আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

মুক্তি পেয়েই শ্রীশান্ত বললেন, ‘আমি নির্দোষ’

এ অধ্যায় তো কোনোদিন ভুলে যাওয়ার নয়। শ্রীশান্তও ভুলতে চান না আকাশ থেকে মর্ত্যে পড়ার এই অধ্যায়। আইপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৭ দিন আটক থাকার পর তিহার জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে শ্রীশান্ত জানিয়েছেন, ‘জীবনের এই অধ্যায় ভুলে যাওয়ার নয়। ’ ভারতীয় পেসার এই দাবিও করলেন, ‘ক্রিকেটীয় চেতনা সমুন্নত রেখে’ই তিনি খেলেছেন। অন্যায় কোনো কিছু করেননি।

জেলের জীবন তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে জানিয়ে শ্রীশান্তের প্রত্যয়, আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজেকে ‘পরিষ্কার’ করেই আবার খেলায় ফিরবেন তিনি।
মঙ্গলবার রাতে জেল থেকে মুক্তি পেয়েই শ্রীশান্ত ছুটে যান তাঁর কৌঁসুলির বাড়িতে। সেখানেই আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁর কণ্ঠে ঝরেছে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের আকুতি। ক্রিকেটটা তিনি সততার সঙ্গে খেলেছেন—এমন দাবি করে শ্রীশান্ত বলেন, এই খেলার পেছনে নিজের সবটুকুই সব সময় নিংড়ে দিয়েছেন তিনি।
২৭ দিনের জেলজীবন শেষে জামিনে মুক্তি পেলেও স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ থেকে শিগগিরই মুক্তি মিলছে না তাঁর।

জামিনে থাকলেও বিচারকাজ চলবে পূর্ণমাত্রায়। তবে ভারতীয় বিচার বিভাগের প্রতি তাঁর পূর্ণ আস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। চলমান বিচার-প্রক্রিয়ায় নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করেই আবার খেলায় ফিরতে পারার ব্যাপারেও নাকি তিনি আত্মবিশ্বাসী।
জেলের দিনগুলো যে তাঁর জন্য কতটা ভয়াবহ ছিল, সেটা কাল ফুটে উঠছিল শ্রীশান্তের চেহারাছবিতে। ক্লান্ত-অবসন্ন শরীরই বলে দিচ্ছিল, গত ২৭টি দিন আসলে কেমন কেটেছে শ্রীশান্তের।

চোখে ছিল নির্ঘুম রাতের ক্লান্তি। গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ির উপস্থিতি বলে দিচ্ছিল তিহার জেলের গল্পটি।
বিচার বিভাগের প্রতি পূর্ণ আস্থা আছে তাঁর—এ কথা বলার পরপরই প্রশ্ন ছুটে গেছে তাঁর দিকে। বিচার বিভাগ যদি তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে, তাহলে কী করবেন তিনি। উত্তরে এক মুহূর্তও দেরি না করে শ্রীশান্ত বলেছেন, ‘দোষী প্রমাণিত হলে আমি অবশ্যই বিচার বিভাগের রায় মেনে নেব।

’ জেল থেকে বেরিয়েই শ্রীশান্ত কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তাঁর শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি।
শ্রীশান্তের পাশাপাশি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন রাজস্থান রয়্যালসে তাঁর সতীর্থ অঙ্কিত চাভান। তবে আরেক অভিযুক্ত অজিত চান্ডিলার পক্ষে নাকি জামিনের আবেদনই করা হয়নি। আইপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে গত ১৬ মে দিল্লি পুলিশের একটি বিশেষ দল আটক করে শ্রীশান্তকে। একই অভিযোগে আটক হন চাভান-চান্ডিলাসহ ১১ জন ভারতীয় জুয়াড়ি।

তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একটি ধারায় ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়। পিটিআই। ।

সোর্স: http://www.prothom-alo.com     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.