আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আবার মোহামেডানকে হারালো আবাহনী

ফেডারেশন কাপের গ্রুপ পর্বে মৌসুমের প্রথম মুখোমুখি লড়াইয়ে ২-০ গোলে জিতেছিল আবাহনী।

রোববারের জয়ে ৪ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে আবাহনীর অবস্থান দ্বিতীয়। এখনো কোনো ম্যাচ হারেনি তারা। অপরাজিত থাকার গৌরব ক্ষুন্ন হয়ে যাওয়া মোহামেডান সমান ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে রয়ে গেছে পঞ্চম স্থানে। ১২ পয়েন্ট নিয়ে লিগের শীর্ষে আছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব।



বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আবাহনীর জয়ের নায়ক ঘানার স্ট্রাইকার ওসই মরিসন। আবাহনীর মহামূল্যবান গোলটি তারই।

১৭ মিনিটে আবাহনীর ডিফেন্ডার আতিকুর রহমান মিশুর ক্রস মোহামেডানের ডিফেন্ডার মিন্টু শেখ বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা মরিসন জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন।

পুরো প্রথমার্ধ আবাহনীর প্রাধান্য ছিল। ৩৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণও করতে পারতো পেশাদার লিগের চারবারের চ্যাম্পিয়নরা।

কিন্তু মিশুর আরেকটি চমৎকার ক্রস থেকে ফরোয়ার্ড তৌহিদুলে আলমের শট মোহামেডানের গোলরক্ষক মামুন খান কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন।

৬৫ মিনিটে সমতায় ফিরতে পারতো মোহামেডান। কিন্তু বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেয়া মিডফিল্ডার হেমন্ত ভিনসেন্ট বিশ্বাসের দারুণ শট ক্রস বারের সামান্য ওপর দিয়ে চলে গিয়ে হতাশ করে ঐতিহ্যবাহী দলটিকে।

৮৫ মিনিটে আবার মোহামেডানের হতাশাজনক মুহূর্তের জন্ম। নাইজেরীয় মিডফিল্ডার ড্যামিয়েন চিগোজির ফ্রি-কিক থেকে ক্যামেরুনের ডিফেন্ডার বেইবেকের হেড ঠেকিয়ে আবাহনীকে বিপদ থেকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক শহীদুল আলম সোহেল।



এর তিন মিনিট পর পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন আবাহনীর ক্যামেরুনের মিডফিল্ডার ইউকো সাম্বনিক। মরিসনকে মোহামেডানের ডিফেন্ডার নাহিদুল ইসলাম বক্সের মধ্যে ফেলে দিলে রেফারি মিজানুর রহমান পেনাল্টির নির্দেশ দেন। কিন্তু সাম্বনিকের শট ঠেকিয়ে দেন মামুন খান।

শেষ মুহূর্তে আবাহনী আরেকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করে। গোলরক্ষককে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে মরিসন ফাঁকা পোস্টে বল পাঠানোর ঠিক আগে পেছন থেকে এসে মোহামেডানকে বিপদমুক্ত করেন এক ডিফেন্ডার।



মূল্যবান তিনটি পয়েন্ট পেলেও আবাহনীর ইরানি কোচ আলী আকবর পোরমুসলিমি রেফারিং নিয়ে ক্ষুব্ধ। খেলা শেষে তিনি বলেন, “রেফারির কিছু ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাব আমাদের খেলায় পড়েছে। নইলে আমরা আরো বড় ব্যবধানে জিততে পারতাম। তবে ছেলেরা ভালোই খেলেছে। ”

মোহামেডানের পর্তুগিজ কোচ রুই হোসে ক্যাপেলা বাতিস্তা বলেন, “প্রথমার্ধে তেমন ভালো খেলতে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধে আমরা কয়েকটা ভালো সুযোগ পেয়েছিলাম।

কিন্তু খেলোয়াড়রা তা কাজে লাগাতে পারেনি। তাই সমতায় ফেরাও সম্ভব হয়নি। ”

“হেরে যাওয়ায় আমাদের অবস্থা বেশ নাজুক হয়ে গেল। শীর্ষ দলের সঙ্গে আমাদের পয়েন্টের ব্যবধান এখন ৭। এই অবস্থা থেকে শিরোপা-লড়াইয়ে ফেরা খুবই কষ্টসাধ্য হবে।


সোর্স: http://bangla.bdnews24.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.