আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা (পর্ব-৫)

সকল পরিবর্তনের সাথে আমি ছিলাম। আবারও এসেছি সেই পরম সত্য নিয়ে। তোমাদের মনের মাঝেই লুকিয়ে আছে সেই মহাকালের শক্তি। আজ তাকে জাগাবার দিন এসেছে।

বাংলাদেশ সহ পৃথিবির রাস্ট্রেই ভুমি ও বনভুমি এর তারতম্য অনেক বেশী চোখে পরার মতো।



বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, আমাদের দেশের পরিবেশ রক্ষা, ছাগল পালন, গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান সহ বিভিন্ন আযগোবি প্রচার পত্র বা প্রচারের লিফলেট বা শুধু কথা মানুষের কাছে পৌঁছায় ঠিকই কিন্তু কাজের কাজ হয় ঘোরার ডিম।

বাংলাদেশের ক্ষমতাসিন জানোয়ার পশু গুলো অত্যাচার, মিথ্যাচার, বাজে জ্ঞান, হিংসা, নিজেকে বিশাল বড় করে দেখা সহ বিভিন্ন মানুষিক ও মানবিক ননগুন অর্থাৎ দোষের মধ্যেই রয়ে গেছে। যা উপকারি তার উপর আঘাত করতে বিন্দু মাত্র কার্পন্য করে না। যার লেটেস্ট প্রমান আমার সাথে এখন পর্যন্ত আচরন। যা সম্পূর্ণ বাজে ও মানুষের নিতিবহির্ভুত।

এজন্য আমাকে নিয়ে এহেন বাজে আচরনের সাথে যে সব বাঙালি জড়িত ছিলো তাদের আমি মানুষ হিসেবে ব্যাক্তিগত ভাবে ঘৃনার চোখেই দেখছি।

যাই হোক, আমাদের প্রাইমারি স্কুল, হাই স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মজসিদ নামক ভবনের খতিব নামধারি ছাড়াও অন্য কিছু সরকারি পেশা আছে যাদের ঐ সব পেশায় প্রোপার মেন্টালিটি এক্সপার্টনেস নাই তারপরও জনবল সংকট, পিছনের ভুল ত্রুটি ও পারিবারিক কথা ভেবে এদের মধ্য থেকেই ফিল্টারিং করে জনবল নামক কিছু জঞ্জাল রাখা ছাড়া উপায় দেখছি না। লক্ষ করে দেখবেন এই সব পেশার কর্মকর্তা বা কর্মচারি নামক মানুষ গুলোর ছুটি থাকে অন্যান্য পেশার থেকে খানিকটা বেশি।

এই ছুটির সময়ে তারা কল্যানের দিকে না ছুটে বাজে, শয়তানি কাজ কারবার, সমাজে বাজে মিথ্যা রটনা, শিশু ধর্ষন করা ও ধর্ষনে সহযোগিতা করা, মানুষকে বাজে ভুল পরামর্শ দেয়া সহ বিভিন্ন শয়তানের কাজ করে চলছে। যা আমাদের সুন্দর সমাজটির উন্নতিতে সব সময় অদৃষ্য দুর্ভেদ্য দেয়ালই হয়ে উঠেছিলো মুলত আজও তা বিরাজমান।


এখন থেকে প্রতিটি শিক্ষক ও এটাইপের মানুষদের কথা না বলে কাজের মধ্যে রাখুন। তাদের রুটিন ওয়ার্ক বেঁধে দিন। কোনো প্রকার ছাড় দেয়া যাবে না। এই সব পশুরা এখন থেকে যেটুকু সময় নিজ পেশাকর্ম থেকে ফাঁকা পাবে গাছ পালা লাগাবে। নিজেদের হাতে।

পরিচর্যা করবে নিজেদের হাতে। তারপর বেতনের চিন্তা। টার্গেট দিয়ে দিন যাতে এই অসভ্য চামচা জানোয়ার গুলো ভালো কাজ করতে করতে অন্ততো বোঝে যে, কোন পথ ভালো। এমন বর্বর পরিবেশে এই সব ব্যবস্থা গ্রহন করতে না পারলে সরকারে থেকে সরকারি বেতন বা অন্য সুবিধা নিবেন কেনো?

কিছু কিছু ভালোমানুষ দিনের পর দিন চেষ্টা করে যাচ্ছেন আর লোয়ার ম্যানেজমেন্ট নামের কিছু পান খাওয়া নরপিশাচ সমাজটাকে দিনের পরে আদীমের পথে নিয়ে যাচ্ছে। কষ্ট করে চাকুরীর ইচ্ছা না থাকলে রিজাইন দিয়ে অন্যকে সুযোগ দিক।

এমন ভুরি, চোখে চশমা, গোফের বাহার, মাথায় টাক নিয়ে শুধু ধান্দাবাজি, ভালো ভালো মানুষকে দিনের পর দিন কষ্ট দেয়া হবে। এ কেমন কথা? এ কেমন ভোটের অপেক্ষায় মিথ্যাচারের গাঁথা মালা গলায় পরে ম্যা ম্যা করা?

