আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

স্কাইপিতে - আমাদের ডেভিডের ব্লগটা যেটা ফর এন এক্সামপল ।

এই প্রোষ্টটা জন স্বার্থে প্রকাশ করলাম, শুধু মাত্র জানার জন্য বুঝার জন্য, “online গণমাধ্যম পরিচালনা নীতিমালা” কি? ভালো মন্দ দিক টা শুধু জেনে নেয়া । government একটা খুব deadly পলিসি করতেছে আর কি, informatin এ। মানে প্রস্তাবিত online গণমাধ্যম পরিচালনা নীতিমালা। যে online মিডিয়া কিন্তু আসলে really main stream media হয়ে যাচ্ছে আসলে। মানে আমরা main stream নিউজ গুলা পড়তে পড়তে আমরা online।

এবং ব্লগিংটা আসলে মেইন হয়ে যাচ্ছে। কাজেই সরকার যে আইনটা মানে..., এখানে ফানি লাগতেছে দুটো জিনিস কমেন্ট আছে এইখানে আবার ইনিশিয়াল কমেন্ট-এর পর আরও অনেক ডিটেইল কমেন্ট আছে একটা হচ্ছে যে, online এর নিয়মটাই হচ্ছে যে মোটামুটি যে কেউ কিছু একটা শুরু করে দিতে পারে। কিন্তু এইখানে আপনি যখন online এ একটা ওয়েবসাইট যখন তৈরি করেন, আপনি কিন্তু পৃথিবীর যে কোনো জায়গায় সেই ওয়েব সাইটটাকে হোস্ট করতে পারেন অর্থাত্ কেউ একজন আপনার ওয়েব সাইটটা নিয়ে বসে আছে। তার সাইটে আপনার এটাকে হোস্ট করতে দিতেছে। এটাকে হোস্টিং বলে।

তো এখন এরা বলতেছে এটা কিন্তু এতো ফ্রি যে, আপনার ইন্টারনেট থাকলে আপনি পৃথিবীর যে কোনো সাইটে যে কোনো দেশে যে কোনোভাবে যেতে পারেন আর কি। তো এখন এরা বলছে যে, এক হলো যে এইটা করতে গেলে আপনাকে পুরা মিডিয়ার যে আইন-কানুন আছে সেগুলা মানে ওই রকম কাছাকাছি আইন-কানুন ফলো করতে হবে, আপনাকে রেজিস্টার্ড কোম্পানি হতে হবে, আপনাকে সাংবাদিক হতে হবে, যে ওইখানে লিখতে গেলে আপনার সাংবাদিকের প্রোফেশনাল এইটা থাকতে হবে। সবকিছু এখন সংবাদের ভিতরে চলে আসে আর কি, আমরা যে বিভিন্ন কিছু শেয়ার করি ওয়েবসাইটে সেটাও কিন্তু সংবাদেও ভেতরে চলে আসে। কাজেই government ইচ্ছা করলে সব গুলাকেই বন্ধ করে দিতে পারে। মানে হয়তোবা তারা এইভাবে তারা ইচ্ছা করতেছে না কিন্তু দেখা যাবে যে যারা চাইবে তখন এটা বন্ধ করে দিতে পারে।

so এইটা নিয়ে আমরা really মানে worried ব্যাপার একটা। so এইটা নাকি বেবি মওদুদ না কে জানে এইগুলা তারা আছে বা bdnews24 নাকি এটার পেছনে আছে। তারা চাইতেছে না যে অন্যান্য ছোটখাটোভাবে বেশকিছু ওয়েবসাইট ডেভেলপ করতেছে যেগুলো তাদেরকে compete করে আর কি। তারা competitor বাজার থেকে ভাগায় দিতে চাইতেছে আর কি মূলত এবং একটু দেইখেন যে, পরিমাণ ফিসের কথা বলা হয়ছে, সেই পরিমাণ ফিস দিয়া কোনো ইয়াং এন্ট্রাপেনার বা কেউই একজন, অনলাইন মিডিয়ায় পলিসি, আমি এই হেডলাইন এ দিতেছি... কিন্তু আপনি যদি একটা কমেন্ট করতেছেন, আপনি ম্যাসেজ পাঠাচ্ছেন পার্সোনাল ইমেইল-এ পাঠাচ্ছেন ঠিক আছে, কিন্তু আপনি যে রকম ধরেন—আমাদের আইসিএস-এর ক্ষেত্রে যে সাইট আমরা করছি আরকি ঠিক আছে, এই সাইটে আমরা কি করতেছি এটাকে কিন্তু এইটা টেকনিক্যালি এবং গুগোল এটাকে consider করে এটা মিডিয়া। কারণ আমরা এখানে তথ্যগুলাকে collect করে রাখতেছি।

