আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

মেঘনায় নৌ-বিহার

খুব ভাল মেঘনায় নৌ-বিহার পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে........ দিনটি ছিল ৬ই মার্চ, ২০১০। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রথম ‘নৌ-বিহার’। পূর্ব দিগন্তে সূর্যমামা লাল আভা ছড়িয়ে দেওয়ার আগেই ঘুমকে লোহার শিকলে বন্দী করে, জেগে ওঠি আমরা সদা জাগ্রত নবীন কূটনীতিকেরা। এরপর একে একে জমায়েত হতে থাকি আমাদের অনুপ্রেরণার কেন্দ্রবিন্দু (hub of inspiration) অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে। অপরাজেয় বাংলাকে আমরা আজ নতুন করে দেখলাম।

নিস্তব্ধ সকালে স্থিরভাবে দাড়িয়ে থাকা মূির্ত গুলো আমাদের যেন চোখের ভাষায় বলছে “মুক্ত বিহঙ্গের মত যেন তোমরা সবখানে ছুটতে পার, এজন্যই আমাদের এই ত্যাগ, তোমাদের এই যাত্রা শুভ হোক। ” আসলে তাই, স্বাধীনতার মাসে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি কৃতজ্ঞতায় মনটা ভরে গেল। মন থেকে দরদ উথলে পড়ল শহীদদের প্রতি ”এক সাগর রক্ত পেরিয়ে, বাংলার আকাশে রক্তিম সূর্য আনলে যারা, তোমাদের এ ঋণ কোন দিন শোধ হবে না....। যাত্রা শুরু....... ইতিমধ্যে গ্রামীণ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসগুলো বোরাক হয়ে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। সদলবলে আমরা হুড়মুড় করে বাসে উঠে পড়লাম।

বাসের মধ্যে আমাদের CR (Class Representative)আজহারের সুপারভাইজার সূলভ আচরণে না হেঁসে পারলাম না। বাস ছুটে চলছে টি.এস.সির সড়ক দ্বীপ হয়ে সদর ঘাটের দিকে যেখানে আমাদের জন্য অপেক্ষা করেছে স্বপেড়বর টাইটানিক। মুহুর্তের মধ্যে আমাদের বাস মঞ্চে পরিণত হল। ক্লাসে প্রশ্নকারী খ্যাত রানার মুখ থেকে মুষলধারে বের হ‛েছ গানের ফোয়ারা। সেই সাথে রিমা, মৌ, বশির, লিনা ও ওয়াহিদের সমবেত সূরের মূর্চনায় ফুটপাতে দাড়িয়ে থাকা লোকগুলোর কে․তূহলী দৃষ্টি বার বার আমাদের বাসে ধাক্কা খা‛েছ।

আর আমি বেচারা একটু সামনের দিকে হওয়ায় তাদের সাথে পাল্লা দিয়ে সুবিধা করতে পারছিলাম না। তাই মনে মনে বলিনু “আনন্দরে আনন্দ তুই কোথায় থাকিস বল, তুই কি ভোরের বেলার শিশির টলমল, নাকি তুই আকাশের লক্ষ তারার মেলা.........। ” ভোরের রাজপথ, যানজট মুক্ত। কয়েক মিনিটেই পৌছে গেলাম কালের সাক্ষী বুড়ি গঙ্গার তীরে সদর ঘাটে, আমরা নাতি বাবুরা। টাইটানিকের বুকে.............. লঞ্চ টার্মিনালের কর্তাবাবুরা বললেন, লাইন দিয়ে ঘাটে ঢুকতে হবে।

কোথায় যায় লাইন ”প্রয়োজন আইন মানে না, আনন্দ বাধা মানে না। ” এই মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ তরুণ তরুণীরা ১ নং জেটিতে দাড়িয়ে থাকা টাইটানিকের দিকে ছুটে চলল সবাই। এবার প্রতিযোগিতার পালা কে কার আগে টাইটানিকের বুকে এঁকে দিতে পারে পদচিন্থ। আমার আগ্রহটা ছিল সবার চেয়ে আলাদা, কারণ এটাই হবে আমার জীবনের প্রথম লঞ্চ ভ্রমণ। এর আগে কখনো লঞ্চ ভ্রমণের সুযোগ হয়নি।

তাই সবার আগে ছুটে চললাম লঞ্চের দিকে। লঞ্চে যখন পা রাখলাম তখন মনে হল এইতো নীল আর্মষ্ট্রং হয়ে চাঁদের বুকে প্রথম পা রাখলাম। কিন্তু লঞ্চের ছাদের দিকে তাকিয়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল। লক্ষ্য করলাম ইতিমধ্যে আমাদের বিভাগের সবচেয়ে স্লিম এবং সুইট গার্ল মাইসা দত্য আরাফাতের পাশে দাঁড়িয়ে বিজয়ের হাসি হাসছে। সদরঘাট টু মোহনপুর আমাদের টাইটানিক কালাপানির রাজ্য সদর ঘাট থেকে চাঁদপুরের মোহনপুরের দিকে ছুটে চলছে।

