ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে বিয়ের সময় নারীকে মোহরানা দিতে হবে। বিয়ের পরে বউয়ের ভরন পোষণের দায়িত্ব নিতে হবে। বিনিময়ে স্বামীর আনুগত্য (অবশ্যই পাপ কাজে নয় ) মেনে নিতে হবে। অথচ আজকাল নারীরা মোহরানার দাবি ও ছেড়ে দিচ্ছে না আবার স্বামীকে ভরন পোষণের দায়িত্ব থেকে ও মুক্তি দিতে রাজি নয়। অপরদিকে আনুগত্যও মানতে রাজি নয়।
তাহলে ভারসাম্য কোথায় ? আর বিরাজমান আইনেও একচ্ছত্র অধিকার নারীকেই দেয়া হয়েছে । বিবাহ বিচ্ছেদ হলে মোহরানা দিতেই হবে । সেটা যেই বিচ্ছেদ এর জন্য দায়ী হোক না কেন। আজকাল নারীরা তথাকথিত নারীবাদে আকৃষ্ট হয়ে আর প্রচশিমা সমাজের ভুলে পরে পুরুষের কাছে দিন দিন অশ্রদ্ধার পাত্র হয়ে যাচ্ছে । আমার কথা হল আপনি যে যৌনাঙ্গের মোহ রানা দাবি করেন আপনি সেই যৌনাঙ্গ হেফাজত কি করেন ? ? যদি বিয়ের আগে আপনি আপনার যৌনাঙ্গ অন্য একজনকে ভোগ করান আবার নিজেও মজা লুটেন তাহলে আপনার আপনি কিভাবে মোহরানা দাবি করেন ? পরিণতিতে সমাজে বিশৃঙ্খল বেড়েই চলেছে।
আজকাল রাস্তা ঘাটে , শপিং মলে মেয়েদের দেখলে তাকে মোহরানা দিয়ে ঘরের বউ করতে আপনার ইচ্ছা না করারই কথা।
ইসলাম হচ্ছে সন্দেহাতীতভাবে একটি পরিপূর্ণ এবং শাশ্বত জীবন ব্যবস্থা । প্রাচ্যের উন্মুক্ত বক্ষ আর বিশৃঙ্খল জীবনের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাদেরকে অনুসরণ করা মানে জলন্ত অগ্নি কুণ্ডে নিজেকে ছুঁড়ে দেয়া।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।