আপনি করতেছেন যেটা, আমরা কোনো কমেন্ট করে দিতেছি না, যেহেতু কমেন্ট-এ দেয়ার মতো আমাদের সময় নাই আর কি, কিন্তু আমরা যদি এর সাথে কমেন্টও দিয়ে দিতাম বা আমরা শুধু কমেন্টই দিতেছি না এই যে, আপনি যে ভিজিট করতেছেন আমাদের সাইটে আর্কাইভ আছে, আপনি যা বার বার দেখতেছেন, সেখান থেকে ইনফরমেশনগুলা নিয়ে আপনি রিইউজ করতেছেন যে, এইটা টেকনিক্যালি এর ভিতরে পরে, মিডিয়ার ভিতরে পরে। এখন এই নিউজ পেপার-এর ইয়েটাতো খুব ব্লগার হয়ে গেছে না, আপনি নিউজ পেপারের নিউজ সাইট, যেমন আমাদের সাইটেও তো নিউজ আছে কিন্তু আমরা অন্যের নিউজ শুধু এনে দিতেছি ঠিক আছে। আমরা নিউজ কিন্তু ওই সেন্সে কালেক্ট করতেছি না কিন্তু আমরা নিউজগুলাকে আর্কাইভ করে রাখতেছি। যে নিউজ সেগুলা হচ্ছে সেগুলাকে আমরা ঐখান থেকে kind of মানে টোকাই নিয়া গিয়া, বাছাই করে নিয়ে এটা আমাদের ওখানে জমা রাখতেছি। উদ্দেশ্যটা কি যে এটা আমরা ব্যবহার করব।

আমরা এবং অন্যরা যার ইচ্ছা সে ব্যবহার করবে। এটা হলো মানে বর্তমানে ব্যবহারের জন্য এবং ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য এবং এটা আমাদের কাছে একটা রেকর্ড হিসেবে থাকতেছে, আর্কাইভ থাকতেছে। আমরা রাখি মূলত রিসার্চ হিসেবে। কিন্তু এইটাকে যখন আবার Google করে কি যে, তারা এইটাকে যেহেতু এইটা আমরা তথ্য সরবরাহ করছি, তথ্য রাখতেছি, সংগ্রহ করতেছি এবং সরবরাহ করতেছি। সরবরাহ মানে আমরা কারও কাছে গিয়ে গিয়ে দিতেছি না কিন্তু আমরা দরজা খোলা রাখছি যে আপনারা আইসা, আসতে পারেন দেখতে পারেন, সেইজন্য সেইটাকে ধরা হয় মানে international practice টা হচ্ছে এটাও মিডিয়া একটা।

তারপর হচ্ছে যে এই যে ব্লগ যেটা এটাও কিন্তু মিডিয়া। এটা কিন্তু আপনার ব্যক্তিগত কমেন্ট্রি। এই যে যেমন আপনার ডেভিডের ব্লগটা যেটা ফর এন এক্সামপল, এইটাকে Google ধরবে অথবা internationally ধরা হবে যে এটাও একটা মিডিয়া। কারণ হচ্ছে কি যে এইখানে সে মন্তব্যটা সে করছে, করার পরে অন্যরা এখানে আসছে এবং সেখানে আবার মন্তব্য দিতে পারতেছে। কাজেই তথ্য রাখা হচ্ছে এবং তথ্য শেয়ার করা হচ্ছে।

ফলে এইটা মিডিয়ার ভিতরে আসবে এখন ওই মিডিয়ার যে strict যে বাউন্ডারি ছিল, সেই বাউন্ডারিগুলা অনেক বড় হয়ে গেছে এবং এই নতুন টেকনোলজির কারণে, এই মিডিয়া এখন এগুলোকে সবগুলোকেই ব্রড স্ট্রোকে মিডিয়া বলা যেতে পারে। প্রবলেম হয়ে গেছে যেটা সেটা হলো যে, আপনি দেখবেন এইখানে কোনো সঙ্গা দেয়া নাই যে, কোনটা ইন আর কোনটা নট ইন। সঙ্গাটা যদি থাকত তাহলে কিন্তু এই confusion টা হতো না। এখন এই গণমাধ্যমে বলা আছে এখন এই গণমাধ্যমের কোনো সংজ্ঞা এখানে দেয়া নাই। মানে গণমাধ্যমকে আমরা যদি ইংরেজি করি তাহলে এটাকে mass media বলা যেতে পারে বা in short ‘media’ বলা যেতে পারে।

