আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বলিউডের নতুন চুমুকম্যান

মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তখনো বলিউড নামে পরিচিতি পায় নি। যখন মুম্বাই ছিল বোম্বে। নায়ক-নায়িকা চুমু খেতে গেলেই মুখের সামনে দুটো ফুলের চুমু, নয় তো গাছের উপর পাখির চুমু । এগুলোই দেখা যেত। চুমুর এই নিয়মটা ভাঙলেন রাজ কাপুর।

সিনেপর্দায় নিয়ে আসলেন একেবারে আসল চুমু। ‘অ্যান ইভিনিং ইন প্যারিস’ থেকে ‘রাম তেরি গঙ্গা মেয়লি’ কিংবা আরকে ব্যানারের শেষ ছবি ‘আ অাব লওট চলে’। দেখা গেলো খোলাখুলি চুমুর সম্ভার।

তবে বলিউডের চুমুকে আন্তর্জাতিক বা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার গুরু দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ফেললেন ‘সিরিয়াল কিসার’ ইমরান হাশমি। বলতে গেলে বলিউডে চুমু দিবস রোজ রোজ বা বলা ভাল প্রতি সিনে সিনে।

একের পর এক ছবিতে নায়িকাকে চুমু খেয়ে চুমুর রেকর্ড করলেন তিনি।  

তবে কিছু বছর যাবৎ এই সিরিয়াল কিসার ভাল ছেলে হয়ে চুমু খাওয়া বন্ধ করেছে। কিন্তু ইমরানের ঠোঁট ক্লান্ত হলেও, বলিউডে রয়েছে আরও অনেক ঠোঁট যারা চুপিসাড়েই ইমরান থেকে কেড়ে নিয়েছে সিরিয়াল কিসারের ট্যাগ।

এই তালিকায় প্রথমেই নাম আসে সুশান্ত সিং রাজপুতের। ঝুলিতে রয়েছে তাঁর মাত্র দুটো ছবি।

‘কাই পো চে’ ও ‘শুদ্ধ দেশি রোম্যান্স’। ‘কাই পো চে’ তে অবশ্য চুমু খাওয়ার চান্স পাননি সুশান্ত। তবে দ্বিতীয় ছবিতে নায়িকা পরিণীতি ও বাণী কাপুরকে প্রায় ৩৪ খানা চুমু খেয়ে সে দুঃখ মিটিয়ে নিয়েছেন সুশান্ত রাজপুত।

এর পরেই আসেই সিদ্ধার্থ মালহোত্রার নাম। তাঁর ঝুলিতেও মাত্র দুটো ছবি ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ ও ‘হাসি তো ফাসি।

’ দুই ছবিতে প্রয়োজন মতো চুমু খেয়েছেন আলিয়া ভাট ও পরিণীতি চোপড়াকে। লিস্টে রয়েছে অর্জুন কাপুরও। ছবিতে নেমেই চুমু খেয়েছিলেন পরিণীতিকে। দ্বিতীয় ছবিতে অর্জুনের ঠোঁট মিলেছিল সালমা আগার মেয়ের সাসা আগার ঠোঁটে। তৃতীয় ছবি ‘গুন্ডে’তে প্রিয়াঙ্কা আর চর্তুথ ছবি ‘টু স্টেটস’-এ আলিয়া ভাট।

 

তবে এই জুনিয়ারদের সঙ্গে নাম লিখিয়ে ফেলেছেন বলিউডের আপাতত সেরা চুমুকম্যান রণবীর কাপুরও। তাঁর চুমুর লিস্ট থেকে বাদ পড়েনি কোনও নায়িকাই। দীপিকা থেকে ক্যাট, ক্যাট থেকে নার্গিস সবাই রয়েছে রণবীরের চুমু কাব্যে। রয়েছেন রণবীর সিংও। তবে আপাতত, দীপিকাকেই চুমু খেয়ে রের্কড বজায় রাখছেন নিজের।

চুমুকাব্যের কারনে বলিউডের এই চুমুকম্যানেরা আজ সুপারহিট।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।