আমরা যে কয়জন ছিলাম তাতে টাইটানিকের মন জোড়ায় না। তাই মাঝ নদী থেকে তাকে কালাপানি পান করত হলো। আমাদের নাবিক হরিধন বাবু অজানা কোন আইস বার্গের আশংকায় অত্যন্ত ধীর গতিতে টাইটানিককে এগিয়ে নি‛েছ। আমাদের টাইটানিক বুড়িগঙ্গার বুক চিরে, মেঘনা হয়ে এগিয়ে যা‛েছ মোহনপুরের দিকে। চলনা হারিয়ে যায় অজানাতে............ কালাপানির রাজ্য পেরিয়ে মুন্সিগঞ্জের তীর ঘেষে আমাদের টাইটানিক গতি পেয়েছে।

নদীর দু’ধারের আদিগন্ত সবুজের সমারোহ হাতছানি দিয়ে ডাকছে আমাদের, মোহনীয় ফসলের মাঠে কৃষাণ-কৃষাণীর কর্ম চঞ্চলতা, মধ্যদূপুরে রাখাল ছেলেদের ছায়ায় বিশ্রাম, নদীর মাটে পল্লী বালাদের আনা-গোনা, স্থানে স্থানে ছোট ছোট ডিঙ্গি নে․কায় জেলেদের মাছ ধরা আর বাতাসে দোল খাওয়া মনটাকে নাড়া দি‛েছ বার বার। পাশে দাড়িয়ে থাকা বন্ধু সাব্বিরের কণ্ঠ বাধ মানছে না যেন আর। সে আপন মনে গেয়ে উঠল “চলনা হারিয়ে যায় অজানাতে, যেখানে নদী এসে থেমে গেছে”। অমিতার চিৎকারে বর্তমানে ফিরে আসলাম। সে হাতের আঙ্গুলি নির্দেশে কি যেন দেখাতে চায়।

তার ভাব খানা এই রকম যে মাঝ নদীতে যেন ডুবো পাহাড়ের সন্ধান পেয়েছে। মুহুর্তের মধ্যে সবার মাঝে হাসির হিড়িক পড়ে গেল, লক্ষ্য করলাম একটি ছোট্র ডিঙ্গি নে․কায় বাংলা ছবির নায়ক নায়িকাদের মত খুব ক্লোজ হয়ে দুই জোড়া কপোত- কপোতী স্বপেড়বর রাজ্যে হাবুডুবু খা‛েছ। উল্লেখ তাদের সবার কিন্তু ছাতা ছিল। রিহার্সেল শুরু........... এদিকে অভিযাত্রীদের মাঝে টাইটানিক ছবির রিহার্সেল শুরু হয়ে গেছে। লঞ্চের ডেকে, ছাদে কেবিনে সবখানে চলছে বাংলা টাইটানিক ছবির রিহার্সেল।

বঞ্চিতদের তালিকায় আমরা যারা হাসান, রিয়াদ ও হিরোরা আছি আমরা কিন্তু দর্শকের ভূমিকায়। কথায় বলে” ক্ষুধার্ত লোকেরা অপরের খাওয়া দেখেও নাকি শান্তি পায়” আমাদের অবস্থাটাও তাই। সবাই অভিনেতা হলে দর্শক হবে কে? ইতিমধ্যে এক পশলা বৃষ্টির মত নাচের রিহার্সেল শেষ হয়ে গেছে। নাচ দেখে মনে হল সবাই কম-বেশী নৃত্য শিল্পে পারদর্শী। সবচেয়ে অবিভূত করেছে হিমু, আশা ও তানভীরের পারপরমেন্স।

এদিকে বিপ্লব বেচারা খুব বেশি লম্বা বলে সুবিধা করতে পারছিল না। তবুও নাচ দেখে বোঝা যায় টাইটানিকের নায়ক হওয়ার যোগ্য। লঞ্চের ডেকে বসে মেঘনার সাথে মিতালী করে হারিয়ে গিয়েছি কল্পনার রাজ্যে কত সুন্দর আমার প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ। নীল চাদরে মোড়ানো নীল আকাশ, ঝিরিঝিরি দক্ষিণা বাতাস, নদীর বুকের স্ব‛ছ নীল পানি, দূরে ছবির মত ছোট ছোট গ্রাম সব কিছু আমাকে মোহিত করছে। হৃদয় পটে জাগিয়ে তুলছে নতুন এক শিহরণ।