এখন এই মিডিয়া হলে সবই তো কাভার করে যাই তাহলে। এখানে যদি তারা যেমন বলেছে ‘প্রচলিত সংবাদপত্র, টেলিভিশন, বেতারের বিভিন্ন চ্যানেলের পাশাপাশি ওয়েব বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন সংবাদ বা অনুষ্ঠানের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সম্প্রচার, প্রকাশনা, প্রদর্শন ও পরিচালনায় কোনো বিধিবিধান বিদ্যমান নাই এবং এ সম্পর্কিত একটা নীতিমালা প্রয়োগ করা জরুরি’। এখানে কিন্তু কোনো আইন নাই তারা কিন্তু এখানে even পলিসিতে তারা পেনাল প্রোভিশনও রাখছে যে, এটা যদি না মানা হয় তাহলে এত বছর শাস্তি হবে আর কি। so এই জিনিসগুলা লেজিসলেশনে থাকা দরকার, এটা পলিসির ভেতরে থাকা দরকার মানে থাকতে পারে না কখনও। নীতিমালাতে কখনও, নীতিমালা কখনও legislation হতে পারে না।

নীতিমালাটা হচ্ছে একটা legislation-এর ভিত্তিতে, একটা legislation থাকবে সেটাকে application করতে গেলে কোনো একটা এরিয়াতে একটা পলিসি থাকবে যে, হ্যাঁ ঠিক আছে আমরা এইটা দিয়ে আইন এইটাকে বলতেছে সেইটাকে আমরা এইভাবে প্রয়োগ করব আর কি। এই government-ই হোক অথবা পরবর্তী government-ই হোক একবার পলিসি হয়ে গেলে তো ওটাতো মানে it stays কাজেই এইটা আমরা বিপদে পড়ে যাব, এটা অনেকেই বিপদে পড়বে কাজেই এই ফ্রি মিডিয়াটা যেটা really মানুষকে empower করেছে, এই যে citizen, netzen বলে এখন এইটাকে। এই যে সিটিজেন জার্নালিজম যেটা ডেভেলপ করেছে, এখন যার হাতেই একটা ল্যাপটপ আছে এবং যার হাতেই ইন্টারনেট কানেকশন আছে সেই কিন্তু জার্নালিস্ট হয়ে গেছে, সেই কিন্তু একটা খবর লিখতে পারছে সেই কিন্তু একটা কমেন্ট্রি করতে পারছে। এটা একটা caos তৈরি করতেছে এটা সত্যি কথা কিন্তু সেই caos টাকে আপনাকে হ্যান্ডেল করতে হবে নতুন টেকনোলজির যে keeping that in mind. Not really এটার যে solution সেটা হচ্ছে যে ঐ ট্রেডিশনাল ওয়েতে যেভাবে পত্রপত্রিকায় লাইসেন্স দেয়া হয় এবং তাদেরকে লাইসেন্স রিনিউ করা লাগে, এই টাইপের যে ট্রেডিশনাল ওয়ে আছে, এইভাবে এটাকে করাটা ঠিক হবে না এবং এটা উচিত না আর কি। কারণ এইখানে আমরা যে এই যে মানে 21 সালের দিকে বাংলাদেশকে টেকনোলজির দিক থেকে যে পর্যায়ে নিতে চাচ্ছি আমরা, বা যেভাবে চিন্তা করা হচ্ছে, এইগুলাকে আটকে দিবে আর কি তখন এইগুলাতে underground করে দিবে।

যেটা আসলে একটা legitimateactivity টাকে illegitimate হয়ে যাবে তখন মানে অবৈধ হয়ে যাবে। আপনি তো কোনো দিনই আটকাতে পারবেন না, ঘরের মধ্যে বসে বসে ছেলেমেয়েরা বহুত কিছু করবে যেগুলা আপনি আটকাতে পারবেন না। তারপর যেমন ধরেন যে একটা condition দিয়েছে যে, ওয়েবসাইট যেটা হবে সবই হলো দেশের ভেতরে হতে হবে এখন দেশের ভেতরে আমাদের এর capacity নাই আর কি, আপনার reliability নাই। আপনি একটা ওয়েবসাইট করবেন কিন্তু দেখা যাচ্ছে কি যে কিন্তু এটাকে হোস্ট করতে হবে দেশের ভিতরেই, এখন দেশের ভিতরে হোস্ট করার মতো আপনার ability নাই, technical ability নাই। যে কারণে মানুষ বাইরে হোস্ট করে আর কি এবং সবাই কিন্তু বাইরে হোস্ট করে এবং backup টা easily রাখা যায়, যে এগুলা যেন হারিয়ে না যাই আর কি।

আর এইগুলা যেহেতু ব্যুরোক্রেটরা apply করবে এই সব policy। কাজেই এইগুলা বেশ কিছু চিন্তার ব্যাপার আছে। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।