আমি। কেউ না। তবে মাঝে মাঝে আমার দুষ্ট মনটা কানে কানে এসে বলে, তুমি মহাকালের উচ্ছল সমুদ্রে ভেসে বেড়ানো এক কচুরিপনা । কালের ঊর্মিমালার সাথে সাথে নাচা ছাড়া তোমার আর কোন কাজই নেই.....
মাঝে মাঝে অনিচ্ছা স্বত্বেও প্রতিটি জাতি সর্বনাশের পথে পা বাড়ায়। এই পা বাড়াতে বাধ্য করে দেশেরই হর্তকর্তরা।
আসরাও চরম সর্বনাশের পথে নেমে পড়ছি। সরকার দলই সামনে থকে এ পথে পাড়ি দেওয়ার নেতৃত্ব পরিচালনা করছে যখন সংসারের মাথা বাবাই ডাকাত দলে যোগ দেয়, স্বভাবতই অন্যরাও সেই প্রশংসিত(!) দলে। কিন্ত জাতিকেএই নিশ্চিত ধ্বংশের দ্বারপ্রান্ত থেকে নিরাপদ তাবুতে আশ্রয় দিতে কিছু কিছু সাহসী লেখক এগয়ে আসেন। যাদেরকে জাতি ভুলতে চাইলেও ভুলতে দেয়না সময়ের ডাকে তাদের নেওয়া দু:সাহসী পদক্ষেপগুল। কাজী নজরুল ইসলাম।
সেই সব মহান ব্যাক্তিদের তালিকার শীর্ষে। আমাদের গর্বের ব্যাপার এই যে, আমরা তেমনিই আরেক সাহসী কলম সৈনিককে পাচ্ছি। সময়ের প্রবাহই বলে দেবে কত উচুঁ মাপের লেখক তিন.....
মাহমুদুর রহমান
সাহসী কলম সৈনিক মাহমুদুর রহমান,
সত্যের নিষ্কলুষ রক্ত তোমার দেহে বহমান।
মিথ্যার বুলি অনুরনিত আজ যাদের মুখে,
একা তুমি দিয়েছ তাদের রূখে।
কার কাছে এমন সাহস রূখে তোমায়,
যাকে পথের দিশা দেয় এক খোদায়।
কলম হাতে নিপীড়িত মানুষের পাশে,
বন্ধু বলে তুমিই দাঁড়িয়েছ নজরুলের ধাঁচে।
সত্যের পূজারী, শুনে তোমার বজ্রকন্ঠ বাণী,
কাঁপিছে আমার দেশের মিথ্যার রাণী।
“লোহার পিঞ্জরে সত্যকে আটকানো যায়না”
এ মহাসত্যটাকে অসত্য সরকার মানতে চায় না।
অসত্যের কাছে হারতে আসনিতো তুমি,
এসেছো রচিতে নির্ভেজাল এক ভূমি।
অসংকোচ প্রকাশরে দুরন্ত সাহস নিয়ে,
চলে যে মানব, ভয় হবে তার কীসে?
ইকবাল, নজরূল, ফররূখ যত কবি,
মিথ্যাকে রূখে হৃদয়ে আকিঁল সত্যের ছবি।
তাঁদের কাতারে তুমি নিজেরে ধরিলে তুলি,
তোমার আলোতে হার মেনেছে আজই সব মিথ্যের বলি।
নির্ভীক এক সাহসী যোদ্ধা তুমি তাই,
মোদের মমতায়ভরা হৃদয়কুঞ্জে পেয়েছ ঠাঁই...
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।