আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

‘টেস্টটিউব বেবি’র জনক রবার্ট এডওয়ার্ডসের মৃত্যু

২০১০ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেলজয়ী এ বিজ্ঞানী ১৯৫০ এর দশকে কৃত্রিম প্রজনন নিয়ে কাজ শুরু করেন। কৃত্রিম নিষেকক্রিয়া (আইভিএফ) নিয়ে তার অনবদ্য গবেষণার ফলেই ১৯৭৮ সালে জন্ম নেয় প্রথম ‘টেস্টটিউব বেবি’ লুইস ব্রাউন। এরপর থেকে তার উদ্ভাবিত প্রযুক্তিতে বিশ্বজুড়ে জন্ম নিয়েছে লাখ লাখ টেস্ট টিউব বেবি। এডওয়ার্ডসের গবেষণায় তার সঙ্গে কাজ করেন প্রয়াত প্যাট্রিক স্টেপটোয়ে। এডওয়ার্ডস প্রজননের ওপর তার কাজ শুরু করেন ১৯৫৫ সালে।

এরপর ১৯৬৮ সালে তিনি পরীক্ষাগারে টেস্টটিউবে ডিম্বানু নিষিক্ত করতে সক্ষম হন। এরপর তিনি একসঙ্গে কাজ শুরু করেন স্টেপটোয়ের সঙ্গে। ১৯৬০ ও ৭০ এর দশকে অনেক বাধাবিপত্তির মধ্য দিয়েও কাজ চালিয়ে যান দুজন। সংগ্রাম করে তহবিল সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত ডোনেশনের ওপর নির্ভর করে কাজ করেন তারা। ১৯৬৮ সালে গবেষণায় ওই সাফল্যের পর ১৯৭২ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করার সময় টেস্টটিউবে তৈরি ভ্রুণ মাতৃগর্ভে প্রতিস্থাপন শুরু করেন এডওয়ার্ডস ও তার সহযোগী।

কিন্তু তাদের এ প্রচেষ্টা প্রাথমিকভাবে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে নতুন এক প্রক্রিয়া কাজে লাগানোর পর এর পরের বছর ২৫ জুলাইয়ে জন্ম নেয় প্রথম টেস্ট টিউব বেবি। ১৯৮০ সালে কেমব্রিজে দুজনে মিলে বিশ্বের প্রথম আইভিএফ ক্লিনিক ‘বোর্ন হল’ প্রতিষ্ঠা করেন। ক্লিনিকটির নির্বাহী প্রধান মাইক ম্যাকনামি এডওয়ার্ডসের মৃত্যুকে ‘অন্যতম এক মহান বিজ্ঞানীর প্রয়াণ’ বলে অভিহিত করেছেন। বর্তমানে পশ্চিমা বিশ্বে ১ থেকে ২ শতাংশ শিশু আইভিএফ পদ্ধতিতে জন্ম নেয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


সোর্স: http://bangla.bdnews24.com     দেখা হয়েছে ১১ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.