ভাবনায় ছেদ পড়ল প্রিয় বান্ধবী রিমার ডাকে, রাজ্যের হাসি মুখে টেনে সে আহ্বান করছে ডিজিটাল ক্যামরায় ফ্রেম বন্দী হওয়ার জন্য। রিমার আহ্বান বলে কথা। অবশেষে আমরা বঞ্চিতদের দল আমাদের শ্রদ্ধেয় দেলোয়ার স্যার, রুমানা ম্যাডাম, শ্রদ্ধেয় মানড়বান স্যার, শ্রদ্ধেয় তে․হিদ ও নিলয় স্যারের সাথে ফ্রেম বন্দী হলাম। ধর্মঘট........... এদিকে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ধর্মঘট শুরূ করে দিয়েছে। তাদের একদফা, এক দাবি পেটে কিছু দিতে হবে।

অন্যথায় তারা একযোগে পদত্যাগ করবে। এদিকে দেশী খাসির রোষ্ট, গে․বিন্দ ভোগের বিরানীর মে․ মে․ গন্ধ সেই দাবিকে জোরালো সমর্থন জানা‛েছ। রানড়বাও যে একটি শিল্প সেই দিনের খাবার না খেলে বুঝতাম না। পরে জানলাম রানড়বায় সিদ্ধহস্ত বাবুর্চি আলমাছ চাচার হাতে যাদু আছে। এদিকে একটানা পাঁচ পাঁচ টি গ্লাস বোরহানী খেয়ে নিয়মিত রেকর্ড সৃষ্টি করলেন আমাদের সকলের মুরূব্বী? ইয়া আলী।

এভাবে নানা সংযোগ ও বিচি্ছন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হল আমাদের খাবার পর্ব । দশানীর তীরে........ সকলের পেঁটে প্রয়োজনীয় রসদ পে․ছানো শেষ হতে না হতে আমরা পে․ছে গেলাম আমাদের গনÍব্যস্থল মোহনপুরের দশানীর লঞ্চ ঘাটে। লঞ্চ থেকে একে একে সবাই নামলাম। কেউ নদীর তীর ঘেষে পূর্ব দিকে; উদ্দেশ্য মেঘনার বুকে নিজেকে প্রমাণ করা, অ‣থই পানিতে সাঁতার ও ডুব দিয়ে মেঘনার অকৃত্রিম পরশে নিজেকে ধন্য করা। আমার কেউ কেউ ছুটল দশানীর মেঠো পথ ধরে।

সেই দলে লামিয়া,খালিদ, লিসা, লিভা, সানাম, বশির ও হাসানদের সাথে ছিলাম আমিও। চাঁদপুরের ছেলে হাসান তাদের জীবন যাত্রার বিভিনড়ব উপকরণের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দি‛েছ। কিছু কিছু উপকরণ দেখে রীতিমত ভূত দেখার মত চমকে উঠছে ক্লাসের রুমান্টিক ছেলে নিপুণ। সবচেয়ে অবিভূত হলাম মাছ ধরার বিচিত্র কৌশল ‘ছাই’ দেখে। দশানীর মেঠো পথে হাটছি-তো হাটছি।

চোখ জুড়ানো গাছের সারি, ছবির মত বাড়ি-ঘর, দিগন্ত প্রসারী ফসলের ক্ষেত দশানী গ্রামটাকে এক অপরুপ সাজে সাজিয়েছে প্রকৃতি তার আপন খেয়ালিতে। প্রকৃতির অপরুপ সে․ন্দর্য দেখছি নাকি গিলছি? দশানীর আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা আমাদের আজব চিডিয়ার মত দেখছে। এরই মধ্যে মেহবুবা সিরাজী দুষ্ট পাখির ভয়ে যথেষ্ট গাছের ছায়া থাকা সত্ত্বেও ছাতা মেলে ধরেছে। হাতে ছাতা, কাঁধে ব্যাগ তাকে রীতিমত গ্রামের ‘তথ্য আপার’ মত লাগছে। গ্রামের সহজ সরল মানুষের জীবন যাত্রা দেখে আমার নিজ গাঁয়ের কথা মনে পড়ে গেল।

মুহুর্তে শৈশবের দুরন্ত পনার স্মৃতি গুলো মনের গহীন থেকে চোখের পর্দায় ভাসছে গাঁয়ের প্রতি একটা আলাদা টান অনুভব করলাম। ঠোটের আগায় ছটফট করে একটি কথা বেরিয়ে আসল “অ.... আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা । ইতিমধ্যে সবার বুকে তৃষ্ণার আভাস দেখা দিয়েছে কিন্তু থলে তো খালি। হঠাৎ সুন্দর বনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার দেখার মত আঙ্গুলি নির্দেশ করছে মৌসুমি একটি নলকূপের দিকে। প্রতিযোগিতা পড়ে গেল কে কার আগে নিজের বোতলটা পূর্ণ করতে পারে।

