুচিয়ে বিশ্বকাপে যেতে পারেনি।
তবে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ফ্রান্সের স্ট্রাইকার অলিভিয়ে জিরুদ জানিয়েছেন, লক্ষ্যপূরণে তারা মরতেও প্রস্তুত।
এদিন ফিরতি লেগের অন্য দুই ম্যাচে গ্রিস খেলবে রোমানিয়ার মাঠে আর আইসল্যান্ডকে স্বাগত জানাবে ক্রোয়েশিয়া।


প্রথম লেগে গ্রিস ৩-১ গোলে রোমানিয়াকে হারিয়েছিল। আইসল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছিল।

সোর্স: http://bangla.bdnews24.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।