আলাদা করে মহান পেষা বলে কোনো পেষাই নাই। শিক্ষকরাও নিজেদের মনের মধ্যের ছাত্রকে হারিয়ে ফেলে চাষাকে গালাগালি করে, প্রাইভেট নামে মানুষের রক্ত চুষে খাচ্ছে। ছোট ছোট বাচ্চা গুলোকে দিনের পর দিন যৌন টর্চারিং করে ভবিষ্যত কে অন্ধকার করে দিচ্ছেন।

আর সরকার শুধু কার বাবা কি ছিলেন তাই নিয়ে ওভার মাতামাতি! এ কেমন কথা রে ভাই।

একজন রাস্ট্র নায়কের অনেক ডিসিসন ইনস্টান্ড নিজে নিতে জানতে হয়। পাশের মানুষ গুলো দেখে বুঝতে হয় কোনটা পশু শয়তানের মতো ডিসিসন মেকিং এক্সিকিউশন করাতে চাচ্ছে আর কোনটা ভালো। নিজের ভিতরের নিজের অস্তিত্বকে কোনো ভাবেই বিশর্জন দিতে হয় না। সত্য ও সুন্দর উপলব্ধি থাকতে হয়।

আমি আমার লোনের কথা আপনাদের জানালাম।

আমাকে দোকান থেকে তারিয়ে দিয়ে কি পেয়েছেন? ঐ দোকানে এখন যারা আছে তারা তো শয়তান? একটা ব্যাংক ম্যানেজার কে ইনস্টান্ড কোনো ব্যাবস্থা গ্রহন করতে যিনি অত্যান্ত সেনসিটিভ পরিস্থিতিতেও জানেন না তার তো ক্ষমতা কেনো, পশুর যোগ্যতাটুকু নাই? আসিফ সারাদিন আপনাদের হেল্প করছেন আর আপনারা আসিফ কে জানোয়ারের মতো দেখছেন। আর সেই সাথে চেইন অব কমান্ড সব জানোয়ার হয়েছে। কিসের গোয়েন্দা সংস্থা ? যেখানে বিশ্বাস থাকে সেখানে কর্তব্য মন থেকে আসে? নিজেদের ঈমান নাই অন্যের ঈমানের পরিক্ষা নেয়ার চেষ্টা? আসিফ কে জানেন? এতো কিছুর পরও বুঝতে পারেন নি কে এই আসিফ? একটা মানুষ নামের ছাগল ওপেন মিডিয়ায় আমার গায়ে হাত তুলিয়ে তো মজা পেয়েছেন? এগুলো পশুর আচরন। অত্যাচারির আচরন। যে মানুষ সত্যের জন্য অপেক্ষায় থাকে তার আচরনও এতটা বর্বর হতে পারে না? আপনাদের মনে তো কুসংস্কার ভরা? এই গুলো নিয়ে তাওহিদের সালাম আশা করেন কিভাবে? আমাকে এই পশুগুলোর মধ্য থেকে সরাতে কতক্ষন লাগে? আসিফ+মুন কে প্রতিষ্ঠিত করুন তা তো আমি আপনাদের কাছে চাই নি? এ দ্বায়িত্ব আপনি থেকেই এসে যাবে।

কিন্তু একটি সামরিক হেলিকাপ্টার ব্যাবহার করে ঢাকা থেকে বরিশাল এসে হলেও আসিফ+মুন কে একসাথে করতে কয় মিনিট লাগে? এই সব কারণে মোহাম্মদ সাহেব কে কান্নার অসিম সাগরে ভাসতে হয়েছে। এখনও সেই জালেম সমাজের সৃষ্টি হয়েছে এবং তাওহিদের ইমান পয়গাম পাওয়া মানুষ নাই বললেই চলে ঠিক এমন সময় আমাদের আসতে হয়। স্টুপিড!!!

এটিও , লোকাল প্রসাশন, নির্ধারিত কিছু গার্ডিয়ান শিক্ষকদের গাছ লাগানো তদারকি করবেন। একদম সোজা ভাবে এই সব পশুদের ঘারে জোয়াল তুলে দিন।

এখন আমরা সামনের দিকে এগোচ্ছি।

আমাদের খুব দ্রুত একটি সাম্যবাদি ভিত্ত্বিতে কর্ম শুরু করে দেয়ার ব্যাবস্থা করতে হবে। তখন সব এমনিতেই সব মানুষ ভাগাভাগি করে কাজ করতে পারবেন।

আমি না হয় সব পরিস্থিতিতে ব্যালেন্স থেকে কাজ করে যেতে চেষ্টা করি। কিন্তু আমাকে কি একটি কর্মপরিবেশ দেবার দ্বায়িত্ব এই বাঙালিদের মধ্যে একজনও দ্রুত এক্সিকিউশনের কথা ভাবলেন না? যদি না পরিচয় হতো কথা থাকতো না? আরে বন্ধু আপনারা যদি বুঝতেন এইসব কাজের কতবড় পাপ ও মুক্তির পথকে কতো ধীরগতির করতে পারে তাহলে বুঝতেন।

আমি আজ আপনাদের সাথে রেগে কথা বলবো কোন দুঃখে? আমি তো সেই আদি থেকেই দুঃখের বহু উর্ধে? দুঃখ ভুলানিয়া তা আমার তাওহিদের রব ভালোই জানেন।

তাওহিদের আল্লাহ্ র কাছে নিজেদের কর্মের দায়ভার দিতে শিখুন দেখবেন তাওহিদের রব সর্ব বিষয়ে জ্ঞাতই থাকে।

এক শেখ রাসেল হারানোর দুঃখ করে করে অন্য একজন কে এভাবে চোখের সামনে শাস্তি দিতে লজ্জা হয় না?

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.