বল আমায় সেই সময়ের নেই কেন অস্তিত্ব, বোঝাও আমায় সেই কল্পনার নেই কোন সমাধান.....আমারি স্বপ্ন আজো জেগে রয় আধারো শুন্য চোখে ...
এযেন আরেক ইমা রে ভাই, তবে ইয়াবা না...। ফেনসিডিল ।
আমাদের দেশে যে নারী নির্যাতন আইন আছে তা যে কত অপব্যাবহার হচ্ছে তার কি কোন হিসাব আছে - এইতো কদিন আগেই প্রথম আলোতে আইন মন্ত্রিই বলে ছিলেন এই আইনের পরিবর্তন হওয়া দরকাল, এর ৮০ পার্সেন্ট এ হয়রানি মামলা করা হয়।
এই মাত্র খবর পেলাম আমার এক বন্ধু বিপদে পরেছে, ঐ একি মাইয়া কাহিনি, বিদেশে থাকে, অনেকদিন ধরে বউ এর সাথে বনিবনা হচ্ছিল না। ঐ বন্ধু পারিবারিক অধিকার পুনরুদ্ধারে মামলা করেন গতমাসের ২০ তারিখে, বিদেশে বসেই উকিল এর মাধ্যমে।
ঐ বন্ধুর বউ আবার ঐ বন্ধুরি বোনের ননদ, মানে বিয়াই আরকি, মামলা করার পর থেকে শশুর বাড়ির লোকজন বন্ধুকে ফোন করে চাপ দিতে থাকে মামলা উঠিয়ে নেবার জন্য + বউ কে ডিভোর্স দেবার জন্য। কিন্তু বন্ধু বলেছিল মেয়ে যদি সংসার করতে না চায় তাহলে মেয়েই যেন ডিভোর্স দিয়ে দেয়। টাকা পয়সা যাপায় দিয়ে দিবে - এদিকে গতকাল রাত ১ টায় বন্ধুর বোন আর বোন জামাই হটাত করেই পুলিশ এরেস্ট করে নিয়ে যায়। ঐ বন্ধুর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আইণ ২০০৩ এর ৪/২/খ এর ধারাতে মামলা করেছে মেয়ের মা এবং তা আমার বন্ধুর মামলা করার পরে । বন্ধুকে না পেয়ে ঐ বন্ধু বোন আর তার জামাই কে এরেস্ট করে নিয়ে যায় পুলিশ।
আর আমার বন্ধুর মামলা প্রধান সাক্ষি ও এই বোন আর তার জামাই, এদিকে আমার বন্ধু প্রায় ৭ মাস বাংলাদেশের বাইরে তার উপর ঐ বন্ধু আগেই কেস করেছ এক্ষেত্রে আমার ঐ বন্ধুর সন্দেহ যে পুলিশ কে টাকা খাইয়ে বউএর বাপ এ কাহিনি ঘটিয়েছে। তার উপর আবার আজ সকালে ফোনে শশুর বাড়ির লোক জন জানিয়েছে যে ৫ লাক টাকা আর ছেলের নিজে ডিভোর্স দিলে তার বোন আর জামাই কে ছেড়ে দিবে..। যেখানে দেনমহর ১ লাখ টাকা>> এটা কি...মানবিকতা, মানে মেয়েকে দিয়ে ডিভোর্স করাতে না পেয়ে পুলিশকে টাকা খাইয়ে এসব ব্ল্যাক মেইল করছে - এবং ছেলেকে দিয়ে জোড় পুর্বক ডিভোর্স করাতে চাপ দিচ্ছে তাও ব্ল্যাক মেইল করে...। এ কেমন দেশে আমরা বাস করছি। দেশ এ কি কোন মানবাধিকার নাই।
দয়া করে আমি আপনাদের দৃস্টি আকর্ষন করছি, মানবাধিকার কর্মি যারা এই ব্লগে আছেন দয়া করে সাহাযার্থে এগিয়ে আসুন। সাংবাদিক যারা আছেন তারা এগিয়ে আসুন। আমার বন্ধুকে নায্য আইনি শাশন পেতে সহায়তা করুন। আমার বন্ধুর নাম : গোলাম রাব্বি,আর ঘটনা হয়েছে পাবনাতে। যদি কোন দয়াবান মানবাধিকার কর্মি এগিয়ে আসেন তাহলে নিচের মেইল এ মেইল দিন, বিস্তারিত জানাবো।
এ মেয়ে যেন আরেক ইমা, আমার বন্ধুরি এক বন্ধুর সাথে প্রেম করে পালিয়েও গিয়েছিল সেখান থেকে শুরু....। ভিতরে তো আরও কাহিনি আছে- এখন বিচার চাইতে গিয়ে আরেক বিপদে পরেছে। সব কিছু এই প্রবাসিদেরি হয়। বিপদে প্রবাসিরাই পরে....যতটুকু জানি এই মেয়ে আর মেয়ের ভাই ফেনসিডিল ব্যাবসায় জরিত, মেয়ের ভাই ও ৬ বছর আগে ইরশরদিথেকে আসার সময় ২০ বতল ফেনসিডিল নিয়ে ধরা খাই ও জেল ও খাটে। এদিকে বিয়ের পর আমার বন্ধু সব কিছু জানতে পেয়ে বউকে অনেক নিষেধ করার পরেও কোন কাজ হয়নি।
মেয়েরা ২ বোন এক ভাই, বড় বোন জাপানে থাকে জামাই সহ, তারা ভাল কাজ করেন। কিন্তু মেয়ের বাপ আর ভাই কোন কাজ করেনা। দোকান আর বাসা ভারা দিয়ে সংসার চালায়...বন্ধুর বিয়ের পর টের পায় পুরা পরিবার হেরইন আর ফেন্সিডিল ব্যাবসার সাথে জড়িত,। দয়া করে আপনারা সাহায্য করুন, বলছি না আমাকে বিশ্বাস করতে, এ কাহিনি এই আপনারা নিজে চোখে দেখে আসুন। আমি তো দেখছি এখণ নিজে চোখে আমারি সামনে গত ১৩-১৪ ঘন্টা আমার বন্ধুকে, তার প্রত্যেকটি ফোনালাপ আমি শুনছি।
যা বুজেছি তাই লিখলাম। আপনারা মানে সাংবাদিক আর মানবাধিকার কর্মীরা যদি না যান হয়ত মান সম্মানের ভয়ে আমার বন্ধুকে ৫ লাখ টাকা দিয়ে মামলা চুকিয়ে নিতে হবে আর তাদের পরবর্তী স্বীকার হবে অন্য কোন ভাল ছেলে। এভাবেই এরা নস্ট করে দিচ্ছে সমাজ, কিছু বাপই আছে যারা এসব করে টাকা কামাই করে থাকে - ছি::::
সাহায্য চাচ্ছি একজন অভিবাসি বাংলাদেশির জন্য যার রক্ত এখোনো লেগে আছে দেশের রেমিটেন্স এর ১২ বিলিয়ন ডলারের শক্ত ভিতের উপর। দয়া করুন....।
email : ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।