সেই দিনই বুঝলাম বিভিন্ন রাষ্ট্র-চিন্তাবিদের Self interest পড়তে পড়তে আমরা কতদূর এগিয়েছি। কিন্তু একি সবার কন্ঠস্বর ভিজানোর আগে পানি গুলো বিদ্রোহী হয়ে বের হয়ে আসছে কেন? পরে আমাদের সাপ্তাহিক ‘গোলযোগ’ এর অনুসন্ধানী রিপোর্টার মুহসীন খানের কাছ থেকে জানলাম পানি গুলো একটু লবণাক্ত ছিল এই আর কি। ফেরার পালা....... ৯xm চ্যানেলের মত আমাদের time out। কখন যে ঘড়ির কাঁটা ঘুরে গেল বুঝতেই পারলাম না। এবার ফেরার পালা বিদায়ী ক্ষণগুলো কখনো মধুর নয়- তাই মনটা বিষন্নতায় ভয়ে গেল।

তবুও বিদায় জানাতে হয় আর এটাই মর্গেন্তুর থিওরির মত চরম বাস্তব। দশানীর প্রকৃতিক শোভা গায়ে মেখে পড়ন্ত বিকেলে তাকে আমরা বিদায় জানালাম। আল-বিদা দশানী। দশানীতে কয়েক ঘন্টা অবস্থানে তার প্রতি এক অশরীরী মায়া অনুভব করলাম হৃদয় পটে। ফেরার পথে লঞ্চের ডেকে শুরু হল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

খালিদ ভাইয়ের মহা-পরিকল্পনায় হুররাইন আপুর সাবলীল উপস্থাপনায় মেঘনার বুকে লঞ্চের ডেকে এক অন্যরকম আনন্দে মতোয়ারা সবাই। কারণ আজকের দিনটি শুধুই আনন্দের, শুধুই হারিয়ে যাওয়ার। অনুষ্ঠানের প্রথম গানটি গাইলেন মিষ্টি মেয়ে লিসা আর তাকে সাহায্য করল মেহজাবীন ও নিয়াজ। এছাড়াও বাঁধন আপুর নৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। এবার মিস ও মিষ্টার IR ঘোষনার পালা।

সবুজ ও জয় ভাই ঘোষনা করতে যা‛েছ মিস ও মিষ্টার IR ২০১০ । চারিদিকে পিনপতন নীরবতা সবার কান খাড়া কে হ‛েছন মিস্ ও মিস্টার IR। অবশেষে ঘোষিত হল তাপসী আপু ও রাজীব ভাইয়ের নাম। চারিদিকে খুশির বন্যা মুহুর্মুহু হাত-তালি দিয়ে তাদের স্বাগত জানাল সবাই, সাথে ইয়া বড় গিফট দিয়ে তাদের অন্যভাবে বরণ করে নেয়া হল। এরপর সামান্য নাস্তা বিরতি।

বিরতির পর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি প্রমাণ করেছেন আই. আরের ছাত্ররা শুধু আন্ত-রাষ্টীয় সম্পর্ক নিয়ে মেতে থাকেনা সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও রয়েছে তাদের দখল। সবার প্রিয় জয় ভাই “সত্যি বলছি” গান দিয়ে শুরু করলেন সূরের মূর্চনা। বাধ ভাঙ্গা জোয়ারের মত সবাই একযোগে জয় ভাইয়ের কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে মেঘনার আকাশকে ভারী করে তুলল। এভাবে হাসি আর আনন্দে শেষ হল অনুষ্ঠানের শেষ পর্ব। সূর্য ডুবে অন্ধকারে চেয়ে গেছে পৃথিবী।

দূর থেকে দেখা যা‛েছ ইলেকট্রিসিটির উজ্জল আলোতে হাসছে ঢাকা শহর। দেখতে না দেখতে আমরা ফিরে এলাম চির চেনা ঢাকা শহরে। হই-হল্লোড হাসি আর গানে শেষ হয়ে গেল জীবন নদীর একটি মুহুর্ত। মনে হল এই শতাব্দীর সবচেয়ে ছোট দিন কোনটি একথা কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করে তাহলে অকপটে বলে ফেলব ৬ই মার্চ, ২০১০। যে দিন স্মৃতির সবুজ ডায়রীতে যুক্ত হল আরেক টি পর্ব।

অবশেষে আমরা ফিরে এলাম নানা ঘটনা দুর্ঘটনার সাক্ষী ঢা.বি ক্যাম্পাসে। জীবনের ক্যানভাসে, মনের আঙ্গিনায় স্বর্ণালী ফ্রেমে চিরকাল বাধা রবে এই দিন। যে দিন মুক্ত বিহঙ্গের মত বাঁধনহারা হয়ে ছুটেছি সবখানে। খুব আপন করে পেয়েছিলাম কিছু মানুষকে। ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে ১১ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.